• ঢাকা রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

প্রযোজকরা যেন টাকা ফেরত পান, সেই ব্যবস্থা করবো: গুলজার

এ এইচ মুরাদ
|  ২৬ জানুয়ারি ২০১৯, ১৬:১০ | আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০১৯, ১৬:১৮
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির দ্বিবার্ষিক (২০১৯-২০২০) নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন নির্মাতা মুশফিকুর রহমান গুলজার। শুক্রবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মুশফিকুর রহমান গুলজার-বদিউল আলম খোকন প্যানেল ১৯টি পদের ১৪টিতেই বিজয়ী হয়। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চলমান নানা সংকট নিরসনে কাজ করবে পরিচালক সমিতি। শনিবার নবনির্বাচিত সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার নানা পরিকল্পনার কথা বলেন আরটিভি অনলাইনকে। তার পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছেন জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এ এইচ মুরাদ।

whirpool
পরিচালক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি হিসেবে আপনার পরিকল্পনা কি?

সরকারের সঙ্গে পরিচালক সমিতির বেশ কিছু বিষয় নিয়ে কথা এগিয়ে রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো সিনেমা হলে উন্নত প্রজেকশন মেশিনের ব্যবস্থা করা। সেই সাথে এফডিসিতে সেন্ট্রাল সার্ভারের মাধ্যমে চলচ্চিত্র প্রদর্শন। একইসঙ্গে সিনেমা হলে ই-টিকিটিং চালু করা। যেন প্রযোজক তার টাকা ফেরত পান। বর্তমানে শেয়ার মানি হিসেবে চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে অনেক ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতার অভাব দেখা যায়। তাই আমরা ই-টিকিটিংয়ের ব্যবস্থা করবো; যেন প্রযোজকরা তাদের অর্থ ফেরত পান।

প্রত্যেক জেলায় সিনেপ্লেক্স করার প্রকল্পটি কোন অবস্থায় আছে?

আমরা সরকারের সাথে ৬৪টা জেলায় ৬৪টি কালচারাল সেন্ট্রালের মাধ্যমে সিনেপ্লেক্স চালু করার কথা এগিয়ে নিয়েছি। একনেক (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি) যেটি অনুমোদন দিয়েছে। সরকারকে এখন তাগিদ দিয়ে কাজটি তাড়াতাড়ি করার প্রচেষ্টা চালাব। মোট কথা সিনেমা হল থেকে যেন প্রযোজক টাকা ফেরত পান, সেই চেষ্টা করব। পাশাপাশি পরিবেশনার ক্ষেত্রে যাতে স্বচ্ছতা থাকে, সেটি নিশ্চিত করতে চাই।

এফডিসির চেয়ে বাইরে লাইট, ক্যামেরার ভাড়া কম। এ ব্যাপারে আপনাদের ভবিষ্যৎ কী পরিকল্পনা?

আমিও ওই বিষয়টির কথাই বলতে চাচ্ছিলাম। এফডিসি থেকে যেসব সাপোর্ট আমরা পেয়ে থাকি, তার মধ্যে বেশকিছুর ভাড়া আগে আরও বেশি ছিল। আমরা এফডিসির পরিচালক পরিষদের মিটিংয়ে বলেছি; বাইরের চেয়ে এখানকার ভাড়া বেশি ও সুযোগ সুবিধা কম হলে পরিচালকরা এখানে কেন আসবেন? আমরা আলোচনা সাপেক্ষে ভাড়া অনেকটাই কমিয়েছি। এফডিসি চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য যাতে আরও সুযোগ-সুবিধা দেয়, সেটির দিকে গুরুত্ব দেব। আগে এফডিসি সিনেমা নির্মাণের জন্য অনেক কিছু বাকিতে দিত। চলচ্চিত্র নির্মাণের পর সেই টাকা পরিশোধের সুযোগ ছিল। কিন্তু এখন তা বন্ধ রয়েছে। আমরা আবারও এটি চালু করার ব্যাপারে জোর দেব; যাতে প্রযোজকরা চলচ্চিত্র নির্মাণে আগ্রহী হন।

নবনির্বাচিতদের শপথ গ্রহণ কবে?

শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসলে নির্বাচন কমিশনের হাতে। নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ৪ দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।

সভাপতি হিসেবে পরিচালক সমিতি নিয়ে আপনার স্বপ্ন কি?

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। নির্বাচন তো একদিনের। আমরা সবাই মিলেই একটি সমৃদ্ধ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি গড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাব।

আরও পড়ুন

এম/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়