smc
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ৫ কার্তিক ১৪২৭

জনগণের আস্থার সংকট, সিইসিসহ সব কমিশনারের সরে দাঁড়ানো উচিত: টিআইবি    

  আরটিভি নিউজ ডেস্ক

|  ২৭ আগস্ট ২০২০, ১৯:০৩ | আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২০, ১৯:০৮
Transparency International Bangladesh (TIB)
ছবি সংগৃহীত
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২’ এর ৯১-ই ধারায় কোনো প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের সরাসরি ক্ষমতা, যা নির্বাচন কমিশনের কাছে ন্যস্ত ছিল এর বিলোপ সাধন করে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আইন ২০২০’ এর খসড়া তৈরির খবরে বিস্ময় প্রকাশ করেছে। 
আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানায় সংস্থাটি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এরই মধ্যে কমিশনের অধীনে যেসব জাতীয় ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে ভোটারের উপস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ, সর্বোপরি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের যে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে, তার গুণগত কোনো পরিবর্তন কী ঘটবে এই নতুন আইনের মাধ্যমে? যদি না-ই ঘটে, তাহলে এ জাতীয় নতুন আইনের যৌক্তিকতা কোথায়, তা আমার কাছে পরিষ্কার নয়।নির্বাচন কমিশনের উচিত ‘নির্বাচন কমিশন’ নামটিকে আর কলঙ্কিত না করে ইতোমধ্যে জনসাধারণের মাঝে তাদের প্রতি যে আস্থার সংকটের সৃষ্টি হয়েছে, তা উপলব্ধি করে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানো।

প্রার্থিতা বাতিলের সরাসরি একক ক্ষমতা থেকে সরে আসা নির্বাচন কমিশনের একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’ উল্লেখ করে এ ব্যাপারে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৯১-ই ধারার ১ ও ২ উপধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে, তা তদন্ত করে দেখা এবং তদন্তে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার সরাসরি ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের হাতে। সেটি কী যুক্তিতে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে তার যে ব্যাখ্যাই কমিশন দিক না কেন, এটি যে ভালো কোনো উদ্দেশে করা হচ্ছে না বরং কমিশনকে সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর করে দেয়ার হীন চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। নিজেরা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এ ধারা প্রয়োগ করার সৎসাহস রাখেন না ফলে, মাথা ব্যথার কারণে মাথা কেটে ফেলার অপপ্রয়াস এই উদ্যোগ কি-না এই প্রশ্ন ওঠাও স্বাভাবিক।

ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, জনপ্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়ে নির্বাচন কমিশনের যেখানে তার সাংবিধানিক মর্যাদা ও সুনাম পুনরুদ্ধারে সচেষ্ট থাকা উচিত, সেখানে সম্ভবত জেনে বুঝেই তারা রাজনৈতিক ক্ষমতার কাছে নিজেদের আত্মদানমূলক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এ জাতীয় সিদ্ধান্ত নেয়ার পরিকল্পনা করছে।

তিনি বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর মতো একটি ঐতিহাসিক দলিল, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতার অনন্য স্মারক, কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া এর পরিবর্তন কেন দরকার পড়ছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। নির্বাচন কমিশন বোধহয় ভুলতে বসেছে যে, এটা একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হওয়ার কথা, কারও আজ্ঞাবহ নয়। দেশ ও জাতির স্বার্থে বর্তমান কমিশনের সুমতি যত দ্রুত ফিরবে ততই মঙ্গল।

এম 
 

RTVPLUS
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৩৯০২০৬ ৩০৫৫৯৯ ৫৬৮১
বিশ্ব ৪,০৩,৮২,৮৬২ ৩,০১,৬৯,০৫২ ১১,১৯,৭৪৮
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • নির্বাচন কমিশন এর সর্বশেষ
  • নির্বাচন কমিশন এর পাঠক প্রিয়