DMCA.com Protection Status
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ৬ বৈশাখ ১৪২৬

যে ২৫টি কোম্পানি এক একটি দেশের অর্থনীতির চেয়ে বড়

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক
|  ২২ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:১৮ | আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:৫১
বিশ্বে দিন দিন ধনী-গরিবের ব্যবধান ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। কিন্তু এমন কিছু আন্তর্জাতিক কোম্পানি আছে যাদের বার্ষিক আয় পিলে চমকে ওঠার মতো। অ্যাপল, মাইক্রোসফট ও ওয়ালমার্টের মতো প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় এতো বেশি যে, তা নতুন এক মাত্রায় পৌঁছে গেছে।

এর ফলে দেখা যায়, অনেকক্ষেত্রে একটি ছোট দেশের অর্থনীতির চেয়ে বেশি আয় করছে অ্যাপল, মাইক্রোসফট ও ওয়ালমার্টের মতো প্রতিষ্ঠান। এই যেমন ২০১৭ সালে ওয়ালমার্টের মোট বার্ষিক আয় বেলজিয়ামের মোট আয়ের চেয়ে বেশি ছিল।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ’র তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির সঙ্গে বড় প্রতিষ্ঠানের আয়ের তুলনা করে একটি প্রতিবেদন ছেপেছে বিজনেস ইনসাইডার। নিচের সেই তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হলো:

২০১৭ সালে স্পটিফাইয়ের আয় ছিল মৌরতানিয়ার জিডিপির চেয়ে বেশি

২০১৬ সালে আফ্রিকার দেশ মৌরতানিয়ার জিডিপি ছিল চার হাজার ৭৫৫ মিলিয়ন ডলার। বিপরীতে ২০১৭ সালে সুইডেনভিত্তিক মিউজিক স্ট্রিমিং প্লাটফর্ম স্পটিফাইয়ের আয় ছিল চার হাজার ৭৯৪ মিলিয়ন ডলার। যদি স্পটিফাই একটি দেশ হতো তাহলে এটি বিশ্বের ১৫১তম সম্পদশালী দেশ হতো।

মাল্টার জিডিপির চেয়ে বেশি আয় নেটফ্লিক্সের

ইউরোপের দ্বীপপুঞ্জ রাষ্ট্র মাল্টার জিডিপি ২০১৬ সালে ১১ হাজার ২৭৮ মিলিয়ন ডলার ছিল। অন্যদিকে ২০১৭ সালে ম্যুভি ও টেলিভিশন শো’র অনলাইন বা স্ট্রিমিং ভিত্তিক প্লাটফর্ম নেটফ্লিক্সের আয় ছিল ১১ হাজার ৬৯৩ মিলিয়ন ডলার। নেটফ্লিক্স যদি একটি দেশ হতো তাহলে, এটি বিশ্বের ১২৬তম সম্পদশালী জিডিপির দেশ হতো।

টেসলার আয় আলবেনিয়ার জিডিপির চেয়ে বেশি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক অটোমোটিভ ও এনার্জি প্রতিষ্ঠান টেসলা ২০১৭ সালে আয় করেছে ১২ হাজার মিলিয়ন ডলার। বিপরীতে ইউরোপের দেশ আলবেনিয়ার ২০১৬ সালের জিডিপি ছিল ১১ হাজার ৮৬৫ মিলিয়ন ডলার। স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান টেসলা যদি একটি দেশ হতো, তাহলে এটি বিশ্বের ১২৫তম সম্পদশালী রাষ্ট্র হতো।

২০১৭ সালে বসনিয়ার জিডিপিকে পেছনে ফেলে ভিসা

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ২০১৭ সালে যত আয় করেছে তা ইউরোপের দেশ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার জিডিপির চেয়ে বেশি। ২০১৭ সালে ভিসার আয় ছিল ১৮ হাজার ৩৫৮ মিলিয়ন ডলার। বিপরীতে ২০১৬ সালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার জিডিপি ছিল ১৬ হাজার ৯১৭ মিলিয়ন ডলার। ক্যালিফোর্নিয়া কেন্দ্রিক এই প্রতিষ্ঠানটি একটি দেশ হলে, তা বিশ্বের ১১৫তম অর্থনীতির দেশ হতো।

লিবিয়ার জিডিপির সমান আয় এল কর্তে ইনলেজের

বিশ্বের চতুর্থ ও ইউরোপের বৃহত্তম ডিপার্টমেন্ট গ্রুপ এল কর্তে ইনলেজ ২০১৭ সালে আয় করেছে ১৮ হাজার ৫০৩ মিলিয়ন ডলার। বিপরীতে ২০১৬ সালে আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি ছিল ১৮ হাজার ৫৩৯ মিলিয়ন ডলার। স্পেনভিত্তিক এল কর্তে ইনলেজ যদি দেশ হতো তাহলে তা বিশ্বের ১১৪তম সম্পদশালী দেশ হতো।

স্টারবাকসের আয় ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর জিডিপির চেয়ে বেশি

মার্কিন কফি কোম্পানি ও কফি হাউস চেইন স্টারবাকস ২০১৭ সালে আয় করেছে ২২ হাজার ৩৮৬ মিলিয়ন ডলার বিপরীত ২০১৬ সালে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের দেশ ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর জিডিপি ছিল ২২ হাজার ২৯৬ মিলিয়ন ডলার। স্টারবাকস একটি দেশ হলে, তারা বিশ্বের ১০৪তম জিডিপির দেশ হতো।

পাপুয়া নিউ গিনির চেয়ে বেশি জিডিপি ম্যাকডোনাল্ডের

২০১৬ সালে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র পাপুয়া নিউ গিনির জিডিপি ছিল ২২ হাজার ৫৬৮ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত ফাস্টফুডের চেইনশপ ম্যাকডোনাল্ড ২০১৭ সালে আয় করে ২২ হাজার ৮২০ মিলিয়ন ডলার। জিডিপির ভিত্তিতে ম্যাকডোনাল্ড একটি দেশ হলে, এটি বিশ্বের ১০৩তম সম্পদশালী দেশ হতো।

মেরকাদোনা আয় নেপালের চেয়ে বেশি

স্প্যানিশ সুপারমার্কেট চেইন মেরকাদোনার আয় এশিয়ার দেশ নেপালের চেয়ে বেশি। ২০১৭ সালে মেরকাদোনার আয় ছিল ২৫ হাজার ৬১ মিলিয়ন ডলার। বিপরীতে ২০১৬ সালে নেপালের জিডিপির পরিমাণ ছিল ২১ হাজার ১৩২ মিলিয়ন ডলার। মেরকাদোনা দেশ হলে, তা বিশ্বের ১০২তম জিডিপির দেশ হতো।

এস্তোনিয়ার জিডিপির চেয়ে বেশি আয় বিবিভিএ’র

স্প্যানিশ ব্যাংক ‘ব্যানকো বিলবাও ভিজকায়া আরজেনতারিয়া বা বিবিভিএ’ ২০১৭ সালে যে আয় করেছে তা ইউরোপের আরেক দেশ এস্তোনিয়ায় মোট জিডিপির চেয়ে বেশি। ২০১৭ সালে বিবিভিএ’র আয় ছিল ৩০ হাজার ২২৯ মিলিয়ন ডলার। অপরদিকে ২০১৬ সালে এস্তোনিয়ার আয় ছিল ২৩ হাজার ৩৪৮ মিলিয়ন ডলার। বিবিভিএ একটি দেশ হলে, তারা বিশ্বের ৯৯তম জিডিপির দেশ হতো।

ইন্ডিটেক্সের আয় প্যারাগুয়ের চেয়ে বেশি

২০১৬ সালে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়ের জিডিপি ছিল ২৭ হাজার ৪২৪ মিলিয়ন ডলার। বিপরীতে পোশাক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইন্ডাস্ট্রিয়া দে দিসেনো টেক্সটাইল বা ইন্ডিটেক্সের ২০১৭ সালে আয় হয় ৩০ হাজার ৩৩৫ মিলিয়ন ডলার। সম্পদের ভিত্তিতে দেশ হলে প্যারাগুয়ে ৯৮তম জিডিপির দেশ হতো।

বুলগেরিয়াকে পেছনে ফেলেছে ওয়াল্ট ডিজনি

সিনেমা দেখেন আর ওয়াল্ট ডিজনির নাম শোনেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ২০১৭ সালে মার্কিন এই কোম্পানির আয় হয়েছে ৫৫ হাজার ১৩৭ মিলিয়ন ডলার। যেখানে ইউরোপের দেশ বুলগেরিয়ার জিডিপি ২০১৬ সালে ছিল ৫৩ হাজার ২৩৬ মিলিয়ন। ডিজনি দেশ হলে, তার বিশ্বের ৭৮তম অর্থনীতির দেশ হতো।

বানকো স্যানতানদেরের বার্ষিক আয় পানামার চেয়ে বেশি

স্প্যানিশ বাণিজ্যিক ব্যাংক বানকো স্যানতানদের ২০১৭ সালে যত টাকা আয় করেছে তা পানামার চেয়ে বেশি ছিল। ২০১৭ সালের এই ব্যাংকটির আয় ছিল ৫৮ হাজার ৮৯ মিলিয়ন। আর ২০১৬ সালে পানামার আয় ছিল ৫৭ হাজার ৮২১ মিলিয়ন ডলার। স্যানতানদের ব্যাংক একটি দেশ হলে, তা বিশ্বের ৭৫তম সম্পদশালী দেশ হতো।

টেলেফোনিকার আয় লুক্সেমবার্গকে ছাড়িয়ে

স্প্যানিশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি টেলেফোনিকা ২০১৭ সালে আয় করেছে ৬২ হাজার ৩৪১ মিলিয়ন ডলার। আর বিপরীতে লুক্সেমবার্গ ২০১৬ সালে আয় করেছে ৫৮ হাজার ৬৫৫। টেলেফোনিকা দেশ হলে, তা বিশ্বের ৭৪তম জিডিপির দেশ হতো।

জনসন অ্যান্ড জনসনের আয় ইথিওপিয়ার চেয়ে বেশি

যুক্তরাষ্ট্রের মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসনের নাম শোনেননি এমন মানুষ বোধহয় তাবত দুনিয়াতে নেই। শিশু পণ্য, কসমেটিকস ও মেডিকেল পণ্য উৎপাদনকারী বিখ্যাত এই প্রতিষ্ঠান ২০১৭ সালে আয় করেছে ৭৬ হাজার ৪৫০ মিলিয়ন ডলার, যা আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ার চেয়ে বেশি। ২০১৬ সালে ইথিওপিয়ার জিডিপি ছিল ৭৩ হাজার ১৫১ মিলিয়ন ডলার। জনসন অ্যান্ড জনসন কোনও দেশ হলে, এটি বিশ্বের ৬৭তম জিডিপির দেশ হতো।

স্লোভাকিয়ার জিডিপিকে পেছনে ফেলেছে মাইক্রোসফট

২০১৬ সালে স্লোভাকিয়ার জিডিপি ছিল ৮৯ হাজার ৮০৬ মিলিয়ন ডলার। বিপরীতে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী বিল গেটসের প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট ২০১৭ সালে আয় করে ৮৯ করে ৯৫০ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কম্পিউটার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট দেশ হলে তা হতো বিশ্বের ৬৫তম সম্পদশালী দেশ।

নাইকির মুনাফা ক্যামেরুনের চেয়ে বেশি

বিশ্ব বিখ্যাত স্পোর্টস পণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নাইকি ২০১৭ সালে ৩৪ হাজার ৪০০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। অন্যদিকে আফ্রিকার দেশ ক্যামেরুন ২০১৬ সালে ৩২ হাজার ২৩০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। তাই মুনাফার ভিত্তিতে হিসাব করলে নাইকি বিশ্বের ৯৬তম অর্থনীতির দেশ হতো।

বলিভিয়ার চেয়ে বেশি আয় কোকাকোলার

বিশ্বজোড়া খ্যাতিসম্পন্ন কোমল পানীয় কোকাকোলা ২০১৭ সালে ৩৫ হাজার ৪১০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। বিপরীতে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়ার জিডিপি ২০১৬ সালে ছিল ৩৪ হাজার ৫৩ মিলিয়ন ডলার। কোকাকোলা একটি দেশ হলে, তা ৯৫তম জিডিপির দেশ হতো।

ইবেরদ্রোলার আয় আইভরি কোস্টের চেয়ে বেশি

স্পেনের বহুজাতিক ইলেকট্রিক ইউটিলিটি কোম্পানি  ইবেরদ্রোলার ২০১৭ সালের বার্ষিক আয় আইভরি কোস্টের চেয়ে বেশি। ২০১৭ সালে স্প্যানিশ এই কোম্পানিটি আয় হয়েছিল ৩৭ হাজার ২৯৯ মিলিয়ন ডলার। বিপরীতে ২০১৬ সালে আইভরি কোস্টের আয় হয় ৩৬ হাজার ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার। দেশ হিসেবে বিবেচনায় নিলে ইবেরদ্রোলা বিশ্বের ৯১তম সম্পদশালী দেশ হতো।

