• ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯, ৪ আষাঢ় ১৪২৬

কারা আয়কর দেবেন?

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১১:০৯
রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে শুরু হয়েছে আয়কর মেলা- ২০১৮। চলবে আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত। করযোগ্য সবাইকে এই সময়ের মধ্যে আয়কর পরিশোধ করতে হবে। অর্থবছর শেষে এই আয়কর দিতে হয়। অনেকে আয়কর জমা দিতে গিয়ে পড়েন বিপত্তিতে। রীতিমতো হিমশিমও খেতে হয়। তথ্যের অভাবে ভুল করে থাকে, নানা ঝামেলায়ও পড়ে। যারা নতুন আয়কর দিচ্ছে তাদের কিছু বিষয় জানতে হবে।

whirpool
আয়করের আওতায় পড়ে : আয়কর সম্পর্কে প্রথম জানতে হবে আয় কত, আর সেটি আয়করের আওতায় পড়ে কিনা। ইনকাম ট্যাক্স আইন অনুযায়ী সাত ধরনের আয়করের আওতায় পড়ে। যেমন—চাকরি থেকে পাওয়া বেতন, ব্যবসা থেকে আয়, বাড়িভাড়া, কোনো সম্পত্তি বিক্রি ও হস্তান্তরের ফলে প্রাপ্ত অর্থ, জামানতের সুদ (সঞ্চয়পত্র, বন্ড, ব্যাংকের সুদ ইত্যাদি), কৃষি হতে আয়। আর আছে অন্যান্য, যার মধ্যে পড়তে পারে অনেক কিছু।

আয় কত হলে কর দিতে হয় : একজন পুরুষের বার্ষিক আয় যদি আড়াই লাখ টাকা হয় তবে সেই পর্যন্ত কোনও আয়কর নেই। এর বেশি হলে আয়করের আওতায় পড়বে।

আর নারীদের জন্য বার্ষিক তিন লাখ টাকা পর্যন্ত কর মওকুফ। এর বেশি হলে তাকে আয়কর দিতে হবে। নারী-পুরুষ হিসেবে প্রথম আড়াই লাখ বা তিন লাখ টাকা বাদ দিয়ে পরবর্তী টাকার জন্য ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। আয় যত, করের হার তত বাড়তে থাকবে।

আয়কর রিটার্ন কী : প্রতিবছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ট্যাক্স রিটার্ন দিতে হবে। প্রতি অর্থবছরে এই সময়ের মধ্যে একটি ফরমে আপনার আয়, সম্পত্তি, আয়কর ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্য হালনাগাদ করা হয়। কারণ এ সম্পর্কিত তথ্য প্রতিবছর বদলে যেতে পারে। একবার টিন নম্বর নিয়ে নিলে সরকারকে জানিয়ে দিতে হবে আপনার বর্তমান অবস্থান। ট্যাক্স রিটার্ন না দিলে শাস্তির ব্যবস্থাও আছে।

তবে কর ছাড়ের সুবিধাও আছে: কোনও পুরষ বা নারী যখন আড়াই লাখ বা তিন লাখ টাকা বাদ দিয়ে কর হিসাব করবেন, দেখবেন একটা মোটা অংকের টাকা দাঁড়িয়েছে। এতে ভয় পেয়ে যাওয়ার দরকার নেই। কারণ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আছে কর ছাড়ের সুবিধাও।

আপনার যদি বিভিন্ন মেয়াদে সরকারি সঞ্চয়পত্র কেনা থাকে, শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করা থাকে, জীবন বীমা করা থাকে। এ রকম কিছু ক্ষেত্রে আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে কর মওকুফের সুবিধা পাবেন।

এসআর

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়