logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

বেড়েছে ইফতার সামগ্রীর দাম, ক্রেতাদের ক্ষোভ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৮ মে ২০১৯, ২২:৩০ | আপডেট : ০৯ মে ২০১৯, ০৯:১২
পবিত্র রমজান মাস এলেই বাড়ে নিত্যপণ্যের দাম। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। বিশেষ করে বেড়েছে ইফতার সামগ্রীর দাম। রমজান শুরু হয়েছে মঙ্গলবার। বুধবার বাজার ঘুরে ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। এ কারণে তারাও বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের মুদি দোকানের খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রমজানের ইফতারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় ছোলা। এ ছোলার দাম রোজার আগে ছিল মানবেধে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। এক সপ্তাহ পরে এ পণ্যের দাম হয় ৭০ থেকে ৮০ টাকা। খেসারি ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, মসুর ডাল ১০০ থেকে ১১০ টাকা, বুট ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ মান ভেদে বিক্রি হচ্ছে ২৬ থেকে ৩০ টাকা আর আমদানি করা পেঁয়াজ ১৮ থেকে ২৪ টাকায়। বাজারে এখন আমদানি করা রসুন প্রতিকেজি ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

এছাড়া ৫০ কেজি বস্তা চিনির দাম বেড়েছে প্রায় ১০০ টাকা। ২৪৫০ টাকার জায়গায় এখন ২৫৫০ টাকায় চিনির বস্তা বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে চিনির দাম রোজার শুরুতে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা হলেও এখন তা ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা।

এদিকে গেল সপ্তাহে এসিআই, মোল্লা সল্টসহ কয়েকটি লবণের দাম ২৫ কেজি বস্তায় অন্তত ১০০ টাকা বেড়েছে। আগে যেটা ৬০০ টাকায় পাওয়া যেত এখন তার জন্য দাম রাখা হচ্ছে ৭০০ টাকা। ব্র্যান্ডের প্যাকেট লবণের পাইকারি মূল্য ২৪ টাকা থেকে বেড়ে ২৮ টাকা হয়েছে। যদিও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এক কেজি প্যাকেট লবণের গায়ে দাম লেখা আছে ৩৫ টাকা।

কারওয়ান বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা আরিফুর রহমান আরটিভি অনলাইনকে বলেন, বাজারে দামের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছে। যখন ভেজাল অভিযান চলে তখন ব্যবসায়ীদের আচরণ একরকম থাকে। অভিযান শেষে আরেক।

কারওয়ান বাজারে বাজার করতে আসা গৃহিনী ফারজানা আইরীন আরটিভি অনলাইনকে বলেন, রমজান শুরু হলেই আমাদের দেশে পণ্যের দাম বাড়ে, এটি নতুন নয়। তবে শুনেছি অন্য দেশে বিভিন্ন উৎসবে দাম কমে। এই দাম বৃদ্ধির সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার তদারকি নিয়মিত করতে হবে।

কাওয়ান বাজারের মায়ের দোয়া স্টোরের মালিক কামরুল ইসলাম আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে মুদি দোকানি ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। কিন্তু পাইকার বা আমদানীকারকের বিরুদ্ধে সরকার কোন ব্যবস্থা নেয় না। আমাদের দোষ ধরে কেন মেয়াদহীন পণ্য রাখলাম। কিন্তু কোম্পানীগুলোকে বার বার বললেও তারা মাল ফেরত নেয় না।

জিহান স্টোরের স্বত্তাধিকারী মাহমুদ খান আরটিভি অনলাইনকে বলেন, খুচরা ব্যবসায়ীরা স্বল্প লাভে পণ্য বিক্রি করে থাকে, মূলত পাইকারদের কাছে তারা জিম্মি।

এমসি/এমকে  

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়