‘মানভঞ্জন’ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এক অনবদ্য গল্প

প্রকাশ | ১০ মে ২০১৯, ১৭:৫৪

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধ সম্ভার নিজেদের প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরার সুযোগ কখনোই হেলায় নষ্ট করেনা বাংলায় শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘হইচই’। রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে কবিগুরুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদর্শন করতেই নিজেদের পরবর্তী অরিজিনাল নামকরণের ক্ষেত্রে ভরসা খুঁজে পেলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনবদ্য সৃষ্টি ছোট গল্প ‘মানভঞ্জন’ এর শিরোনামেই।

রবীন্দ্রজয়ন্তী এমন এক সাংস্কৃতিক পার্বন যা সমগ্র বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিরা একযোগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে উদযাপন করে থাকে। এই উৎসবে নিজেদের সামিল করতেই হইচই তাদের পরবর্তী অরিজিনাল মানভঞ্জন এর নামকরণে বেছে নিলো রবিঠাকুরেরই এক অনন্য সৃষ্টিতে। সুপরিচিত পরিচালক অভিজিৎ চৌধুরীর পরিচালনায় নির্মিত এই সিরিজের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোহিনী সরকার, অমৃতা চট্টোপাধ্যায় এবং অনির্বাণ ভট্টাচার্য।

এই সিরিজের গল্প গড়ে উঠেছে পতিগৃহে রীতিমতো একাকী জীবনযাপন করে চলা গৃহবধু গিরিবালাকে কেন্দ্র করে। গোপিনাথের সঙ্গে গিরিবালার বিয়ে হবার পর থেকে বেশ কিছুদিন দুজনের মাঝে দারুণ প্রণয় জমে উঠলেও একসময় ফিকে হতে থাকে তাদের ভালোবাসা। একসময় গোপিনাথের ভালোবাসাবর্জিত মনে স্থান করে নিতে থাকে উর্বশী নাট্যঅভিনেত্রী লবঙ্গ। গিরিবালার তারুণ্যদীপ্ত রূপ লাবণ্য সবই বিফলে যায় গোপিনাথের মন গৃহমুখী করতে।

একসময় গোপিনাথ লবঙ্গের সঙ্গে নতুন করে ঘর বাধবে বলে গিরিবালাকে ফেলে চলে গেলে হতাশায় গিরিবালাও বেরিয়ে আসে পতিগৃহ ছেড়ে। নতুন করে বাঁচবে বলেই গিরিবালা নিজেকে পরিণত করে আরও সাহসী, উদ্যমী আর দুর্বার এক নারীশক্তিতে। কি হবে এ পর্যায়ে? যেসবের মোহে গোপিনাথ এক সময় ঘর ছেড়েছিল সেই একই গুণে গুণান্বিতা স্ত্রীর কাছেই ফিরে আসবে নাকি রয়ে যাবে তার ‘অতঃপর তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে লাগলো’ জীবনে? কি তা জানাতেই আগামী ৩১ থেকে ‘মানভঞ্জন’ দেখতে পাওয়া যাবে ‘হইচই’ প্ল্যাটফর্মে।

এম/ডি