ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

এস এস এল কমার্জ চালু করলো বাংলা কিউআর (ভিডিও)

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২০, ১২:৫৬ পিএম

দেশের সর্ববৃহৎ পেমেন্ট গেটওয়ে এস এস এল কমার্জ চালু করলো বাংলা কিউআর। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় রাজধানীতে স্বপ্ন এর গুলশান ১ আউটলেট এবং বার্গার কিং এর বনানী আউটলেটে ক্রেতারা বাংলা কিউআর দিয়ে পেমেন্ট করে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন। স্বপ্ন আউটলেটে এস এস এল কমার্জ এর ডিরেক্টর এবং সিটিও জনাব মোহাম্মদ শাহজাদা রেদওয়ান স্মারক বাংলা কিউআর হস্তান্তর করেন স্বপ্ন এর অপারেশন্স ডিরেক্টর জনাব আবু নাসের এর কাছে। অপরদিকে বার্গার কিং এর আউটলেটে এস এস এল কমার্জ এর ডিজিএম জনাব ইফতেখার আলম ইসহাক স্মারক বাংলা কিউআর হস্তান্তর করেন বার্গার কিং এর রেস্টুরেন্ট অপারেশন্স জনাব তানভীর আখতারের কাছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন এস এস এল কমার্জ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, ভিসা এবং বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সম্মানিত অতিথিবৃন্দ।

ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় উদ্যোক্তা, রেস্টুরেন্ট, মুদির দোকান বা যে কোনো ধরণের খুচরা বিক্রেতা এবং নিম্ন, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত, সব রকমের ক্রেতাদের জন্য স্পর্শবিহীন এই আধুনিক পেমেন্ট সিস্টেম চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্রেতারা ক্যাশ অথবা কার্ড স্পর্শ না করে সহজ এবং সুবিধাজনকভাবে ডিজিটাল পেমেন্ট করতে পারবে। যেসব ব্যাংক তাদের মোবাইল অ্যাপে বাংলা কিউআর সংযোজন করেছে এবং ভিসা দ্বারা স্বীকৃত হয়েছে, সেসব

ব্যাংকের ভিসা কার্ড দিয়ে এখন থেকে ক্রেতারা বাংলা কিউআর স্ক্যান করে পেমেন্ট করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত দেশের জাতীয় কিউআর হচ্ছে বাংলা কিউআর। এর মাধ্যমে স্মার্টফোন দিয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করে ব্যাংকের অ্যাপের মাধ্যমে ক্রেতারা ডিজিটালি পেমেন্ট করতে পারবেন। এই লেনদেনে টাকা স্পর্শ করার কোন প্রয়োজন নেই, তাই এটিকে বলা হচ্ছে স্পর্শবিহীন প্রযুক্তি। করোনা মহামারির এই সময়ে স্পর্শবিহীন এই প্রযুক্তি গ্রাহকদেরকে স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখবে। এই পদ্ধতিতে লেনদেন হবে দ্রুত এবং সুরক্ষিত। বাংলা কিউআর -এর এই সুবিধা নিতে উদ্যোক্তা, দোকানদার বা খুচরা বিক্রেতাদের কোনো ধরণের মেশিন বা যন্ত্রের প্রয়োজন নেই। বাংলা কিউআর -এর মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহণের সাথে সাথে দোকানদার বা ক্যাশিয়ারের মোবাইলে পেমেন্ট কনফার্মেশনের এসএমএস চলে আসবে এবং একটি মার্চেন্ট অ্যাপের মাধ্যমে দোকানের মালিক তার দিনের সকল লেনদেন দেখতে পারবেন। এই অ্যাপে উদ্যোক্তা, দোকানদার বা খুচরা বিক্রেতাদের জন্য থাকবে আরো অনেক ধরনের সেবা গ্রহণের সুবিধা যেমন ডিজিটাল হালখাতা, ডিজিটাল সেবা বিক্রয়, এবং সরবরাহকারী, পাইকারি বা পরিবেশকের পেমেন্ট, ইত্যাদি।

বাংলা কিউআর চালুর বিষয়ে এস এস এল কমার্জ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আজ বাংলা কিউআর চালুর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় উম্মোচন করলাম, সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রয়াস সফল করার লক্ষ্যে এটি একটি বড় পদক্ষেপ। আমি বিশ্বাস করি কিউআর পেমেন্টেস আমাদেরকে ক্যাশলেস ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবে যেখানে রাস্তার পাশের চায়ের দোকানের বিলও কিউআর ব্যবহার করে পেমেন্ট করা যাবে। এ ধরণের যুগান্তকারী উদ্যোগে ইস্টার্ন ব্যাংক এবং ভিসাকে সহযোগী হিসেবে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা ও দিকনির্দেশনায় ভবিষ্যতে আমরা এ ধরণের আরও নতুন পেমেন্ট টেকনোলজি নিয়ে আসবো যা সারা দেশের লাখ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্যবসায় এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।’

