logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ২ মাঘ ১৪২৭

করোনাকালে কেন নাক নিয়ে পড়ে আছেন কোরিয়ানরা?

ছবি সংগৃহীত।
বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস ভালোভাবেই সামাল দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়া। তারা মনে করেন আর বেশিদিন হয়তো মাস্ক পরতে হবে না। কারণ করোনা বিদায় নেবে অচিরেই।

তাইতো প্রস্তুতি হিসেবে চেহারা সুন্দর করতে কসমেটিক সার্জারি করা শুরু করে দিয়েছেন দেশটির অনেকেই৷ খবর ডয়চে ভেলের।

২০ বছর বয়সী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রিউ হান-না গেলো ডিসেম্বরের মাঝামাঝি নাকে কসমেটিক সার্জারি করিয়েছেন৷ তার মনে হচ্ছিল, যদি তখনোই না করেন, তাহলে হয়তো আর সুযোগ পাবেন না৷ কারণ, এরপর মাস্ক খুলে ফেলার সময় হয়ে যাবে৷

তিনি জানান,  নাকের কাজটা আমি সবসময়ই করিয়ে ফেলতে চাইছিলাম৷ এবার ভাবলাম ২০২১ সালে ভ্যাকসিন চলে এলে তো সবাই মাস্ক খুলে ফেলবেন, তাই তার আগেই করালাম। এজন্য তার প্রায় চার হাজার মার্কিন ডলার বা সোয়া ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে৷

বিশ্বের কসমেটিক সার্জারির রাজধানী হিসেবে পরিচিত দেশটি ২০২০ সালে ১০.৭ বিলিয়ন ডলার (প্রায় সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা) আয় করেছে এ খাত থেকে, যা আগের বছরের তুলনায় ৯.২% ভাগ বেশি৷ ২০২১ সালে তা ১১.৮ বিলিয়ন ডলার (প্রায় সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকা) ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে কসমেটিক সার্জারি প্লাটফর্ম গ্যাংনাম উননি৷

একটি প্লাস্টিক সার্জারি ক্লিনিকের সার্জন পার্ক চিওল-উ বলেন, শরীরের বাইরের অঙ্গ সম্পর্কে, বিশেষ করে চোখ, ভ্রু, নাক ও কপালে সার্জারি বা সাধারণ চিকিৎসা সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।

শিন শ্যাং-হো নামের আরেক সার্জন বলেন, অনেকে করোনার সময় যে প্রণোদনার টাকা পেয়েছেন তা এসব সার্জারিতে ব্যয় করছেন৷

গ্যাংনাম উনির ভাষ্য, গেলো বছর তাদের সেবা ব্যবহারকারীর সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে ৬৩% বেড়েছে৷ প্রায় ১০ লাখ লোক শুধু কাউন্সেলিং সেবাই নিয়েছেন, যা আগের বছরের দ্বিগুণ৷

এম

RTV Drama
RTVPLUS