logo
  • ঢাকা বুধবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৭

ট্রাম্পকে টুইটারের স্থায়ী বহিস্কার, সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্ট্যাটাস

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। 

শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) টুইটার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আরও বেশি সহিংসতার উস্কানি দেয়ার ‘আশঙ্কা’ থেকে এমন ব্যবস্থা নিয়েছেন তারা।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লাখ ফলোয়ার ছিল। বুধবার ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটাল ভবনে ট্রাম্প সমর্থক উগ্র শ্বেতাঙ্গ দাঙ্গাবাজদের নজিরবিহীন হামলার ঘটনার পর ১২ ঘণ্টার জন্য ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়। বিশ্বের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে ওই সকল দাঙ্গাবাজদের উদ্দেশে ট্রাম্পের উস্কানিমূলক বক্তব্যের পর ক্যাপিটাল ভবনে হামলা চালায় তারা এবং এ ঘটনায় একজন নারী ও এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ পাঁচজন নিহত হন।

টুইটার কর্তৃপক্ষ এক টুইটে বলছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা সাম্প্রতিক পোস্টগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের পর স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে তার অ্যাকাউন্টটি। ফের দাঙ্গায় উস্কানি দেয়া হতে পারে এমন আশঙ্কায় এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই টুইটে।

প্রসঙ্গত, বুধবার (৬ জানুয়ারি) ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল ভবনে মার্কিন সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদের যৌথ অধিবেশন বসে। সেখানে সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিজয় নিশ্চিত করার জন্য ইলেক্টরাল ভোটের আনুষ্ঠানিক গণনা করা হয়। ঠিক সেই সময় ট্রাম্প সমর্থকরা মার্কিন কংগ্রেসে হামলা চালায়। এছাড়াও ট্রাম্প সমর্থকরা সেই সময় ক্যাপিটল ভবনে অনেক ভাংচুর এবং লুটপাট করে। আর এ ঘটনাকে সমর্থন জানিয়ে ট্রাম্প নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার ও ফেসবুকে পোস্ট দেন। পোস্টে দাঙ্গাকারীদের ‘দেশপ্রেমিক’ বলে অভিহিত করেন তিনি।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় আজ শনিবার তাঁর ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে এক স্ট্যাটাসে বলেন, মিথ্যা ছড়ানোর কারণে সহিংসতার পর মার্কিন প্রেসিডেন্টসহ আরও কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে টুইটার ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এটাই যুক্তরাষ্ট্রে বাকস্বাধীনতার সীমাবদ্ধতা।

আমাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে যারা অভিযোগ করেন তাদের বলছি, যুক্তরাষ্ট্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোই সরকারের ‍উপর খবরদারি করে। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা বিশ্বাস করি যে বেসরকারি সংস্থা নয় বরং আদালতের এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।

সবারই বাকস্বাধীনতার অধিকার আছে, কিন্তু যখন মিথ্যা ছড়িয়ে আপনি অন্যকে আঘাত করেন তখনই সেই স্বাধীনতার সমাপ্তি ঘটে। কারোরই অন্য কাউকে আঘাত করার অধিকার নেই।

আমি চাই ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস এবং অন্যান্য পশ্চিমা দূতাবাস এই বিষয়টি মনে রাখুক। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বাকস্বাধীনতার বিষয়ে আমরা আপনার কাছ থেকে ভণ্ডামিপূর্ণ বক্তব্য শুনতে চাই না।

এসআর/এ/এসএস

RTV Drama
RTVPLUS