Mir cement
logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ৫ আষাঢ় ১৪২৮

ইস্তাম্বুলের সেই তাকসিম স্কয়ার মসজিদে এখন ভিড় আর ভিড়

ইস্তাম্বুলের সেই তাকসিম স্কয়ার মসজিদে এখন ভিড় আর ভিড়
ইস্তাম্বুলের সেই তাকসিম স্কয়ার মসজিদে এখন ভিড় আর ভিড়

কদিন আগেই তুরস্তের রাজধানী ইস্তাম্বুলের বিখ্যাত তাকসিম স্কয়ারে মনোমুগ্ধকর এক মসজিদ উদ্বোধন করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। তারপর থেকেই বদলে গেছে বিখ্যাত এই চত্ত্বরটির চিত্র।

এখন নবনির্মিত এই মসজিদ প্রাঙ্গণে জুমার নামাজে থাকে উপচে পরা ভিড়। দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরাও সেখানে যেয়ে ভিড় করছেন মসজিদ প্রাঙ্গনে। ব্যস্ততম নগরীর ক্লান্ত নাগরিকরা এখানে এসে খোলা আকাশের শ্বাস নেন।

এমনকি জুমার নামাজে অংশ নিতে মসজিদের বাইরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়েন মুসল্লিরা। তাকসিম স্কয়ারের চারদিকে দাঁড়িয়ে পড়েন মুসল্লিরা। বিপুল সংখ্যক নারীও জুমার জামাতে অংশ নেন মসজিদটিতে। ইস্তাম্বুলের নানা প্রান্তর থেকে তারা সেখানে যান।

জুমায় অংশ নেয়া সিরিয়ান নারী ফাতেমা বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই চত্বর ও পর্যটন এলাকার নতুন ইতিহাসের সূচনা দেখতে আমরা এখানে এসেছি। আমি এলাকাটি পরিদর্শন করব বলে কল্পনাও করিনি। কারণ আমাদের ধারণা ছিল, এলাকাটি বিদেশি পর্যটক ও তরুণদের জন্য। তারা এখানে রাতেরবেলা গল্প করতে আসে। শপিং করে ঘোরাঘুরি করে।

শুধুমাত্র স্থানীয়রা তাকসিম স্কয়ারে আসেন এমনটি নয়। বরং বিশাল সংখ্যক ইউরোপীয় পর্যটকও জুমার নামাজের সময় মসজিদ পরিদর্শনে এসেছেন। স্পেন থেকে আসা ম্যারি ইস্তাম্বুলের নতুন এই মসজিদ সম্পর্কে মোটেও জানতেন না। তবে খবর পেয়ে চলে আসেন তা দেখতে।

ম্যারি নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, খুবই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। সবাই নীরব হয়ে কিছু যেন শুনতে থাকে। আমি বুঝতে পারিনি। তবে দৃশ্যটা খুবই সবাইকে আকৃষ্ট করে। আমি মসজিদের জমায়েত শেষ হওয়ার অপেক্ষায়। এরপর ভেতরে ঢুকে স্মৃতিচারণমূলক কিছু ছবি তুলব। ইস্তাম্বুলের অন্যান্য মসজিদের মতোই এ মসজিদটিও খুবই সুন্দর।

ইস্তাম্বুলে তিন বছর ধরে বাস করেন মৌরতানিয়ান তরুণ উসমান। জুমায় অংশ নিতে এসে উসমান বলেন, আমি অনেক দূর থেকে এসেছি। আজকের দিনে এটি ঐতিহাসিক ঘটনা। মসজিদটি আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ইস্তাম্বুলের অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী মসজিদের মতো পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হবে।

অনেক আগে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান তাকসিম স্কয়ারে মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা করেন। সর্বপ্রথম ১৯৫০ সালে এখানে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ধর্মনিরপেক্ষতা দোহাই দিয়ে বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা থেমে থাকে। অবশেষে ২০১৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারিতে নির্মাণকাজ শুরু হয়ে চার বছরে তা শেষ হয়। সূত্র : আল জাজিরা

টিএস

RTV Drama
RTVPLUS