Mir cement
logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

ইউক্রেন নিয়ে রাশিয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের

ইউক্রেন নিয়ে রাশিয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের
ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনকে সামরিক জোট ন্যাটো থেকে দূরে রাখতে রাশিয়া যে দাবি জানিয়েছিল তা প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র এমন এক সময় এই সিদ্ধান্তের কথা জানালো যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছিল।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলছেন, তারা রাশিয়াকে কূটনৈতিকপন্থায় সমস্যা সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছে। আর সেটি রাশিয়ার মেনে নেওয়া উচিত।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্যমতে, ইউক্রেন সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরেই প্রায় এক লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন করে রেখেছে রাশিয়া। যেকোনো মুহূর্তে রুশ সেনারা দেশটিতে আক্রমণ করতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। যদিও ইউক্রেনে হামলার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে বরাবরই দাবি করে আসছে রাশিয়া। তবে রাশিয়া পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তার গ্যারান্টি চায়। ইতোপূর্বে রাশিয়া পরিষ্কার করেই বলেছে যে, ইউক্রেনকে কখনোই সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দিতে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি মস্কো লিখিতভাবে চায়। এমনকি সোভিয়েত ইউনিয়নের সাবেক এই প্রদেশে ন্যাটোর সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হবে না; এমন প্রতিশ্রুতিও চায় রাশিয়া।

রাশিয়ার এমন দাবির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন ইউক্রেন ইস্যুতে কোনো ছাড় পাবে না রাশিয়া। কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় এই সংকট নিরসনের ওপরও তাগিদ দেন তিনি।

ব্লিনকেন বলেছেন, মার্কিন প্রতিক্রিয়ার মূলনীতি স্পষ্ট। এতে বলা হয়েছে ন্যাটো জোটসহ কোনো জোটের অংশ নেওয়ার অধিকারসহ ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বকে মর্যাদা দেবেন তারা।

তিনি বলেন, কূটনৈতিকতায় আমাদের গুরুত্ব দেওয়ার কোনো কমতি নেই আর আমরা একই মনোযোগ দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি- ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আমরা রুশ আগ্রাসনের মুখে দ্রুত সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া নিয়েও কাজ করছি। কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবো সেটা রাশিয়ার ওপর নির্ভর করছে। আমরা যেকোনো উপায়ের জন্য প্রস্তুত।

রাশিয়ার এক মন্ত্রী জানিয়েছেন, তারা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া খতিয়ে দেখছেন। ন্যাটো জোটের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ওই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন অ্যান্টনি ব্লিনকেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপত্যকা দখলে নেয় রাশিয়া। শুরু হয় ইউক্রেন সেনাবাহিনীর সঙ্গে মস্কো মদদপুষ্ট বিদ্রোহীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। এতে কমপক্ষে ১৪ হাজার মানুষ নিহত হন। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান অন্তত ২০ লাখ নাগরিক।

সূত্র: বিবিসি

আরএ/এসকে

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS