ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢালিউডে যত ‘টাকা’র সিনেমা

এ এইচ মুরাদ

প্রকাশ : ০৬ জানুয়ারি ২০১৭, ০৬:৫৯ পিএম

বলা হয়ে থাকে, টাকা অর্থাৎ অর্থই অনর্থের মূল। কিন্তু সব ক্ষেত্রেই এটি সত্য কি? অন্তত ‘টাকা’যুক্ত নামের ঢাকাই যতো চলচ্চিত্রের ব্যবসা সাফল্য বলছে ভিন্ন কথা।

বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেও কোনো কোনো ছবির ধরা খাওয়ার বাস্তবতা যেমন আছে। তেমনি আবার অর্থকে উপজিব্য করে বানানো ছবির অর্থ উপার্জনের উদাহরণ কৌতূহলোদ্দীপক নিশ্চয়ই।

একটি সুন্দর নাম যেকোনো শিল্পকর্মের মান বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। ঢাকাই চলচ্চিত্রের অনেক নাম নিয়েই আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। পরিচালক তার গল্পের সঙ্গে মিল রেখে সিনেমার নাম দেবেন, সেটাই স্বাভাবিক। এদেশের দর্শকদের নাম নিয়ে বিশেষ কৌতূহল না থাকলেও সুন্দর একটি নাম যে কোনো দর্শককেই আকৃষ্ট করে, এটি বলার অপেক্ষা রাখেনা। তারা ভালো গল্পের সিনেমা পেলে তা সবসময়ই লুফে নেন।

দেশীয় সিনেমায় 'টাকা' কথাটি নিয়ে অনেক চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে। বেশিরভাগ পেয়েছে দর্শকপ্রিয়তা। টাকার সিনেমা মানেই যেন হিট, সুপার হিট। টাকা নিয়ে তৈরি সেসব সিনেমার কয়েকটি তথ্য তুলে ধরা যাক।

টাকা আনা পাই

১৯৭০ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি। বিখ্যাত লেখক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের লেখায় চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন বাবুল চৌধুরী। সঙ্গীতে পরিচালনায় ছিলেন আলতাফ মাহমুদ। অভাবের সংসারে মোক্তার ছেলে। কোনো এক ঘটনায় বিয়ে করেন শহরের বিত্তশালী আহ্লাদী মেয়েকে। নানান টানাপোড়েন শেষে শুভ পরিণয়। ছবিতে রাজ্জাক ও ববিতার রসায়ন ছিল দেখার মতো। যদিও অনেক রাগী মেয়ের ভূমিকায় দেখা গেছে ববিতাকে। তবে ছবিটি দেখার সময় ববিতার প্রেমে পড়েননি এমন কথা কেউ কী বুকে হাত রেখে বলতে পারবেন? যারা ছবিটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক, ববিতা, গোলাম মোস্তফা, বেবী জামান, শওকত আকবর।

টাকার পাহাড়

মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত 'টাকার পাহাড়' ১৯৯৩ সালে মুক্তি পায়। এখনকার জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের এটি প্রথম সিনেমা। নায়ক হিসেবে অভিষেক ঘটলেও ডিপজল পরবর্তীতে খল-অভিনেতা হিসেবে তুমুল জনপ্রিয়তা পান।

দেন মোহর

'শুধু একবার শুধু একবার শুধু একবার বলো ভালবাসি' জনপ্রিয় গানটি দেন মোহর সিনেমার। খালিদ হাসান মিলু, সাবিনা ইয়াসমিনের গানটিতে ঠোঁট মিলিয়েছিলেন সিনেমার নায়ক-নায়িকা সালমান শাহ্‌ ও মৌসুমী। দু'পরিবারের দ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও তাদের ভালোবাসার আকুলতা মেনে নেন পরিবার। কিন্তু বাঁধ সাধে ওই টাকাই। বিয়ের আসরে মেয়েপক্ষ ৫০ লাখ টাকা ও একশ’ একর জমি দাবি করে নায়কের পরিবারের কাছে। নায়কের পরিবার সেটি মেনে নিয়ে বিয়েতে সম্মতি দেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই শুরু হয় হৃদয় বিদারক ঘটনার। নব্বইয়ের দশকে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি পরিচালনা করেন শফী বিক্রমপুরী।

কোটি টাকার কাবিন

সিনেমার নামই বলে দেয় কাবিনের দেন দরবার নিয়ে কাহিনি। সিনেমাতে শাকিব-অপুর বিয়ের কাবিন নিয়ে কাহিনি টানটান রূপ নেয়। ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি ব্যবসা সফল হয়। এফ আই মানিক পরিচালিত সিনেমাতে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, অপু বিশ্বাস, রাজ্জাক।

