Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮

গরু বিক্রি না হলে লোকসানে পড়বেন খামারিরা (ভিডিও)

ছবি- আরটিভি নিউজ।

কোরবানির পশু বিক্রি করতে না পারার আশঙ্কায় দেশের বিভিন্ন জেলার খামারিরা। মহামারি করোনার কারণে আসন্ন ঈদুল আজহায় পশু বিক্রি ও ভালো দাম পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় তারা। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলছেন, ন্যায্য দামেই তাদের পশু বিক্রি করতে পারবেন খামারিরা।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর দয়ারামপুর গ্রামে রূপাই ডেইরি ফার্ম। প্রতি বছর কোরবানির ঈদকে টার্গেট করে কয়েকটি গরু মোটাতাজা করেন রমন চন্দ্র ঘোষ। এবার তার চারটি গরুর মধ্যে প্রধান আকর্ষণ ৩০ মণ ওজনের সূর্যকে নিয়ে। অতি যত্নে পরিবারের একজনের মতো করে লালন-পালন করা বিশালদেহী এই গরু বিক্রি নিয়ে এখন চরম দুশ্চিন্তায় সময় কাটছে তার।

রমন চন্দ্র বলেন, আগেও খরচ হয়েছে। এবার যদি বিক্রি করতে না পারি তাহলে আরও এক বছর অপেক্ষা করতে হবে। যা খরচ হবে সেটাই ক্ষতি হবে।

সারা দেশের কোরবানির পশুর একটা বড় অংশ আসে পাবনা থেকে। এ জেলায় গরুর গঠন ও আকৃতি সবসময়ই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করে। তবে সারা বছর ধার-দেনা করে গরু লালন-পালন করে এখন বিক্রি করতে না পারলে চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন জেলার ২১ হাজার খামারি।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দত্তাইল গ্রামের বেকার যুবক রনজু আহমেদ। মাস্টার্স পাসের পর সরকারি চাকরি না হওয়ায় শুরু করেন গরুর খামার। তার খামারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় গরু ‘শাহেন শাহ’। ৩০ মণ ওজনের ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি বিক্রি না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে এই খামারির।

তিনি বলেন, গরুটির ওজন ৩০ মণ। চার বছর ধরে লালন-পালন করেছি কিন্তু করোনার কারণে সঠিক মূল্য পাবো কিনা ঠিক নেই।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তারা জানান, করোনা ও লকডাউনের ফলে সীমান্ত বন্ধ থাকায় ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু আসার সম্ভাবনা নেই। তাই দেশীয় পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটাতে হবে।

পাবনার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আল মামুন মন্ডল বলেন, খামারিদের কষ্টে লালন-পালন করা গরু, তারা ন্যায্য মূল্য পাবে। তারা ক্ষতিগ্রস্তও হবে না।

কোরবানি ঈদে কবে হাট বসবে, এমন দুশ্চিন্তা খামারিদের কাটলেও কাটেনি হতাশা। তারপরও খামার মালিকরা পশুর ন্যায্য দাম পাবেন এমনটাই প্রত্যাশা তাদের।

এসআর/এম

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS