গ্রিসে এবার বাকি শরণার্থী শিবিরগুলো পুড়ে গেল

প্রকাশ | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩:২৭ | আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫:১২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ
গ্রিসের শরণার্থী শিবিরে নতুন করে আগুন লেগেছে ।। ছবি: সংগৃহীত

গ্রিসের শরণার্থী শিবিরে নতুন করে আগুন লেগেছে। ছাই হয়ে গেছে আরও কয়েকটি শিবির। সমালোচকদের মতে, ইইউ-র শরণার্থী নীতি বদল করা উচিত।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে নতুন করে আগুন লাগে গ্রিসের শরণার্থী শিবিরে। মঙ্গলবার রাতের আগুনে অনেকগুলি শিবির পুড়ে গেছিল। উদ্বাস্তুরা পালিয়েছিলেন। এবার বাকি শিবিরগুলিও পুড়ে গেল।

আগুন লাগার কারণ খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্থানীয় মিডিয়ার রিপোর্ট ছিল, শরণার্থীরাই শিবিরে আগুন লাগিয়েছেন। কারণ, লকডাউনের কড়াকড়ি নিয়ে তারা অত্যন্ত অখুশি ছিলেন। একজন শরণার্থীর করোনা হওয়ার পর এই শিবিরগুলিতে কঠোরভাবে লকডাউন চালু করা হয়েছিল। আগুন লাগার পর সরকার যে তদন্ত শুরু করেছে, তাতে শরণার্থীরাও সন্দেহের বাইরে থাকছেন না। তারাই আগুন লাগিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গ্রিসের অভিবাসন মন্ত্রীও আগুন লাগানোর তত্ত্বে বিশ্বাসী। তিনি বলেছেন, আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে এ কথা মানতেই হয় যে, শরণার্থীদের কোয়ারেন্টিন করার পরই আগুন লাগল। তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার যে বেআইনি কাজ হয়েছে, তা বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের শাস্তি দেয়া হবে। যারা আশ্রয়প্রার্থী, তাদের আইনশৃঙ্খলা মেনে চলতেই হবে।

তবে সমালোচকরা গ্রিক কর্তৃপক্ষ ও ইইউ-র কড়া সমালোচনা করেছেন। তারা বলেছেন, শরণার্থীদের শিবিরগুলিতে ঠাসাঠাসি করে রাখা হয়েছিল। আগুন লাগার সময় শিবিরগুলিতে ১২ হাজার উদ্বাস্তু ছিলেন। অথচ থাকার কথা তিন হাজারের মতো।

জার্মানির গ্রিন পার্টির নেতা এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য এরিক মারকোয়ার্ট ডিডাব্লিউকে বলেছেন, ‘এই আগুন হলো ইউরোপের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের প্রতীক। ২০১৫ সালে শরণার্থী সংকটের ঠিকভাবে মোকাবিলা করা হয়নি। এই ধরনের ঘটনা যে কোনও সময় আবার অন্য শিবিরে হতে পারে।'' তার প্রশ্ন, ''আর কী হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা ব্যবস্থা নেবেন?'' সূত্র ডয়চে ভেলে

এনএম/এসএস