ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

গা\'জার রাজপথে অত্যাধুনিক সমরা\'স্ত্র নিয়ে সামরিক মহড়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২১, ১০:৩৮ এএম
আপডেট : ২৪ মে ২০২১, ১১:২৫ এএম
সংগৃহীত ছবি

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ১১ দিন ধরে তাণ্ডব চালিয়ে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দখলদার ইহুদিবাদি ইসরায়েল। ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের তীব্র প্রতিরোধের মুখে ইহুদিবাদি সন্ত্রাসীবাহিনী একপ্রকার বাধ্য হয়েই সম্মত হয় যুদ্ধবিরতিতে।

প্রায় দুই সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর বিজয় দাবি করে ইসরায়েল-হামাস দু’পক্ষই। এবার বিজয় উদযাপন করতে সামরিক মহড়া চালিয়েছে হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন কাসসাম ব্রিগেডস।

ইরানের আরবি স্যাটেলাইট নিউজ চ্যানেল আল-আলম এ খবর জানিয়ে বলেছে, ইজ্জাদ্দিন কাসসাম ব্রিগেডের শত শত যোদ্ধা অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গাজা শহরের রাজপথে প্রকাশ্যে মহড়া দিয়েছেন। মহড়া থেকে সাম্প্রতিক যুদ্ধে নিহত ব্রিগেডসের অন্যতম কমান্ডার বাসিম ঈসার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়।

হামাসের অন্যতম নেতা ইসমাইল রেদওয়ান মহড়ার অবকাশে দেয়া বক্তব্যে বলেছেন, আমরা আজ প্রতিরোধের পূণ্যভূমি গাজার মাটিতে বসে দখলদার শক্তির বিরুদ্ধে বিজয়ের উৎসব করছি।

তিনি আরও বলেন, ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে মোকাবিলা করার জন্য ইজ্জাদ্দিন কাসসাম ব্রিগেডস তার সামরিক সক্ষমতা শক্তিশালী করার কাজ চালিয়ে যাবে।

হামাসের এই নেতা বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধ প্রমাণ করেছে, বায়তুল মুকাদ্দাস আরব ও ইসলামি পরিচয় নিয়ে বেঁচে থাকবে এবং এটি হবে ফিলিস্তিনের চিরকালীন রাজধানী।

গত ১০ মে গাজা উপত্যকার উপর ইহুদিবাদী ইসরাইলের ভয়াবহ বিমান হামলা শুরু হয়। ২১ মে পর্যন্ত চলা এ আগ্রাসনে ৬৯ শিশু ও ৩৯ নারীসহ ২৪৮ ফিলিস্তিনি শহীদ হন। আহত হন আরো ১৯১০ ফিলিস্তিনি।

পক্ষান্তরে ইসরাইলি আগ্রাসনের মোকাবিলায় দখলীকৃত ভূখণ্ডে চার হাজারের বেশি রকেট নিক্ষেপ করে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলো যাতে অন্তত ১৪ ইহুদিবাদী নিহত হয়। শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধের মধ্যে ২১ মে মিশরের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হয় ইহুদিবাদী ইসরায়েল। সূত্র : পার্সটুডে

টিএস

আরটিভি’র সর্বশেষ নিউজ পেতে ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন...