এক টাকার বউ

সিনেমাটির 'মন দিলাম প্রাণ দিলাম আর কী দেবো রে' গানটি ছিল মানুষের মুখে মুখে। গানের জনপ্রিয়তার সঙ্গে ছবিটিও ব্যবসা করে। ত্রিমুখী প্রেমের ছবিতে অভিনয় করেন শাকিব খান, শাবনূর ও রোমানা। পি এ কাজল পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পায় ২০০৮ সালে।

একশো কোটি টাকা

মোহাম্মদ হোসেন জেমী পরিচালিত এ ছবিতে অভিনয় করেছেন শাকিল খান, আলেকজেন্ডার বো। দেশের সিনেমার অশ্লীল সময়ে ছবিটি তৈরি হয়। বেশ কয়েকটি উত্তেজক দৃশ্যেও ছিল এতে।

কোটি টাকার ফকির

এটি ছিল চলচ্চিত্রে সুস্থ ধারায় ফেরার ছবি। সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার নায়করাজ রাজ্জাক, সম্রাট এবং বাপ্পারাজ পরিবারের তিন সদস্য এক সঙ্গে কোনো কমেডি সিনেমায় অভিনয় করছেন। কমেডি ধাঁচের হলেও ছবিতে যুবসমাজের নানা অবক্ষয় দেখানো হয়েছে। তাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন নিপুণ ও স্বাগতা।

টাকার চেয়ে প্রেম বড়

ব্যবসায়ী শরাফত চৌধুরী তার একমাত্র নাতি সৌরভকে বিয়ে করাতে চান। প্রতিদিন ঘটক পাত্রীর ছবি নিয়ে আসেন, অন্যদিকে ফিরিয়ে দেন সৌরভ। তার কথা, তিনি নিজে যতদিন মনের মানুষ খুঁজে না পাবেন ততদিন বিয়ে করবেন না। অবশেষে এক বন্ধুর বোনের বিয়েতে গ্রামে বেড়াতে গিয়ে সৌরভ খুঁজে পান স্বপ্নকন্যাকে। গ্রামের প্রভাবশালী সরকার পরিবারের একমাত্র মেয়ে প্রিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক হয় সৌরভের। বাধা হয়ে দাঁড়ান প্রিয়ার বাবা আর চাচা শমশের। তারা জীবন থাকতে চৌধুরী পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক করবেন না। চৌধুরী পরিবারের সঙ্গে সরকার পরিবারের কীসের এতো দ্বন্দ্ব? দ্বন্দ্বের কারণে কী ধ্বংস হয়ে যাবে সৌরভ-প্রিয়ার ভালোবাসা? নষ্ট হয়ে যাবে দু'টো জীবন? শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত ছবিতে অভিনয় করেছেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস।

এক টাকার দেন মোহর

সিকদার ও তালুকদার দু'পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু এক টাকা দেন মোহরে তাদের ছেলে-মেয়ের বিয়ে নিয়ে। ঝামেলা হতো না, যদি ওই সম্পর্ক টিকে থাকতো। কিন্তু সেই প্রেমের বিয়ে অস্বীকার করেন ছেলেটি। অন্য মেয়েকে বিয়ে করতে যান তিনি। মেয়েটি বিষ পানে আত্মহত্যা করেন। তালুকদার-সিকদারদের দ্বন্দ্ব সেখান থেকেই। বহুদিন পর দু'পরিবারের ছেলে মেয়ে প্রেমে পড়ে। পরিবারের একটি মহল এ বিয়ে মেনে নেয়। তবুও বিয়ের আসরে এক টাকার দেন মোহর নিয়ে ঝামেলা হয়।

বিত্তশালী পরিবারের ছেলে-মেয়ের বিয়েতে কেনো সামান্য একটা টাকার দেন মোহর নিয়ে সমস্যা হবে। যাই হোক এভাবেই এগিয়ে যায় সিনেমার গল্প। অভিনয় করেছেন শাকিব খান, অপু বিশ্বাস, সোহেল রানা, সুজাতা, উজ্জ্বল, সুচরিতা, মিশা সওদাগর। সিনেমাটি পরিচালক করেন এম বি মানিক।

টাকা

জনপ্রিয় জুটি রিয়াজ-পূর্ণিমা 'টাকা' নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করেন। এতে শক্তিমান অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদী ও আলমগীর কাজ করেছিলেন। সামাজিক অ্যাকশন ঘরানার সিনেমাটি দর্শকদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

