Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

  ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:৪০
আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১১:০০

ছোটবেলায় মিষ্টির বাক্স বানাতেন অভিনেত্রী পাওলি দাম

ছোটবেলায় মিষ্টির বাক্স বানাতেন অভিনেত্রী পাওলি দাম
পাওলি দাম

পহেলা বৈশাখ বাঙালির এক আনন্দ-​উজ্জ্বল মহামিলনের দিন। লোকউৎসবের দিনটিকে ঘিরে বাঙালি নানা আয়োজনে মেতে ওঠে। করোনা মহামারির কারণে বিগত বছরগুলোর সেই চিত্র ছিল না। এবারও লকডাউনের কারণে সর্বজনীনভাবে হচ্ছে না পহেলা বৈশাখ উদযাপন। তবে বিশেষ এই দিনটির স্মৃতিচারণে সোশ্যাল মিডিয়া সরগরম করে রেখেছেন নেটাগরিকরা। দিনটিকে ঘিরে নিজের ছোটবেলার স্মৃতি শেয়ার করেছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পাওলি দাম।

তিনি বলেন, ‘পয়লা বৈশাখ দিনটা আমাকে ভীষণই নস্টালজিক করে তোলে। এক ঝটকায় যেন ছোটবেলাতে ফিরিয়ে নিয়ে চলে যায়। এখনকার আর ছোটবেলার পয়লা বৈশাখে অনেক তফাৎ। আমার বড় হওয়া বউবাজার এলাকায়। ওখানে দোকানে দোকানে ১লা বৈশাখ উদযাপন হত। আমার বাবার দোকানেও পুজো হত, নতুন খাতা লেখা হত। পয়লা বৈশাখ মানেই আমার কাছে, মিষ্টির বাক্স, ক্যলেন্ডার আর অবশ্যই কোল্ড ড্রিঙ্ক।‘

আরও পড়ুনঃ ইফতারের ছবি পোস্ট করে প্রশংসায় ভাসছেন মিম

পাওলি আরও বলেন, ‘আমি যেহেতু যৌথ পরিবারে বড় হয়েছি আমার কাছে ছোটবেলার স্মৃতি ভীষণ মধুর, জোরাল। খুড়তুতো, জ্যাঠতুতো, পিসতুতো সব ভাইবোনেরাই আমাদের বাড়ি চলে আসত। আমাদের দায়িত্ব ছিল মিষ্টির বাক্স বানানো। এটার মধ্যে একটা সৃষ্টির আনন্দ ছিল, সেই আনন্দটা হয়ত আমি প্রথম ওই মিষ্টির বাক্স বানানোর মধ্যে দিয়েই পেয়েছিলাম। ক্যলেন্ডার রোল করতাম, চেষ্টা করতাম সবকটাতে যেন একই রঙের রাবার ব্যান্ড লাগানো হয়। পরের দিনের কাজ ছিল মিষ্টিগুলি বাক্সে ভরা। তারপর দোকানে যেতাম, লক্ষ্মী-গণেশ পুজো হত। নতুন খাতা লেখা, নারকেলের উপর স্বস্তিক চিহ্ন আঁকা। ফুল দিয়ে দোকান সাজানো, নতুন জামা পরা। আমরা বোনেরা সকালে যে জামা পরতাম, সন্ধেবেলা একে অন্যের সঙ্গে জামা এক্সচেঞ্জ করে পরতাম। এটার মধ্যে আদানপ্রদানের শিক্ষা পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সন্ধেবেলা যখন দোকানে লোকজন আসত। সবসময় যে আমন্ত্রণ করতাম তাও নয়। তবে নতুন বছর দরজা সবার জন্য খোলা থাকত। আমরাও অন্য় দোকানে যেতাম। আমার অবশ্য মিষ্টি নয়, কোল্ড ড্রিঙ্ক খাওয়ার ঝোঁক ছিল। দুদিন ধরে যেন উৎসব চলত। অপেক্ষা করে থাকতাম কবে ১লাবৈশাখ আসবে। এখন এই আনন্দগুলো মিস করি। এখন তো আরও কঠিন এই বিষয়টা। আমাদের কাছে স্পর্শ বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর করোনার সময় তো আমরা স্পর্শ থেকেই দূরে সরে যাচ্ছি। আনন্দ হয়ত থাকবে, তবে অনেককিছু বদলে যাবে।’ সূত্র- সংবাদ প্রতিদিন

এনএস

RTV Drama
RTVPLUS