হাথরসে তরুণীর ধর্ষণই হয়নি: উত্তরপ্রদেশ সরকার

প্রকাশ | ০৬ অক্টোবর ২০২০, ১৬:১৮ | আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২০, ১৬:২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ
সংগৃহীত

হাথরসে তরুণীর ধর্ষণই হয়নি। শুধু রাজ্য সরকারে বদনাম করতে ও সহিংসতা ছড়াতেই ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার। সিবিআই নয়, বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে।

মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি শেষে নির্যাতিতার পরিবার ও এই ঘটনার সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নির্দেশ দেন বিচারপতিরা। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী সপ্তাহে।

১৪ সেপ্টম্বর হাথরসের গ্রামে এক দলিত তরুণীকে ধর্ষণ করে চারজন। দুই সপ্তাহ লড়াইয়ের পর মৃত্যু হয় তার। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে জোর করে দেহ দাহ করার অভিযোগ ওঠে।

আদালতে করা হলফনামায় সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে যোগী সরকার। তাদের দাবি, অশান্তি এড়াতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছিল পুলিশ।

হলফনামায় বলা হয়েছে, গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছিল সকালে শেষকৃত্য করলে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হতো। অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করতো। আইনশৃঙ্খলার কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়। এ ঘটনায় সফদরজং হাসপাতালের সামনের আন্দোলনের কথাও উল্লেখ করে যোগী সরকার।

যোগী সরকারের দাবি, রাজ্য সরকারের বদনাম করতেই এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। হাথরসের তরুণীর ধর্ষণই হয়নি তা প্রমাণ করতে উত্তরপ্রদেশে প্রশাসন জেজে হাসপাতাল ও ফরেনসিক রিপোর্টকে হাতিয়ার করেছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, মেয়েটির ধর্ষণ হয়নি। তার দেহে পেনিট্রেশনের চিহ্ন বা বীর্যের উপস্থিতি মেলেনি।

এদিনও আদালতে হাথরসের ঘটনার সিবিআই তদন্তের পক্ষে দাবি করে উত্তরপ্রদেশ সরকার। যদিও মামলাকারী ও বিরোধীরা সিবিআই নয়, বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

মামলাকারীদের দাবি, উত্তরপ্রদেশের বদলে দিল্লির আদালতে মামলার শুনানি হোক। এ বিষয় এদিন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি শীর্ষ আদালত। বরং হাথরসের নির্য়াতিতার পরিবার, সাক্ষীদের নিরাপত্তার উপযুক্ত ব্যবস্থা করতে যোগী সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে।