logo
  • ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২০, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

করোনা আপডেট

  •     গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ২৮২৮ জন, মৃত্যু ৩০ জন, সুস্থ ৬৪৩ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

১৫ দিনেই নেই হয়ে গেছে ২৫ হাজার কোটি টাকা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২৭ এপ্রিল ২০১৯, ১১:৪৮ | আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০১৯, ১২:৩০
নির্বাচনে প্রত্যাশিতদের জয়েও আশার আলো খুঁজে পায়নি পুঁজিবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। দরপতনের বৃত্তেই একই রকম ঘোরাফেরা করছে সূচক ও লেনদেন। সবশেষ মাত্র ১৫ দিনেই দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে নাই হয়ে গেছে অন্তত ২৫ হাজার কোটি টাকার বাজার মূলধন।

এতে করে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আবারও অনাস্থা তৈরি হয়েছে। শুধু স্বল্প মুলধনী কোম্পানি নয়, বৃহৎ কোম্পানির শেয়ার কিনেও অনেক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

অভিযোগ আছে এক শ্রেণির সিন্ডিকেটের হাতেই পুঁজিবাজার বার বার গ্যাড়াকলে পড়ছে। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালও সে প্রসঙ্গে বলেছেন।

তিনি বলেছেন, শেয়ারবাজারে পতনের ঘটনার নেপথ্যে কেউ না কেউ আছে। যে কারণে বাজারে পতনের ঘটনা বার বার ঘটছে। এর মানে পেছনে কেউ আছে।

তবে তিনি এও বলেছেন দেশের পুঁজিবাজার ঠিকই আছে। এ বাজার খারাপ অবস্থানে নেই। পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে।

ডিএসইর সাম্প্রতিক বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত ২ এপ্রিল বাজার মূলধন ছিল প্রায় ৪ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সেই বাজার মূলধন হয়েছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র ১৫ কার্যদিবসে কমেছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন।

এ সময়ে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে। কমেছে সূচকও। ঢাকার বাজারে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে প্রায় ২৫০ পয়েন্টের মতো।

এর মধ্যেই পুঁজিবাজারে সংস্কারে দাবি তুলে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে বিনিয়োগকারীরা।

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ আরটিভি অনলাইনকে বলছে, টানা ৩ মাস ধরে পুঁজিবাজারের অব্যাহত দরপতনের পরেও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো থেকে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। যে কারণে ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীসহ পুঁজিবাজার আজ ধংসের মুখে।

‘এরইমধ্যে শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার অনেক মিটিং হয়েছে। মিটিংয়ে অবশ্যই বাজারকে গতিশীল করতে বিভিন্ন বিষয় চিহ্নিত হয়েছে। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’

এদিকে সিপিডি’র গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলছেন, নির্বাচনের পরবর্তী ১০০ দিনে পুঁজিবাজারে দৃশ্যমান কোনও সংস্কার ও উন্নতি নেই। নির্বাচনের আগে মুল্যসূচক কিছুটা বাড়লেও পরে ধীরে ধীরে তা আগের অবস্থানে চলে আসে।

তিনি বলেন, বাজারে সূচকের যদি ওঠানামা দেখি তাহলে দেখা যায় প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ পয়েন্টের ভিতরে এক ধরনের নিয়ন্ত্রিত ওঠানামা হয়। পুঁজিবাজারে এভাবে ওঠানামা হওয়ার কথা নয়।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, পুঁজিবাজারে যারা মেনুপুলেশন, কারসাজি করছে, তাদের খুঁজে বের করতে হবে। মেনুপুলেটকারীরা সক্রিয় থাকলে বাজারে আস্থা ফিরবে না।

এস/পি

RTVPLUS
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ৬০৩৯১১২৮০৪৮১১
বিশ্ব ৬৭০২৬৬২ ৩২৫১৫৪৪ ৩৯৩২১০
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • অর্থনীতি এর সর্বশেষ
  • অর্থনীতি এর পাঠক প্রিয়