ইমিগ্রেশন পার হওয়া যাবে ১৫ সেকেন্ডে!

প্রকাশ | ০৫ মে ২০১৯, ১৮:০২ | আপডেট: ০৫ মে ২০১৯, ১৮:৫০

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
ফাইল ছবি

মাত্র ১৫ সেকেন্ডে বিমানবন্দর বা স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সুযোগ চালু করছে বাংলাদেশ সরকারও। দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে স্থাপন করা হচ্ছে স্বয়ংক্রিয় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি বা ই-গেট। এই ই-গেট ব্যবহার করে ই-পাসপোর্টধারীরা সহজেই ইমিগ্রেশন পার হতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অভিবাসন কার্যক্রম সহজ করতে সরকার আগামী ১ জুলাই থেকে ডিজিটাল পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট সেবা দেয়া শুরু করছে।

ই-পাসপোর্ট চালু হলে বিশ্বের যেকোনও স্থান হতে ওই পাসপোর্টধারীর নম্বর সার্চের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সব তথ্য পাওয়া যাবে।

২০১০ সালে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) গাইডলাইন অনুযায়ী বাংলাদেশ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ও মেশিন রিডেবল ভিসা (এমআরভি) পদ্ধতি চালু করে।

কিন্তু এমআরপি ব্যবস্থায় দশ আঙুলের ছাপ ডাটাবেজে সংরক্ষণ না থাকায় একাধিক পাসপোর্ট করার প্রবণতা ধরা পড়ে। এর ফলে ই-পাসপোর্টের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপকভাবে অনুভব করে সরকার।

এই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনের নির্দেশ দেন।

পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জার্মানি সফরের সময় ২০১৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সে দেশের প্রতিষ্ঠান ভ্যারিডোস জিএমবিএইচ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ই-পাসপোর্ট চালুর বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে সেই পাসপোর্টের সুবিধা ভোগ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ।

জানা গেছে, গত ৩১ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এক সভা হয়। ওই সভা তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও দুইটি স্থলবন্দরে ৫০টি ই-গেট করার সিদ্ধান্ত হয়।

অভিবাসন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, ই-পাসপোর্টে ২৮ ধরনের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকবে। বর্তমানে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ডাটাবেজে পাওয়া তথ্যগুলো ই-পাসপোর্টে স্থানান্তর করা হবে।

সূত্র মতে, ই-পাসপোর্ট বিতরণ শুরু করার প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়ে এসেছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিমান ও স্থলবন্দরে স্থাপন করা হবে ৫০টি ই-গেট। ইমিগ্রেশন পার হওয়া যাবে ১৫ সেকেন্ডে। আগামী ১ জুলাই থেকে মিলবে ই-পাসপোর্ট।

এস/পি