কোটি টাকার প্রেম

গতানুগতিক সামাজিক প্রেমের সিনেমা কোটি টাকার প্রেম। যথারীতি অভিনয় করেছেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। পরিচালনা করেছেন সোহানুর রহমান সোহান।

এক টাকার ছেলে কোটি টাকার মেয়ে

স্বামীকে বাড়ির চাকর বানিয়ে রাখেন স্ত্রী। বাবার কারণেই আসলে বড়লোকের মেয়ে বিয়ে করেছিলেন গরিব ঘরের সন্তানকে। তাদের ঘরে দু’টি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। তারা বড় হয়ে ওঠে। অন্যদিকে এক গরীব মায়ের ঘরে জন্ম নেয় দু'পুত্রসন্তান। তারপর শুরু হয় অন্য এক গল্প। অভিনয় করেছেন মারুফ, সাহারা, রাজ্জাক, ডলি জহুর। পরিচালনায় কাজী হায়াৎ।

ব্ল্যাকমানি

কাজ না করেই কোটিপতি হবার স্বপ্ন দেখেন শ্রাবণ। একটা সময় তার হাতে অফুরন্ত টাকা আসে। সেই টাকা ছিল কালো টাকা। কালো টাকাই তার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়ায়। সাফি উদ্দিন সাফি পরিচালিত ছবিটি ২০১৫ সালে মুক্তি পায়। অভিনয়ে ছিলেন সাইমন সাদিক, কেয়া ও মৌসুমী হামিদ।

এক কোটি টাকা

টাকার পাহাড় সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখা অভিনেতা-প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজল দীর্ঘ বিরতি শেষে নতুন বছরে (২০১৭) অভিনয়ে ফিরেছেন। ফের টাকা নিয়ে ফিরছেন তিনি। নতুন সিনেমার নাম দিয়েছেন এক কোটি টাকা। অভিনয় করছেন ডিপজল, রেসি, বাপ্পি, অমৃতা। পরিচালনা করছেন ছটকু আহমেদ।

অর্থই অনর্থের মূল- প্রচলিত এ কথা মিথ্যা প্রমাণ করে ঢালিউডে অর্থ অর্থাৎ টাকা সংক্রান্ত বেশিরভাগ সিনেমাই পেয়েছে দর্শকপ্রিয়তা।

