অপ্রদর্শিত অর্থ দেশে বিনিয়োগ না হলে পাচার হবে: এফবিসিসিআই

প্রকাশ | ১৫ জুন ২০১৯, ১৫:৩০ | আপডেট: ১৬ জুন ২০১৯, ০৮:৩৬

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

এবারের ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট জনমুখী ও ব্যবসা সহায়ক বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পরবর্তী আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বিনা প্রশ্নে ফ্ল্যাট, জমি ও শিল্পে কালো টাকা বা অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ করার সুযোগ দেয়াকে স্বাগত জানান শেখ ফজলে ফাহিম। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগকে আমরা স্বাগত জানাই। বৈধভাবে উপার্জিত অর্থ কোনো কারণে অপ্রদর্শিত থাকতে পারে। সেই অর্থ উৎপাদন খাতে গেলে সেটিকে আমরা নেতিবাচক বলে মনে করি না। তাছাড়া অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ হলে অর্থপাচারও বন্ধ হবে।’

চলতি অর্থবছরের বাজেটের ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক খাত থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এটি হলে বেসরকারি খাত বাধাপ্রাপ্ত হয় উল্লেখ করে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম ঘাটতি পূরণে ব্যাংক খাতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বৈদেশিক উৎস, অবকাঠামো তহবিল, অবকাঠামো বন্ড ও অন্যান্য আর্থিক উপাদানের ওপর জোর দেয়ার অনুরোধ করেন।

এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি। হয়রানিমুক্ত রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাপনা ও সঠিক অটোমেশনের মাধ্যমে রাজস্ব আয়ের এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এসজে/সি