logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

  ১৬ জানুয়ারি ২০২০, ১৮:১২
আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২০, ১৮:৪০

কাজেই বিশ্বাসী কাউন্সিলর আনিছুর রহমান নাঈম

কাউন্সিলর নাঈম ঢাকা
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আনিছুর রহমান নাঈম
কথা কম,কাজে বিশ্বাসী। এই প্রবাদ বাক্যের সঙ্গে মিলিয়ে সত্যিকার অর্থে এমনই একজন কাউন্সিলরের সন্ধান পাওয়া গেছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে দক্ষিণখানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আনিছুর রহমান নাঈম। তার আরও একটি পরিচয় ,ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক তিনি। ২০১৮ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে তিনি কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত হন। আর এবার এলাকার মানুষের এবং দলের অনুরোধে ২০১৯ সালের সিটি নির্বাচনেও কাউন্সিলর পদ প্রার্থী। তিনি ঘুড়ি প্রতীকে নির্বাচন করার প্রচারণা চালাচ্ছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি কোনও সময় নষ্ট করেননি। এলাকার উন্নয়নে কাজ শুরু করেন।

সরজমিনে  ঘুরে দেখা যায়, এলাকার বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এলাকার মানুষও সেইসব সুফলভোগ করে বেশ স্বস্তিতেই আছে। এলাকার উন্নয়নমূলক কি কি কাজ হয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তরে এলাকার লোকজন বলেন- কাউন্সিলর এক বছরে,৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাওয়ারের প্রধান সড়ক ও জামতলা সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন করচেন। এলাকার মানুষের স্বপ্ন কাওলা থেকে খিলক্ষেত পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেছেন। আশকোনা প্রধান সড়কের স্যুয়ারেজ লাইনের সংস্কার করেছেন। গোয়ালবাড়ী মোড় থেকে জমিদার বাড়ি পর্যন্ত অন্তত  চারশ’ মিটার স্যুয়ারেজ পাইপলাইন নির্মাণ। কাওলার থেকে আশকোনা পর্যন্ত সংযোগ সড়কের আংশিক নির্মাণ; বাকি অংশ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ওয়ার্ডের আশকোনা, গাওয়াইর ও মাজিবাড়ির সাময়িক জলাবদ্ধতা দূরীকরণে খাল খননের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গ্যাসের সমস্যা সমাধানের জন্য ডিআরএস মেশিন বসানোর কাজ চলমান রয়েছে।

৪৯ ওয়ার্ডের রহিম চা স্টোর দোকানের মালিক রহিম শেখ বলেন, কাউন্সিলর নাঈম তার সাধ্যের বাইরে যেয়েও এলাকার উন্নয়ন করেছেন। যখন চারদিকে লোকজন ডেঙ্গুর কামড় খেয়ে অস্থির। তখন আমাদের এলাকায় মশা নিধনের কাজ চলছে জোরেসোরে।

এছাড়াও,  আধুনিক ও মাদকমুক্ত ওয়ার্ড গড়ার অঙ্গিকার করেছেন রহমান নাঈম। আসন্ন নির্বাচনে ২১ দফা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ঘুড়ি প্রতীকে নির্বাচনী প্রচারণায় মানুষের দোরগোড়ায় গণসংযোগ করছেন তরুণ এ নেতা। নির্বাচিত হয়ে গেল নয় মাসে সড়কের সংস্কার, মশা নিধন কার্যক্রম ও জলাবদ্ধতা নিরসনে নিরলস কাজ করেছেন।

কথা হয় সাবেক কাউন্সিলর আনিছুর রহমান নাঈমের সঙ্গে।

 তিনি বলেন , গেল নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। এবার নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়নের বিষয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলেও দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে নির্বাচন করার অনুমতি পেয়েছি। এলাকার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরাই ফের নির্বাচনে অংশগ্রহণে আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছেন।

নাঈম বলেন, মাত্র ৯ মাসে আমার ওয়ার্ডের সমস্যাগুলোর অন্তত ৭০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি। জলাবদ্ধতা, গ্যাস সংকট নিরসন, কাওলা, আশকোনায় রাস্তা-ঘাট নির্মাণ ও সংস্কার এবং পানির পাম্প স্থাপন, স্যুয়ারেজ লাইন ও জলাবদ্ধতা নিরসন, মসজিদ-মাদরাসা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছি। এছাড়া বেশ কয়েকটি কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যদি পাঁচ বছরের জন্য জনগণ আবারও আমাকে ভোট দিয়ে সুযোগ দেন, তাহলে আমার বিশ্বাস, অসম্পন্ন কাজগুলো সম্পন্ন করে এ ওয়ার্ডকে আমি ঢাকা সিটির মধ্যে সেরা ওয়ার্ড হিসেবে জনগণকে উপহার দিতে পারবো।

ওয়ার্ডের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ফের নির্বাচিত হলে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে জনগণের সেবক হওয়াই তার ইচ্ছা। একইসঙ্গে নিজ ওয়ার্ড থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আনিছুর রহমান নাঈম।

সরেজমিনে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নানান ধরনের পোস্টারে শুরু হয়েছে নির্বাচনী আমেজ। মাইকিং, রঙিন ব্যানার, পোস্টারসহ নির্বাচনী ডামাডোলে ভরপুর দক্ষিণখান এলাকার এ ওয়ার্ডটি। চারিদিকে ঘুড়ি প্রতীকের ব্যানারের জয়-জয়কার দেখা যাচ্ছে।

জেবি

RTVPLUS