logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২০, ৪ মাঘ ১৪২৭

একই ঘরে দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:৫৫ | আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৭:১৮
সাইফুল ইসলাম মাননু
সাইফুল ইসলাম মাননু। বদলে যেতে নয়, বদলে দিতেই যার আর্বিভাব হয়েছিল মিডিয়ায়। তার নির্মাণে দর্শকরা প্রতিনিয়ত খুঁজে পেয়েছে নতুনত্বের স্বাদ। সময়ের সাথে সাথে গল্পের ধরন আর নির্মাণ কৌশল বদলে তিনি নিজের স্বাতন্ত্র জানান দিয়েছেন বার বার। 

সম্প্রতি তার পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘পুত্র’  ২০১৮ সালের সেরা চলচ্চিত্রের পাশাপাশি সর্বোচ্চ শাখা অর্থাৎ মোট ১১টি শাখায় জিতে নিয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। পুরস্কৃত হয়েছেন নিজেও। শুধু তিনি নন তার সহধর্মিণী সাদিয়া শবনম শান্তু শ্রেষ্ঠ পোশাক পরিকল্পনা বিভাগে এ সিনেমার জন্য জিতেছেন পুরস্কার। একই ঘরে দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শোভা পাচ্ছে তার। 

কেমন লাগছে জানতে চাইলে এই নির্মাতা বলেন, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি রাষ্ট্রের প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল করে তোলে। শুধু নিজের জীবিকার জন্য নয় বরং রাষ্ট্রের কল্যাণে শিল্পের প্রয়োগ এর জন্য দায়বদ্ধ হয়ে গেলাম। আর আমার স্ত্রী সাদিয়া শবনম শান্তুর অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি, সব মিলিয়ে অনেক খুশি আমি। 

মাননুর সহধর্মিণী সাদিয়া শবনম শান্তু বলেন, সত্যিই এটা আমার জন্য বিশেষ প্রাপ্তি। আমার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এতদিন দর্শকের প্রশংসা পেলেও এবার রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পেয়ে আরও বেশি ভালো লাগছে। সাইফুল ইসলাম মাননুর পরিচালনায় অসংখ্য নাটকে সেট, আর্ট ও পোশাক পরিকল্পনা বিভাগে নান্দনিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন শান্তু। 

সাইফুল ইসলাম মাননুর ‘পুত্র’ চলচ্চিত্রের মূল ভূমিকায় একটি শিশু শিল্পীর অভিনয়কে তিনি যে মাত্রায় নিয়ে গেছেন, তাতে করে আর আলাদাভাবে তার দক্ষতা নিয়ে আলোচনা করবার অবকাশ থাকে না। শুধু এই শিশু শিল্পীই নয়, বরং আজকের অনেক সুপ্রতিষ্ঠত অভিনেতা অভিনেত্রী যাদের অনেকেরই শুরু এবং খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছাতে রয়েছে সাইফুল ইসলাম মাননুর বিশেষ ভূমিকা। 

‘পুত্র’ নির্মাণের পর পরই তিনি চলে যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেলেন কেন এর জবাবে তিনি বলেন, শিল্পাঙ্গন ছেড়ে যাইনি বরং শিল্পের বিশ্ব বাজারে হাঁটার চেষ্টা করছি। নতুন কিছু শেখার ও জানার চেষ্টা করছি। ওখানের একটি ইউনিভার্সিটিতে কমিউনিকেশন ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্ট্যাডিজে পড়াশুনা করছি। কারণ শিক্ষা আর বাস্তবিক জ্ঞানের সমন্বয়ে শিল্প নতুন একটা মাত্রা পায়। তার চেয়েও বড় বিষয় হচ্ছে কমিউনিকেশন। আপনি আপনার শিল্পকে বিশ্ব বাজারে উপস্থাপন করতে চান অথচ কারও সাথেই আপনার যোগাযোগ নেই, সঠিক উপায় জানা নেই, তাহলে কী করে হবে? 

তিনি আরও বলেন, টিচারদের কথা বাদই দিলাম, আমার দুইজন ক্লাসমেট খুব ভালো বন্ধু নাথান গ্যাগেন এবং শেথ হ্যারিংটন ওরা এবার অ্যামি অ্যাওয়ার্ড পেল। এখনতো আমার জন্য স্বপ্ন দেখাটা অনেক সহজ হয়ে গেল। আমার ডিপার্টমেন্ট এর চেয়ারম্যান টম গ্যারেট আমাকে সরাসরি গাইড করছেন। ওনার মতো একজন মানুষ যিনি এখানের প্রডিউসারও বটে; তার গাইডেন্স আমার জন্য আশীর্বাদ।

নতুন কাজের পরিকল্পনা নিয়ে বলেন, তিন বন্ধু মিলে কিছু গল্প রেডি করছি। এর নাম ‘বাসর রাত’। আসছে ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে এসে শুটিং করার ইচ্ছে রয়েছে।

এম /পি

 

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • বিনোদন এর সর্বশেষ
  • বিনোদন এর পাঠক প্রিয়