Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯

গাফফার চৌধুরীকে নিয়ে ফারুকীর স্মৃতি রোমন্থন

ছবি: সংগৃহীত

বিশিষ্ট সাংবাদিক, গীতিকার, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আজ (১৯ মে) স্থানীয় সময় আনুমানিক সকাল ৭টায় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে দেশে। সামাজিকমাধ্যমে তার ভক্ত-অনুরাগী, শুভাকাঙ্ক্ষীরা শোক প্রকাশ করছে। শোবিজ অঙ্গনেরও অনেকেই এই গুণীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। এই তালিকায় রয়েছেন দেশের জেনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

ফারুকী লেখেন, ‘গাফফার ভাইয়ের অনেক মত বা কথার সাথে আমার দ্বিমত ছিল, অনেক কথার সাথে একমত ছিল। আমার কাজ খুঁজে বের করে দেখে আমাকে ফোন দিয়ে উনি উৎসাহ দিতেন। আমার কাজ সরকারি সেন্সর কলে আটকা পড়লে তিনি এর প্রতিবাদ করতেন। তিশার অভিনয়ের দারুণ ভক্ত ছিলেন উনি।’

আবদুল গাফফার চৌধুরীর সঙ্গে পুরনো স্মৃতিও রোমন্থন করেন তিনি, “উনাকে আমি অনেকবার একটা কথা বলেছি, ‘গাফফার ভাই, আপনি যদি আর কিছু নাও লিখতেন, কেবল ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’র জন্যই আপনার স্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে পাকা থাকতো। আপনাকে ভালোবাসুক মন্দবাসুক, প্রতি বছর একবার করে বাংলাভাষী মানুষেরা প্রাণ খুলে গাইবে আপনার লেখা গান। কোনো এক একলা ছাদের নিচে বসে লেখা আপনার শব্দগুলা ডানা মেলবে ওদের কণ্ঠের আবেগে। ভাবা যায় কী এক বিস্ময়কর ঘটনা এই গান? বিদায় আবদুল গাফফার চৌধুরী!”

বর্তমানে কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ফ্রান্সে রয়েছেন ফারুকী। সেখান থেকেই নিজের ফেসবুক পাতায় আবদুল গাফফার চৌধুরীর প্রতি শোক জানান তিনি।

উল্লেখ্য, সাংবাদিকতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, স্মৃতিকথা, ছোটদের উপন্যাসও লিখেছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’, ‘সম্রাটের ছবি’, ‘ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা’, ‘বাঙালি না বাংলাদেশি’সহ তার প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা প্রায় ৩০। এ ছাড়া তিনি কয়েকটি পূর্ণাঙ্গ নাটক লিখেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘একজন তাহমিনা’ ‘রক্তাক্ত আগস্ট’ ও ‘পলাশী থেকে বাংলাদেশ’।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। ১৯৬৩ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার পান তিনি। এ ছাড়া বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ আরও অনেক পদকে ভূষিত হয়েছেন।

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS