অনুদানের চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে শমী কায়সার

প্রকাশ | ২২ মে ২০১৯, ১৬:১৯

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

২০১৮-১৯ অর্থবছরে সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র নির্মাণ নিয়ে বেশ ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। অনিয়মের অভিযোগ তুলে অনুদান কমিটি থেকে মামুনুর রশীদ, নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু, মতিন রহমান ও মোরশেদুল ইসলাম পদত্যাগ করেন।

শুরুতে তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি অবশ্য মন্ত্রণালয়। এই রেশ কাটতে না কাটতেই আবার অভিযোগ ওঠে, আবেদন ছাড়াই অনুদান পেয়েছে শমী কায়সারের ‘স্বপ্ন মৃত্যু ভালোবাসা’ সিনেমাটি।

বিষয়টি নিয়ে তখন জটিলতার তৈরি করেন। শমী কায়সার এই নামে কোনও ছবির জন্য আবেদন করেছিলেন কি-না তা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন।

বিষয়টি পরিষ্কার করে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘এবার অনুদানের জন্য আমি কয়েকটি স্ক্রিপ্ট জমা দিয়েছি। ‘স্বপ্ন মৃত্যু ভালোবাসা’—যে টাইটেলে ছবিটি অনুদান পেয়েছে, সেটা আমার মায়ের লেখা বই ‘মুক্তিযুদ্ধ: আগে ও পরে’ অবলম্বনে। এটা মুক্তিযুদ্ধকালীন ৯ মাসে ঘটে যাওয়া আমার মা ও বাবার কাহিনী। পরিচালক ছবির নাম হিসেবে ‘স্বপ্ন মৃত্যু ভালোবাসা’ ব্যবহার করেছেন, তা বুঝতে পারিনি। পরে বাচ্চু আঙ্কেল ফোন দিলে সব জানতে পেরেছি। পরিষ্কার হয়েছি যে আমার প্রডাকশন ধানসিঁড়ির প্যাডেই ছবিটির গল্প ও চিত্রনাট্য করেছিলাম।’

২০১৮-১৯ অর্থবছরে অনুদান পাওয়া পূর্ণদৈর্ঘ্য নয়টি চলচ্চিত্র হলো সাধারণ শাখায় মীর সাব্বিরের ‘রাত জাগা ফুল’, খান শারফুদ্দীন মোহাম্মদ আকরামের ‘বিধবাদের কথা’, কাজী মাসুদের ‘অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া’, লাকী ইনামের ‘১৯৭১ সেই সব দিন’, সারাহ বেগম কবরীর ‘এই তুমি সেই তুমি’ ও শমী কায়সারের ‘স্বপ্ন মৃত্যু ভালোবাসা’; প্রামাণ্যচিত্র শাখায় হুমায়রা বিলকিসের ‘বিলকিস এবং বিলকিস’, পূরবী মতিনের ‘মেলাঘর’এবং শিশুতোষ শাখায় আবু রায়হান মো. জুয়েলের ‘নসু ডাকাত কুপোকাত’।

এর মধ্যে সাধারণ শাখায় শমী কায়সারের ‘স্বপ্ন মৃত্যু ভালোবাসা’, মীর সাব্বিরের ‘রাত জাগা ফুল’, খান শারফুদ্দীন মোহাম্মদ আকরামের ‘বিধবাদের কথা’এবং শিশুতোষ শাখায় আবু রায়হান মো. জুয়েলের ‘নসু ডাকাত কুপোকাত’ ছবির জন্য প্রত্যেক প্রযোজক পাবেন ৬০ লাখ টাকা করে। আর কাজী মাসুদের ‘অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া’, লাকী ইনামের ‘১৯৭১ সেই সব দিন’, সারাহ বেগম কবরীর ‘এই তুমি সেই তুমি’ পাবে ৫০ লাখ টাকা করে। প্রামাণ্যচিত্র শাখার দুটি চলচ্চিত্র বানাতে প্রত্যেক প্রযোজক পাবেন ৩০ লাখ টাকা করে।

জিএ/এম