logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

চীনের উইঘুর মুসলিমরা ১৮ ঘণ্টা রোজা রাখেন

চীনের কাশগড় থেকে মাইদুর রহমান রুবেল
|  ৩০ মে ২০১৯, ২২:৩২ | আপডেট : ০১ জুন ২০১৯, ১৪:৪৩

চীনের উইঘুর মুসলিমরা ১৮ ঘণ্টা রোজা রাখেন। ফজরের আগে রাত ৪টায় সেহরি খেয়ে ইফতার করেন রাত সাড়ে ১০ টায়।

পুষ্টিকর ও তুলনামূলক হালকা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন এই মুসলিমরা। সেহরিতে সাদা ভাতের সঙ্গে সুবিধামতো সবজি, মাছ, মাংস খান তারা।

আর ইফতারে পোলাও বা বিরিয়ানি খেতে পছন্দ করেন এসব মুসলিম। বাংলাদেশের মানুষের মতো খুব একটা আয়োজন করে ইফতার করেন না তারা। তবে খেজুর থাকে ইফতারে।

উইঘুর মডেল গ্রাম

 

চীনের সরকারের আমন্ত্রণে দেশটির কাশগড় ও সফু এলাকা ঘুরে এসব তথ্য সংগ্রহ করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির সিনিয়র রিপোর্টার মাইদুর রহমান রুবেল।

দেশটির নাজারবাগ ১৪ নং মডেল গ্রামে বসবাস করেন বেশকিছু উইঘুর মুসলিম। বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যাওয়া সাংবাদিকদের নেয়া হয় গ্রামটিতে।

কিছু বাড়িতে উইঘুর পরিবার বসবাস করলেও অধিকাংশ বাড়িতে দেখা গেছে তালা।  গুলশান আরা নামের এক বৃদ্ধার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের সাংবাদিকদের।

বেশ গোছানো ও নতুন একটি বাড়ি। বাড়ির আঙিনায় আঙুরের লতা ঝুলছিল। জানা যায়, ২০১৭ সালে সরকারের আংশিক সহায়তায় এই বাড়ি নির্মাণ করেছেন গুলশান আরা।

তার ধর্ম পালনে কোনও চাপ নেই বলে জানান তিনি। তবে এই মুসলিম নারীর মুখের হাসি কৃত্রিম বলে মনে হয়।

এরপর নিয়ে যাওয়া হয় সফুর ৭ নং অকুসাক টাউনে আবদুর রহমানের বাড়িতে। তার বাড়ির আঙিনায় মোবাইল ফোনের চার্জার তৈরির কাজ চলছিল।

তার বাড়ির পেছনে বিশাল কৃষিজমি। তিনি কৃষি কাজ করেন। তার স্ত্রী এবং পুত্রবধু মোবাইল ফোনের চার্জার তৈরি করেন।

বেশ অতিথি পরায়ণ আবদুর রহমান। রমজান মাসে দুপুর বেলা আপ্যায়ন করতে পারছেন না বলে দু:খ প্রকাশ করে ইফতারের নিমন্ত্রণ জানান তিনি।

অবশ্য উইঘুর মুসলিমরা ইংরেজি বা চীনা ভাষা জানে না। তাই তাদের কথা বলতে বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয় বাংলাদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের।

উইঘুর সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের খবরে বিশ্বজুড়ে যখন তোলপাড়, তখন এখানকার বাসিন্দাদের স্বচ্ছন্দময় জীবন নিয়ে প্রশ্ন জাগাটা স্বাভাবিক নয় কি?

উইঘুর গ্রামে একটি মুসলিম পরিবারের সঙ্গে আরটিভির প্রতিবেদক

কে/এএইচ

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়