• ঢাকা শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

আসল টাকা চেনাতে মোড়ে-মোড়ে ভিডিও প্রদর্শনের নির্দেশ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৪ মে ২০১৯, ১১:৪৮ | আপডেট : ১৪ মে ২০১৯, ১১:৫৬
ফাইল ছবি
ঈদসহ যে কোনো উৎসবের আগে বাড়তি কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে অপতৎপরতা বাড়ে জাল নোট কারবারীদের। তাদের ঠেকাতে বাড়তি সতর্কতার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গ্রাহকদের আসল টাকা চেনাতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে রাস্তার মোড়ে-মোড়ে ভিডিও চিত্র প্রচার করতে বলা হয়েছে।

whirpool
ব্যাংকগুলোকে সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি গ্রাহকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।

রমজান জুড়ে প্রতি বুধ ও বৃহস্পতিবার কোন ব্যাংক কোথায় ভিডিও প্রচার করবে তার একটি তালিকা করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলার জারি করে বলেছে, বিভিন্ন উৎসবের আগে নোট জালকারী চক্রের অপতৎপরতা বৃদ্ধি পায়। পুরো রমজান মাসজুড়ে ব্যাংকগুলোকে আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট সম্বলিত ভিডিওচিত্র প্রচার করতে হবে।

এক্ষেত্রে সার্কুলারের সঙ্গে সংযোজনী মোতাবেক ঢাকা শহর এবং ঢাকার বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা অফিস নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বগুড়া জেলাসহ অন্যান্য বিভাগীয় শহরের গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল বা রাস্তার মোড়ে ভিডিও প্রচার করতে হবে। সন্ধ্যার পর কমপক্ষে এক ঘণ্টা করে ভিডিও প্রচারের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

ঢাকায় কোন ব্যাংক কবে ভিডিও প্রচার করবে তার একটি তালিকা সংযোজন করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তালিকার আলোকে ১৫, ২২ ও ২৯ মে ৩০টি ব্যাংক এবং ১৬, ২৩ ও ৩০ মে ২৬টি ব্যাংক ঢাকা শহরে কমপক্ষে এক ঘণ্টা করে ভিডিও চিত্র প্রচার করবে। আর ঢাকার বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা অফিস নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ভিডিও প্রচার করবে। এক্ষেত্রে শাখার অবস্থান বুঝে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা অফিস থেকে সময়সূচি ঠিক করে দেওয়া হবে। বর্তমানে ঢাকার মতিঝিল ও সদরঘাট অফিসের বাইরে আরও ৮টি অফিস রয়েছে। এসব অফিস হলো- চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, বগুড়া, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ।

বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ভিডিও প্রচারের পাশাপাশি প্রতিটি শাখায় গ্রাহকদের জন্য স্থাপিত টিভি মনিটরে পুরো ব্যাংকিং সময়ে ওই ভিডিও প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে। কোনো শাখায় যদি টিভি মনিটর না থাকে নতুন করে মনিটর স্থাপন করে ভিডিও প্রচার করতে বলা হয়েছে। সাধারণভাবে প্রতিবছর রমজানে এ ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়ে থাকে। এছাড়া জালটাকা কারবারীদের প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে সতর্কতামূলক নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে থাকে। এরপরও বড়-বড় শপিংমল, বাজার বা জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাল নোট প্রচলনের প্রবণতা দেখা যায়। অবশ্য কয়েকবছর আগের তুলনায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ তৎপরতা কিছুটা কমেছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, এটিএম মেশিনে টাকা ফিডিং বা ঢোকানোর আগে আবশ্যিকভাবে জাল নোট সনাক্তকারী মেশিনে পরীক্ষা করে নিতে হবে। গ্রাহকদের কাছ থেকে সতর্কতার সঙ্গে নোট গ্রহণ করতে হবে। কাউকে নোট দেওয়ার সময়ও সতর্ক থাকতে হবে। এভাবে জাল নোট প্রতিরোধে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এস/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়