এইচএম/এসজেড

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
বলিউড কিং শাহরুখ খানের মেয়ে বলে জন্ম সূত্রেই বনে গেছেন তারকা। তাই যে কোনো পার্টি-অনুষ্ঠানে মধ্যমণি হয়ে উঠেন শাহরুখ কন্যা সুহানা খান। তার প্রতি মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। সুহানার বয়স এখনো ১৮ পার হয়নি। বলিউডের সিনেমাতেও অভিনয় করেননি। তবে শাহরুখ খানের সঙ্গে মাঝে মাঝে কিছু অনুষ্ঠানে দেখা যায় তাকে। এবার এক আত্মীয়ের বাড়িতে অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নজর কেড়েছেন সুহানা। আকর্ষণীয় সাজে বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা গেছে শাহরুখ কন্যার মোহনীয় রূপ। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হবার পর রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। ওই বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল দিল্লিতে। সুহানাকে দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে তার বয়স মাত্র ১৭। সোনালি লেহেঙ্গায় বেশ লাবণ্যময়ী লাগছিল সুহানাকে। সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রশংসা করেছেন। এছাড়া কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল সুহানার গোসলের ছবি। সুহানা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি প্রকাশ করেছিলেন। এরপর সেই ছবি নিয়ে নানারকম খবর প্রকাশ হয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে। বলিউডের সিনেমায় অভিনয় না করলেও মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন সুহানা। মুম্বাইয়ের একটি নাটকের দলের সঙ্গে যুক্ত আছেন সুহানা। ‘সিন্ডারেলা’ নাটকের অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। নাটকের ভিডিও দেখে কেউ কেউ সুহানাকে সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেয় বলে জানা গেছে। তবে শাহরুখ চান না তার মেয়ে এখনই সিনেমায় আসুক। পিআর/এসএস
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
শোবিজের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ও ‘আয়নাবাজি’খ্যাত অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা বিয়ে করতে যাচ্ছেন। তার বরের নাম জোবাইদুল হক। পেশায় একজন ব্যাংকার। দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী এপ্রিলের ২৬ তারিখ হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা এমনটাই জানালেন নাবিলা। নাবিলা বলেন, ‘আমাদের দু’জনার পরিচয় প্রায় ১৮ বছরের। বলতে পারেন আমরা দুজনেই দু’জনার প্রথম প্রেম। আমরা যখন জেদ্দায় থাকতাম, ওদের পরিবারও সেখানে থাকত। দুজনে একই স্কুলে পড়তাম। তখন থেকে তার প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয়। তবে কল্পনাও করিনি এতদিন পর আমাদের সেই প্রেমের সফল পরিণতি হবে। সবার কাছে দোয়া চাই।’ বাবার চাকরি সূত্রে নাবিলার জন্ম ও বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে। তার কৈশোর কেটেছে জেদ্দা শহরে। এসএসসি পাসের পর জেদ্দা থেকে নাবিলা স্থায়ীভাবে ঢাকায় চলে আসেন। অন্যদিকে নাবিলার হবু বর জোবাইদুল হকের কৈশোরও কেটেছে জেদ্দায়, তার বাবার চাকরি করতেন সেখানে। এখন তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আছেন। ২০০৬ সালে বাংলাভিশনের এবং ক্লাসের বাইরে নামে একটি স্কুল ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনার মাধ্যমে শোবিজে নাবিলার পথচলা শুরু হয়। এরপর তিনি এনটিভির লাইভ কুইজ অনুষ্ঠান ‘জানার আছে বলার আছে’ এবং বাংলাভিশনে ‘মিউজিক টুগেদার’। এছাড়া আরটিভিতে প্রচারিত ‘এক্সট্রা ইনিংস’ পরবর্তী সময়ে ‘ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লাকি লাইন’ ও এশিয়ান টিভির ‘স্টার ডান্স’সহ অসংখ্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন। এম/সি
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
অবশেষে ছাড়পত্র পেয়েছে দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত বলিউডের তুমুল আলোচিত সিনেমা ‘পদ্মাবতী’। তবে সিনেমাটির নাম বদলে ফেলতে হয়েছে। গত শনিবার সিনেমাটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে ভারতীয় চলচ্চিত্র সেন্সরবোর্ড। তবে সিনেমাটির নাম পরিবর্তন করে ‘পদ্মাবত’ রাখা হয়েছে। এই সিনেমাটির ছাড়পত্র পাওয়ার পেছনে নাকি বলিউডের মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের হাত রয়েছে। মূলত ডনের চাপেই সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এ প্রকাশিত একটি খবরে এই তথ্য জানা গেছে। তবে সেন্সরবোর্ড থেকে ছাড়পত্র দেয়ার সঙ্গে কিছু দৃশ্য পরিবর্তন করারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। পরিচালক সেই দৃশ্যগুলো পরিবর্তনগুলো করতে সম্মত হয়েছেন। এদিকে আন্দোলনরত কার্ণি সেনা অভিযোগ করেছে, দাউদ ইব্রাহিমের চাপে ছবিটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে বোর্ড। এই সিনেমার মুক্তি দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে না। তাই