ফেসবুকের বার্ষিক আয় সার্বিয়ার জিডিপির চেয়ে বেশি

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ২০১৭ সালে যে পরিমাণ অর্থ আয় করেছে তা ইউরোপের দেশ সার্বিয়ার জিডিপির চেয়েও এক হাজার মিলিয়ন ডলার বেশি। ওই বছর ফেসবুকের আয় হয়েছিল ৩৯ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে ২০১৬ সালে সার্বিয়ার জিডিপির পরিমাণ ছিল ৩৮ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ডলার। যদি ফেসবুক একটি দেশ হতো, তাহলে তা বিশ্বের ৯০তম জিডিপির দেশ হতো।

রেপসলের জিডিপি লেবাননের চেয়ে বেশি

স্পেনের জ্বালানি প্রতিষ্ঠান রেপসলের ২০১৭ সালের আয় লেবাননের জিডিপির চেয়ে বেশি। ২০১৭ সালে রেপসলের আয় ৪৯ হাজার ৭৪৭ মিলিয়ন ডলার ছিল। একই সময় ২০১৬ সালে লেবাননের আয় হয়েছিল ৪৯ হাজার ৬১১ মিলিয়ন ডলার। রেপসল কোনও দেশের অর্থনীতির প্রতিনিধিত্ব করলে তা হতো বিশ্বের ৮১তম সম্পদশালী দেশ।

আয়ের দিক দিয়ে পুয়ের্তো রিকোকে পেছনে ফেলেছে অ্যালফাবেট

সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের প্যারেন্ট কোম্পানি অ্যাফাবেট ২০১৭ সালে যা আয় করেছে তা পুয়ের্তো রিকোর চেয়ে বেশি। ২০১৭ সালে অ্যালফাবেটের মোট আয় হয়েছিল এক লাখ ১০ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ডলার। বিপরীতে ২০১৬ সালে পুয়ের্তো রিকোর আয় হয়েছিল এক লাখ পাঁচ হাজার ৩৫ মিলিয়ন ডলার। গুগল একটি দেশ হলে, তা বিশ্বের ৫৯তম জিডিপির দেশ হতো।

আয়ে কুয়েতের চেয়ে এগিয়ে অ্যামাজন

ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন ২০১৭ সালে এক লাখ ১৭ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। বিপরীতে ২০১৬ সালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতের জিডিপি ছিল এক লাখ ১০ হাজার ৮৭৩ মিলিয়ন ডলার। দেশ হলে ৫৮তম অর্থনীতির দেশ হতো অ্যামাজন।

অ্যাপলের আয় পর্তুগালের চেয়ে বেশি

বিশ্ব বিখ্যাত আইফোনের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল ২০১৭ সালে পর্তুগালের চেয়ে বেশি আয় করেছে। ওই বছর তাদের আয় ছিল দুই লাখ ২৯ হাজার ২৩৪ মিলিয়ন ডলার। আর ২০১৬ সালে পর্তুগালের আয় হয়েছিল দুই লাখ পাঁচ হাজার ২৬৯ মিলিয়ন ডলার। যদি অ্যাপল একটি দেশ হতো, তাহলে এটি বিশ্বের ৪৭তম জিডিপির দেশ হতো।

চিলির অর্থনীতির চেয়ে বড় ভক্সওয়েগনের বার্ষিক আয়

জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভক্সওয়েগন ২০১৭ সালে আয় করেছে দুই লাখ ৭৬ হাজার ২৬৪ মিলিয়ন ডলার। যেখানে ২০১৬ সালে চিলির আয় হয়েছিল দুই লাখ ৫০ হাজার ৮ মিলিয়ন ডলার। কোনও একটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করলে ভক্সওয়েগন বিশ্বের ৪৩তম অর্থনীতির দেশ হতো।

বেলজিয়ামের চেয়ে বেশি আয় ওয়ালমার্টের

যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক রিটেইল করপোরেশন ওয়ালমার্ট ২০১৭ সালে যা আয় করেছে তা বেলজিয়ামের জিডিপির চেয়ে বেশি। ২০১৭ সালে ওয়ালমার্টের আয় হয়েছিল চার লাখ ৮৫ হাজার ৮৭৩ মিলিয়ন ডলার। আর ২০১৬ সালে বেলজিয়ামের জিডিপি ছিল চার ৬৮ হাজার ১৪৮ মিলিয়ন ডলার। ওয়ালমার্ট দেশ হলে এটি বিশ্বের ২৪তম জিডিপির দেশ হতো।

আরো পড়ুন:

এ/ এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়