• ঢাকা সোমবার, ২৭ মে ২০১৯, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

শাহনাজ রহমতউল্লাহর দাফন সম্পন্ন

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২৪ মার্চ ২০১৯, ১৬:৩০ | আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৯, ১৬:৩৩
কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী শাহনাজ রহমতউল্লাহর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (২৪ মার্চ) বাদ জোহর বেলা ২টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বনানীর সামরিক বাহিনীর কবরস্থানে দাফন করা হয় এই শিল্পীকে। শনিবার (২৩ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টায় বারিধারায় নিজ বাসায় শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় মারা যান শাহনাজ রহমতউল্লাহ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

whirpool
এদিকে মাকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ পাননি শিল্পীর দুই সন্তান। মেয়ে নাহিদ রহমতউল্লাহ থাকেন লন্ডনে আর ছেলে সায়েফ রহমতউল্লাহ থাকেন কানাডায়। তাদের ভিসার জন্য আরও সময় লাগতে পারে। ফলে ছেলেমেয়ের অপেক্ষায় না থেকে স্ত্রীকে দাফনের সিদ্ধান্ত নেন শাহনাজ রহমতউল্লাহর স্বামী মেজর (অব.) আবুল বাশার রহমতউল্লাহ।

---------------------------------------
আরো পড়ুন: ‘আপা ঘুরে ফিরে আমাকে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিলেন’
---------------------------------------

এর আগে বাদ জোহর প্রয়াত শাহনাজ রহমতউল্লাহর জানাজা অনুষ্ঠিত হয় বারিধারার ৯ নম্বর রোডের পার্ক মসজিদে। শাহনাজ রহমতউল্লাহর গাওয়া গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’, ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’, ‘আমার দেশের মাটির গন্ধে’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বল রে এবার বল’, ‘আমায় যদি প্রশ্ন করে’, ‘সাগরের তীর থেকে’, ‘পারি না ভুলে যেতে’, ‘ফুলের কানে ভ্রমর এসে’, ‘যে ছিলো দৃষ্টির সীমানায়’, ‘আমি তো আমার গল্প বলেছি’, ‘আরও কিছু দাও না’, ‘এই জীবনের মঞ্চে মোরা কেউবা কাঁদি কেউবা হাসি’, ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ ইত্যাদি।

১৯৫২ সালে জন্ম নেয়া এই শিল্পী মাত্র ১১ বছর বয়সে ১৯৬৩ সালে রেডিও এবং চলচ্চিত্রের মাধ্যমে গানে জগতে প্রবেশ করেন। ১৯৬৪ সালে টেলিভিশনে প্রথম গান করেন। পাকিস্তানে থাকার সুবাদে করাচি টিভিসহ উর্দু ছবিতেও গান করেছেন। গান শিখেছেন গজল সম্রাট মেহেদী হাসানের কাছে।

তিনি ১৯৯২ সালে একুশে পদক পান শাহনাজ রহমতউল্লাহ। ১৯৯০ সালে ‘ছুটির ফাঁদে’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পী হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

এম/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়