logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬

সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৬ টাকা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১১ জুন ২০১৯, ১৮:২৭
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ঈদের ছুটিতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সাতদিন বন্ধ থাকার ফলে চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।

গত তিনদিন ধরে নিত্য প্রয়োজনীয় এই পণ্যটি পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৭-১৮ টাকা কেজি দরে। অথচ ঈদের আগে যা পাইকারি বিক্রি হচ্ছিল ১২-১৩ টাকায়।

স্থানীয় পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, গত ২ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত ঈদের ছুটির কারণে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজসহ সব ধরণের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। গত ৯ জুন (রোববার) থেকে বন্দরটি চালু হলে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। এতে করে এই কয়দিন পেঁয়াজের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে কেজিতে পাইকারি ৫-৬ টাকা করে দাম বেড়েছে। তবে কিছুদিনের মধ্যে বাজারে দাম কমে আসতে পারে।

বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীরা জানান, বন্দরের মোকামে ভারতের নাসিকের পেঁয়াজ পাইকারি ১৭-১৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর সুজালপুর, ইন্ডোর অঞ্চলের পেঁয়াজ ১২-১৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগে এই পেঁয়াজ মানভেদে সর্বোচ্চ ১২ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছে। গত তিনদিন থেকে দাম বাড়তির দিকে।

ঢাকার ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের কারণে দেশের সব স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। একারণে এখন চাহিদা বেড়ে গেছে। ঈদের আগে যে পেঁয়াজ ১৩ টাকার কমে কিনেছি, এখন ১০-১৫ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ৫-৬ টাকা বেশিতে কিনতে হচ্ছে। ঢাকায় এই পেঁয়াজ ২০ টাকার উপরে বিক্রি করতে হবে।

এদিকে বাংলাহিলি বাজারের আড়তদাররা জানান, স্থানীয় হাট-বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজ ১৩-১৪ টাকা কেজিতে খুচরা বিক্রি হচ্ছে। তবে ভালো পেঁয়াজ থেকে বাছাই করে নেয়ার পর এসব পেঁয়াজ কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা জানান, রোববার থেকে হিলি স্থলবন্দরের মাধ্যমে দুদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। ফলে ভারত থেকে দেশে পেঁয়াজসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতিদিন ২০-২৫টি ভারতীয় ট্রাকে করে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে।

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়