রাজস্থানের যে হলেই এই ছবিটি  চলবে, তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন কার্ণি সেনার প্রেসিডেন্ট সুখদেব সিং গোগামেড়ি। মূলত এই কার্ণি সেনার চাপেই ‘পদ্মাবতী’র মুক্তি পেছানো হয়। পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানশালীর শুটিং সেটে গিয়েও হামলা করা হয়। পরবর্তীতে ছবিটিকে ঘিরে ভারতজুড়ে শুরু হয় অস্থিরতা। একাধিক রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীরা ছবিটিকে নিয়ে মন্তব্য করেন। পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় ছবিটির প্রিমিয়ার করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। একইসঙ্গে সিনেমা সংশ্লিষ্ট অনেকেই ছবিটিকে মুক্তি দেয়ার জন্য সুপারিশ করেন। নানা বিতর্কের পর এবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলো ছবিটি। পিআর/এম
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
তারকা দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার এখন ভাঙনের পথে। এরইমধ্যে অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন শাকিব খান। তবে বিষয়টি মানতেই পারছেন না এক সময়ের নাম্বার ওয়ান নায়ক ওমর সানী। শাকিব-অপুকে উদ্দেশ্য করে এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখেছেন তিনি। আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য ওমর সানীর স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে ধরা হলো। ওমর সানী লিখেছেন, শাকিব খানের শুরুটা হয়েছিল আমার আর মৌসুমীর হাত ধরে, সোহান সাহেবের (পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান) ছবিতে আমার শ্যালিকা ইরিনের নায়ক হয়ে। তাকে (শাকিব) আমি ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করি, আদর করি। আমি চাই শাকিব সুন্দর একটি সংসার করুক, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে। তার ফুটফুটে একটি বাচ্চা আছে, যার নাম জয়। কত সুন্দর তার মুখ, তাকে দেখলে মনে হয় এত মায়াবী শিশু আর হয়না। শাকিবের একজন স্ত্রী আছে, সেও সিনেমার নায়িকা। কিন্তু শাকিব তুমি কি করছো? এত সুন্দর একটি সংসার এভাবে নষ্ট করে দিচ্ছ? তুমি কি চাও জয় তার বাবার আদর না পাক? অপু তার স্বামীর সোহাগ বঞ্চিত হোক? আমি ও মৌসুমী ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে বিয়ে করেছিলাম, পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলাম। আমরা কি নিজেদের ভালোবাসার কথা দেশবাসীকে, ভক্তদের জানাইনি? আমাদের ভক্তরা তা সাদরে গ্রহণ করেছে। আমাদের ভালোবেসেছে, আজো বাসছে। মৌসুমী আজো দেশের প্রধান নায়িকা। আমাদের দুই সন্তান এতদিন পরেও তাদের বাবা-মায়ের আদর, শাসন, স্নেহ পাচ্ছে। আমি চাই তুমি ও তোমার স্ত্রী তোমাদের দায়িত্ব পালন করবে জয়ের প্রতি। অপুর প্রতি আমার উপদেশ, তুমি স্বামী-সংসারে মন দাও। মেয়েদের বড় অলংকার তার স্বামী, স্বামীর অহংকার তার স্ত্রী। এ অলংকার, এ অহংকার রক্ষা করতে হবে তোমাদেরকেই। ক্যারিয়ারের চেয়েও অনেকসময় বড় হয় সংসার, ভালোবাসা থাকলে, বিশ্বাস থাকলে, পরিশ্রম করলে সব একসুতোয় গেঁথে যাবে। যে মালা কারো কানকথায় ছিঁড়বে না। আমি চাই তুমি সংসার করে যাও একজন আদর্শ স্ত্রীর মতো। তোমরা দুজনেই আমাদের প্রিয়, স্নেহভাজন। তোমাদের মঙ্গলের জন্যই আমি বলছি, তোমরা সব ভুলে গিয়ে এক হয়ে যাও। জয়ের দিকে চেয়ে, তোমাদের ভক্ত দর্শকের দিকে চেয়ে। জয়ের জয় হোক, ভালোবাসার জয় হোক। এম/পিআর
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
হালের ক্রেজ দিশা পাটানি খুব একটা বেশি সিনেমায় কাজ না করলেও অল্প সময়েই এসেছেন আলোচনায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ফলোয়ারের সংখ্যা কম নয়। ইনস্টাগ্রামে মাঝে মাঝেই নিজের ছবি শেয়ার করেন দিশা। সেখানেই নিজের আপডেট ভক্তদের মাঝে শেয়ার করেন তিনি। ভালো লাগার মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে আনন্দ পান দিশা। গেলো শনিবার তেমনই একটি ছবি পোস্ট করেছেন দিশা। বছরের শেষ কয়েকটা দিন ছুটির মেজাজে থাকতে চেয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে সমুদ্র সৈকতে বালির উপর সাদা বিকিনি পরা অবস্থায় বসে আছেন নায়িকা। একাকি সমুদ্রের নীল জল ও বিশালতা মুগ্ধ হয়ে দেখছেন। তবে লোকেশন নিয়ে সরাসরি কিছু না জানালেও, ধারণা করা হচ্ছে ছবিটি শ্রীলঙ্কার কোনো সমুদ্রসৈকতের ধারে। ভারতীয় গণমাধ্যমে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দিন কয়েক আগেই টাইগার শ্রফের সঙ্গে বিমানবন্দরে দেখা গিয়েছিল তাকে। দিশা জানিয়েছিলেন, বর্ষবরণ করতে শ্রীলঙ্কায় ছুটি কাটাতে যাচ্ছেন তিনি। এদিকে বলিউডে গুঞ্জন আছে টাইগার ও দিশার মধ্যে অনেকদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্ক চলছে। আর তাইতো নিন্দুকেরা বলছেন তাহলে কি সমুদ্রের তীরে বসে দিশার এমন খোলামেলা ছবি টাইগারেরই তোলা? তবে বিষয়টি নিয়ে টাইগার-দিশার কেউই কোনো মন্তব্য করেননি। এম/পি
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?