
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। ইস্ট কোস্ট অঞ্চলে স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হয়।
বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি বিষয়ে গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে এই মধ্যবর্তী নির্বাচনকে। এতে ৫০টি অঙ্গরাজ্যে ভোট কার্যক্রম চলবে। ধারণা করা হচ্ছে, অন্যবারের চেয়ে এবার ভোটারের উপস্থিতি অনেক বেশি হবে।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে নিম্নকক্ষ বা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ৪৩৫ জন প্রার্থী নির্বাচিত হবেন এবং উচ্চ কক্ষের ১০০ আসনের মধ্যে ৩৫ জন নির্বাচিত হবেন। পাশাপাশি ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ৩৬টির গভর্নরও এতে নির্বাচিত হবেন।
উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ দুই জায়গাতেই আধিপত্য ধরে রাখতে পারলে রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের অধীনে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে পারবে। কিন্তু যদি ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকানদের ছাড়িয়ে যায় তাহলে ট্রাম্পের সব পরিকল্পনাকে ঘুরিয়ে দিতে পারে তারা।
নিম্নকক্ষ যদি ডেমোক্র্যাটদের দখলে চলে যায় তাহলে সেটা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন- ট্রাম্পকে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমাদের একটু ভিন্নভাবে কাজ করতে হবে।
মধ্যবর্তী এ নির্বাচন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য বড় পরীক্ষা। কারণ, সর্বশেষ জনমত জরিপগুলোতে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের আভাস পাওয়া গেছে।
যদিও নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প বলেছেন, “ডেমোক্রেটরা ক্ষমতায় আসলে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে এবং অবৈধ অভিবাসীরা অবাধে প্রবেশের সুযোগ পাবে।”
ডি/