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোয় ভয়াবহ দাবানল
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অন্তত ৩০ হাজার বাসিন্দাকে। দাবানলে রাজ্যটির শত শত ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই অঞ্চলটিতে এ বছর তীব্র খরা দেখা দেওয়ায় ভয়াবহ এ দাবানলের সৃষ্টি হয়েছে। অঞ্চলটিতে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। কলোরাডোর রাজধানী ডেনভারের উত্তরে বোল্ডার কাউন্টিতে দ্রুত দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে। সেখানে ঘণ্টায় ১০৫ মাইল গতিবেগে বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে দাবানল খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে।  কলোরাডোর মেয়র জানান, ভয়াবহ আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। প্রায় ১৬০ কিলোমিটারজুড়ে লাগা আগুন নেভাতে কাজ করছেন কয়েকশ’ দমকলকর্মী। দাবানলে অঞ্চলটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।  কলোরাডোর আগের দাবানলগুলো গ্রাম্য এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল। তবে এ বছর দাবানলটি শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।  এনএইচ/টিআই   
যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোয় ভয়াবহ দাবানল
সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না পাওয়ায় তরুণীর ‘আত্মহত্যা’ 
সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না পাওয়ায় ২৬ বছর বয়সী এক তরুণী আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি পরিবারের। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ভারতের মুর্শিদাবাদের কান্দিতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেন শিল্পী ঘোষ নামের ওই তরুণী।  স্থানীয়রা জানান, বিয়ের জন্য তার একটিই ‘শর্ত’ ছিল—পাত্রকে সরকারি চাকরিজীবী হতে হবে! দীর্ঘদিন খোঁজ করেও তার জন্য এমন কোনো পাত্র পাওয়া যায়নি। ‘শর্তপূরণ’ না হওয়ায় কোনো পাত্রকেই মনে ধরছিল না তার। মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কান্দির খড়গ্রামের গুরুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা শিল্পী ঘোষের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। তারাই খড়গ্রাম থানায় খবর দেন। পুলিশ কর্মকর্তারা গলায় গামছার ফাঁসে শিল্পীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে শিল্পীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কান্দি হাসপাতালের মর্গে শিল্পীর দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিল্পী আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছে তার পরিবার। এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে খড়গ্রাম থানা। তরুণীর মৃত্যুতে হতবাক শিল্পীর চাচা সঞ্জীব মণ্ডল। তিনি বলেন, স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করার পর থেকেই শিল্পীর জন্য পাত্রের খোঁজ করা হচ্ছিল। তবে জমি-জায়গা, টাকাপয়সা রয়েছে, এমন পাত্রদের দেখাশোনা করা হলেও সরকারি চাকরিজীবী পাত্র ছাড়া বিয়েতে রাজি হয়নি শিল্পী।’  এই ঘটনার কথা শোকাহত শিল্পীর গ্রামের বাসিন্দা চন্দন ঘোষও। তার দাবি, কোনো প্রেমঘটিত সম্পর্ক ছিল না শিল্পীর। চন্দন বলেন, ‘শিল্পী আমার বোনের মতো ছিল। গ্রামের সকলে ওকে একডাকে ভালো মেয়ে বলে চেনে। ওর বিরুদ্ধে গ্রামের কারও কোনও অনুযোগ পর্যন্ত নেই। অনেক দিন ধরে পরপর বিয়ের জন্য দেখাশোনা চললেও সরকারি পাত্র ছাড়া বিয়ে করতে রাজি হয়নি শিল্পী। হয়তো সে জন্য ওর মানসিক চাপ বাড়ছিল। হয়তো চেয়েছিল, বিয়ের পর ভালোভাবে থাকবে। তবে কপালে না থাকলে যা হয়।’ সূত্র: আনন্দবাজার এনএইচ/টিআই
সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না পাওয়ায় তরুণীর ‘আত্মহত্যা’ 
বিমানের টয়লেটে কোয়ারেন্টাইনে নারী 
