Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

গোপনে চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা

গোপনে চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা
গোপনে চীনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা

গোপনে একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে চীন। পারমাণবিক বোমা বহনে ও মহাকাশে আঘাত হানতে সক্ষম অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা গত আগস্ট মাসেই করেছিল দেশটি। তবে তারা অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথেই ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা করতে সক্ষম হয়। এতোদিন কার্যত বিষয়টি গোপন রেখেছিল বেইজিং।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, চীন পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা চালায় গত আগস্ট মাসে। পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করে ক্ষেপণাস্ত্রটি দ্রুতগতিতে লক্ষ্যবস্তুর দিকে এগিয়ে যায়। চীনের এই মিসাইলের মহাকাশে শক্তিশালী ক্ষমতা মার্কিন গোয়েন্দাদেরও অবাক করেছে।

নাম না প্রকাশ করে তিন ব্যক্তি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে জানায়, লক্ষ্যমাত্রার ৩২ কিলোমিটারেরও (২০ মাইল) আগে ক্ষেপণাস্ত্রটি ভূপাতিত হয় এবং লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে ব্যর্থ হয়।

তবে এর মধ্যে দু’জন বলছেন, চীন এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে দেখিয়ে দিয়েছে যে- দেশটি হাইপারসনিক অস্ত্র প্রযুক্তিতে বিস্ময়কর অগ্রগতি করেছে এবং এই ক্ষেত্রে বেইজিংয়ের অগ্রগতি মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণার চেয়েও বেশি।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি চীনের এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে তিনি বলেছেন, ‘চীনের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই কারণে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়ে আমরা উদ্বেগ জানিয়েছি। আর এই কারণেই আমাদের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জগুলোর ভেতরে চীনও একটি।’

বর্তমানে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পাশাপাশি কমপক্ষে ৫টি দেশ হাইপারসনিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। শব্দের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি গতিতে ছুটতে পারে হাইপারসনিক এসব ক্ষেপণাস্ত্র।

ডব্লিউএস/পি

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS