Mir cement
logo
  • ঢাকা শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ২৫ বৈশাখ ১৪২৮

যে কারণে বড় নির্বাচনী সমাবেশ করবে না সিপিআইএম  

মহম্মদ সেলিম

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বড় সমাবেশ করার হিড়িক পড়েছে। কিন্তু কোভিড-১৯ পরিস্থিতি লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে যাওয়া লোক জমায়েতের রাজনীতি থেকে সরে গেলো এক সময়ের পশ্চিমবঙ্গের ৩৪ বছর ক্ষমাতায় থাকা দল সিপিআইএম।

এই পরিস্থিতিতে 'সময়োচিত' সিদ্ধান্ত নিলো বামফ্রন্ট। বাকি ৩টি দফার ভোটে বড় সভা-সমাবেশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলটি। সিপিএমের পলিটব্যুরোর সদস্য মহম্মদ সেলিম ঘোষণা করলেন, ছোট ছোট সভা হবে। বিকল্প উপায়ে চলবে প্রচার।

মহম্মদ সেলিম বলেন, আমরা নিজের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, চার দফায় ভোট হয়েছে, পঞ্চম দফার প্রচার শেষলগ্নে, যথা সম্ভব বড় ভিড়, হইচই পাকানো হবে না। বৃহৎ প্রচারে না গিয়ে মানুষকে সচেতন করব। ভোট হয়েছে, বা ভোট হয়নি, এমন জায়গাগুলোতে গেলো ১ বছর ধরে যা করে এসেছি, আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানুষের হক নিয়ে লড়াই করব। রেশন ও খাদ্য পৌঁছে দেয়া হবে।

সিপিআইএম-এর এই নেতা আরও বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চলবে। সৃজনশীল কাজকর্ম ও উদ্ভাবনী শক্তিকে ব্যবহার করে জনসংযোগ চলবে। পাড়ায়, উঠোনে ও বুথে ছোট ছোট সভা হবে। এমনিতেই বিজেপি ও তৃণমূলের জমায়েত হচ্ছে না। আজকেও তৃণমূলের ফাঁকা মাঠ দেখলাম। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মিটিংয়েও ভিড় হচ্ছে না। আমাদের বিশাল বিশাল জমায়েত হচ্ছে ছোট ছোট মিটিংয়েও। আমাদের সভায় শারীরিক দূরত্ব যাতে বজায় থাকে তার ব্যবস্থা করা হবে। মাস্ক ও স্যানিটাইজার পর্যাপ্ত রাখা হবে।

এদিকে বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতেও রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে প্রচুর লোক হচ্ছে। হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলাও। ওই মামলায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ভিড় রুখতে জেলাশাসক ও কমিশনকেই দায়িত্ব নিতে হবে। প্রয়োজনে ১৪৪ ধারা ব্যবহার করা যেতে পারে।

উল্লেখ্য, সিপিআইএম-কংগ্রেস-আইএসএফ মিলে সংযুক্ত মোর্চার জোটে সমাবেশে জনসমুদ্র দেখা গেছে। লড়াইয়ে তারা কারো চেয়ে পিছিয়ে নেই সেই আভাস শুরু থেকেই দিয়ে আসছেন নেতারা।

এম

RTV Drama
RTVPLUS