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো থেকে বিমানে করে আইসল্যান্ডের রাজধানী রেইক্যাভিকে যাচ্ছিলেন নারী। করোনার বিধিনিষেধ মেনে আগেই যাত্রীদের নমুনা সংগ্রহ করা হয় পরীক্ষার জন্য। তাতে সবার রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু মাঝ আকাশে এক নারী অসুস্থ হয়ে পড়ায় ফের তার পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষার ফল বেরোতে জানা যায় তিনি করোনা আক্রান্ত। অতঃপর দ্রুত তাকে বিমানের টয়লেটে সাময়িক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়।  মারিসা ফোটিও নামে ওই নারী সুইজারল্যান্ডে তার বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন। রেইক্যাভিক থেকে বার্নেগামী বিমানে উঠার কথা ছিল তার। মারিসা বলেন, তার দু’টি কোভিড-১৯ টিকা নেওয়া হয়ে গেছে। বিমানযাত্রার জন্য গত এক সপ্তাহে দু’বার আরটি-পিসিআর এবং পাঁচ বার ‘র‌্যাট’ পরীক্ষা করিয়েছিলেন। প্রতিবারই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। পেশায় স্কুলশিক্ষিকা মারিসা জানান, বিমান ওড়ার ঘণ্টা দেড়েক পর থেকে তার গলায় যন্ত্রণা শুরু হয়। মাথাও ঘুরতে থাকে। এরপর ফের তার নমুনা পরীক্ষা হয় এবং রিপোর্ট পজিটিভ আসে।  তিনি বলেন, ‘নিজের পাশাপাশি আমি সহযাত্রীদের নিয়েও চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু ফ্লাইট অ্যাটেন্ড্যান্টরা আমাকে আশ্বস্ত করেন।’  মারিসা জানান, প্রথমে বিমানের মধ্যেই তাকে অন্য যাত্রীদের থেকে দূরে বসানোর চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু সব আসন পূর্ণ থাকায় তা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত আমি অন্য যাত্রীদের থেকে দূরে থাকার জন্য শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলি। পরবর্তীতে সেখানেই কাটান মারিসা। অভিনব কোয়ারেন্টাইনে সেলফি তুলে পোস্টও করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সূত্র: গার্ডিয়ান, আনন্দবাজার এনএইচ   
বিমানের টয়লেটে কোয়ারেন্টাইনে নারী 
নাচ-গান, আতশবাজিতে বর্ষবরণে প্রস্তুত সৌদিরা
করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ঠেকাতে সৌদি সরকারের নতুন করে সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া সত্ত্বেও দেশটির নাগরিকরা নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে মুখিয়ে আছেন।  যদিও কিছু অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে, রিয়াদের বুলেভার্ডে তিন রাতের সংগীত উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ৩১ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবদুতে ১৩ জন প্রসিদ্ধ আরব শিল্পী সংগীত পরিবেশন করবেন।  রিয়াদের ব্যস্ত এলাকা বুলভার্ডে নববর্ষ উপলক্ষে আতশবাজি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। শহরের অন্যান্য এলাকায়ও একই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় পরিবার ও বন্ধু নিয়ে ২০২২ সালের প্রথম প্রহর উদযাপন করা যাবে। তবে নতুন করে সামাজিক দূরত্ব মানার বিধিনিষেধ আরোপ করায় এক টেবিলে পাঁচজনের বেশি মানুষ বসে খেতে পারবেন না।  রিয়াদের বাসিন্দা ৩০ বছর বয়সী তরুণী আকিল বলেন, তিনি এবং তার বন্ধুরা নববর্ষ উদযাপনের একটি বিশেষ পদ্ধতি আছে। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর আমরা একটি গাড়িতে ঘুরতে বের হই। তারপর কিছু খাবার ও পানীয় কিনি এবং রিয়াদের একটি জায়গায় গিয়ে বসি এবং রাতটি উপভোগ করি।’ ‘এ বছরও আমরা একই ধরনের কিছুই করব। রিয়াদের বুলভার্ডের আশেপাশের একটি চমৎকার জায়গায় গিয়ে বসব এবং জনসমাগম থেকে একটু দূরে থেকে আতশবাজি উপভোগ করব’, যোগ করেন আকিল। এদিকে, জেদ্দায় বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় খাবারের পাশাপাশি সরাসরি সংগীতানুষ্ঠান উপভোগ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া মরুভূমিতে ভ্রমণের জন্য বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ট্র্যাভেল এজেন্সিগুলো।  এনএইচ/টিআই
নাচ-গান, আতশবাজিতে বর্ষবরণে প্রস্তুত সৌদিরা
পাকিস্তানে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৪
পাকিস্তানে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে ৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।  বৃহষ্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটার মধ্যাঞ্চলের একটি কলেজের বাইরে এ ঘটনা ঘটে।  আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য মতে, রাজধানী কোয়েটায় বিজ্ঞান কলেজের বাইরে যখন এ বিস্ফোরণে ঘটে তখন কলেজের শীতকালীন ছুটি চলছিলো। তাৎক্ষণিক ​কেউ বোমা হামলার দায় স্বীকার করেনি। উল্লেখ্য, বিচ্ছিন্নতাবাদি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি অথবা পাকিস্তানি তালিবান যারা তেহরিকে তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) নামে পরিচিত, তারা প্রায় এ ধরণের সহিংসতার ঘটায়। সূত্র: ডন আরএ/
পাকিস্তানে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৪