Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ০৯ মে ২০২১, ২৬ বৈশাখ ১৪২৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

  ১৯ আগস্ট ২০১৭, ১৩:৪০
আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৭, ১৩:৫৪

মরুভূমিকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব (ভিডিও)

অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে মরুভূমিকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। এরই ধারাবাহিকতায় তেল রপ্তানির পাশাপাশি মরুভূমির বুকে বড় প্রকল্প তৈরির কাজে হাত দিয়েছে দেশটির সরকার। যাকে বলা হচ্ছে ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’।

অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের অর্থনীতি ভাসছে জ্বালানি তেলের ওপর! এখন পর্যন্ত দেশটির চালিকাশক্তির মূলে আছে তেল রপ্তানি। তবে যুগের বাস্তবতায় কৌশলে পরিবর্তন আনতে চাচ্ছে দেশটি। কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে প্রাকৃতিক সম্পদের সীমাবদ্ধতাকে। এরই বিকল্প খুঁজতে বেছে নেয়া হয়েছে বিরান মরুভূমিকে।

হাজার হাজার বর্গকিলোমিটার মরুভূমিকে নতুন শহরে পরিণত করার উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি সরকার। এজন্য গেলো মাসে নেয়া হয়েছে বড় দুটি প্রকল্প। এগুলোর একটির আয়তন বেলজিয়ামের চেয়েও বড়! অন্যটি প্রায় মস্কোর সমান। মূলত তেলভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার রূপান্তর নতুন চাকরির ক্ষেত্র তৈরি ও বিনিয়োগ বাড়াতেই এমন উদ্যোগ।

গেলো এপ্রিলে দেশটি ঘোষণা করে ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’। ৮৪ পৃষ্ঠার এ পরিকল্পনাকে গেলো বছরের ভুলগুলোকে শুধরে নেয়ার প্রচেষ্টা বলছে সরকার।

এর আওতায় সৌদি আরবের ৫০টি দ্বীপকে, পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আল-মদিনা প্রদেশের মাদাইন সালেহ নামে প্রত্নতাত্ত্বিক অঞ্চলটিও পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হবে। মদিনাকে গড়ে তোলা হবে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বা আইপি’র শহর হিসেবে।

এজন্য, রক্ষণশীল সমাজে বিনোদনের ওপর কড়াকড়ি কমাতে চাচ্ছে সৌদি সরকার। গেলো বছর কনসার্ট, নাচের অনুষ্ঠান ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী করা হয়। এছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে চিত্তবিনোদন খাতে গৃহস্থালি ব্যয় দ্বিগুণ করারও লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছে।

তবে এসব উদ্যোগ কতোটা সফল হবে তা নিয়ে দেশটির ভেতরেই আছে সংশয়। ইতোমধ্যে সৌদি সমাজের বড় অংশ এর প্রতি বিরূপ মনোভাব দেখিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও চলছে ব্যাপক সমালোচনা।

তবে অর্থনৈতিক কাঠামো বদলের যুদ্ধে বেশ জোরেশোরেই নেমেছে সৌদি সরকার। কিন্তু চরম রক্ষণশীল এক সমাজে তা কতোটা সফল হয় তাই এখন দেখার বিষয়।

আরকে/এমকে

RTV Drama
RTVPLUS