• ঢাকা রবিবার, ১৯ মে ২০১৯, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

নির্বাচন বাতিল চেয়ে বিএনপির ৭৪ প্রার্থীর মামলা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:৩৭
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বাতিল চেয়ে ঢাকাসহ আটটি বিভাগের বিএনপি নেতারা হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে ৭৪টি মামলা করেছেন। মামলার আবেদনে নির্বাচনে কারচুপি, জালিয়াতি ও ভোট ডাকাতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

আবেদনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও নির্বাচনে যিনি বিজয়ী হয়েছেন তাকে বাতিল ঘোষণা এবং অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করতে বলা হয়েছে।

গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ৭৪টি মামলা করেছেন বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা। এছাড়া আরও কয়েকটি মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে প্রার্থীদের প্যানেল আইনজীবী এ কে এম এহসানুর রহমান বলেন, বিকেল ৬টা পর্যন্ত ৭৪টি আবেদন দায়ের করা হয়েছে। আমি মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ অরুণের পক্ষে আবেদন জমা দিয়েছি। এসব আবেদনের মাধ্যমে নির্বাচনে যে অনিয়ম হয়েছে সে বিষয়ে আমরা আদালতে উপস্থাপন করব।

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট ডাকাতির মতো ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনও হয়নি। নির্বাচনের আগের রাতে প্রায় ৮০ ভাগ ভোটের বাক্স পূরণ করে রাখা হয়। এছাড়া অনেক কেন্দ্রে শতভাগ ভোট গ্রহণ হয়েছে; যা হাস্যকর।

প্রথমে গত সোমবার মামলা করেন ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও টাঙ্গাইল-৭ আসনে বিএনপির আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। এরপর বুধবার হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন বিএনপির আরও পাঁচজন। তারা হলেন বরিশাল-১ আসনের জহির উদ্দিন স্বপন, গাজীপুর-৪ আসনের শাহ রিয়াজুল হান্নান, মৌলভীবাজারের-৩ আসনের নাসের রহমান, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের আবদুল হাই ও ভোলা-২ আসনের মো. হাফিজ ইব্রাহিম। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৬৬ জন প্রার্থী।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল করে আবারও ভোটের দাবিতে বিএনপি, গণফোরামসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা হাইকোর্টে এই মামলা করেন। ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ এনে পুনরায় নির্বাচনের দাবি তুলে শপথ গ্রহণ করেননি।

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়