এক যুগ ধরে এস এস এল কমার্জ বাংলাদেশের অনলাইন পেমেন্ট এবং ই-কমার্স খাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে এবং মার্চেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে সুনামের সাথে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সব উদ্যোক্তা এবং মার্চেন্টদেরকে ডিজিটাল পেমেন্ট সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। এস এস এল কমার্জ প্ল্যাটফর্ম পিসিআই ডিএসএস সার্টিফায়েড এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) হিসেবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত। পিসিআই ডিএসএস ব্যাংক ও আর্থিক

প্রতিষ্ঠানগুলোর ডাটা সিকিউরিটির জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কমপ্লায়েন্স সার্টিফিকেশন। অনলাইন পেমেন্টকে শক্তিশালী করার জন্য কার্ডের তথ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং ব্যবহারের জন্য গ্রাহকের কার্ডের তথ্যের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এই সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে।

ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এর হেড অব কার্ডস অ্যান্ড ডিজিটাল ব্যাংকিং, জনাব আহসান উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুসরণ করে বাংলা কিউআর এর আনুষ্ঠানিক যাত্রার অংশ হতে পেরে ইবিএল গর্বিত। ইবিএল এর গ্রাহকরা স্কাইব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে কিউআর কোডের মাধ্যমে বিভিন্ন মার্চেন্টকে পেমেন্ট করতে পারবেন। আমার বিশ্বাস গ্রাহক এবং মার্চেন্ট সবার জন্যই বাংলা কিউআর হয়ে উঠবে অত্যন্ত সহজ, নিরাপদ এবং আধুনিক পেমেন্ট প্রক্রিয়া। আধুনিক ব্যাংকিংয়ের সাথে ইবিএল সবসময় রয়েছে এবং আগামীতেও আমরা তা অব্যাহত রাখবো।’

ভিসা এর হেড অব মার্চেন্ট সেলস অ্যান্ড সলিউশন্স, ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়া, জনাব সাইলেশ পাল বলেন, ‘গ্রাহকরা তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার খাতিরে স্পর্শহীন পেমেন্ট পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে। কিউআর পেমেন্টস মার্চেন্টদের জন্য অত্যন্ত কম খরচের একটি পেমেন্ট সমাধান, যার মাধ্যমে ক্রেতারা দোকানে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে পেমেন্ট করতে পারবেন। বাংলা কিউআর এর সূচনার এই যাত্রায় এসএসএলকমার্জকে সহযোগী হিসেবে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত, এর মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের মার্চেন্টরা, ভিসা গ্রাহকদের কাছ থেকে খুব সহজে পেমেন্টস গ্রহণ করতে পারবেন।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের জয়েন্ট ডিরেক্টর জনাব মোহাম্মদ আখলাসউদ্দিন বলেন, ‘বাংলা কিউআর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করার জন্য এসএসএলকমার্জ, ভিসা এবং ইবিএল-কে ধন্যবাদ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলছে। অর্থনৈতিক খাতে ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে বাংলা কিউআর অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। স্পর্শবিহীন এই কিউআর ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম অচিরেই বাংলাদেশের ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে আমি আশা করি।’

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
নতুন বছরের নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোনো কোম্পানির শেয়ার পেতে আর লটারির দরকার হবে না। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার। তবে সেক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের আগে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর বাজারমূল্যে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে তথা সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানিয়েছে, আইপিওতে বিদ্যমান লটারির পরিবর্তে আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হবে। ধরা যাক, একজন বিনিয়োগকারী কোনো একটি কোম্পানির আইপিও শেয়ারের জন্য আবেদন করবেন। প্রথমত, ওই বিনিয়োগকারীর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে অর্থাৎ সেকেন্ডারি বাজারে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, আইপিও আবেদনের জন্য একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক ২০, ৩০, ৪০ হাজার টাকা করে চাঁদা জমা দিতে হবে। যেহেতু লটারি পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে সেহেতু সব আবেদনকারী তার আবেদনের ভিত্তিতে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এমকে
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
বছরের শেষ দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দুই দিন দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেন বন্ধ থাকবে। এ তিনদিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও কোন লেনদেন হবে না। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ছিল চলতি বছরে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেনের শেষ কার্যদিবস। তবে এ সময় গ্রাহক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) থেকে কার্ড দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন। ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডে এবং ২০২১ সালের ১ ও ২ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। ছুটির কারণে এ তিন দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে ৩১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত হিসাবের জন্য ব্যাংকগুলো খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরের শেষদিন ব্যাংক হলিডে থাকে। ওইদিন ব্যাংকগুলোর বার্ষিক হিসাব সম্পাদনের জন্য খোলা রাখা হলেও লেনদেন বন্ধ থাকে।  জিএম
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার।  তবে আজ ব্যাংক বন্ধ। ফলে পে অর্ডার বা কর পরিশোধের কোনো কাজ করা যাবে না। অবশ্য গত মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় করদাতারা যেন বুধবারই আয়করসংক্রান্ত কার্যক্রম সেরে ফেলেন।  করোনার জন্য এবার বিশেষ বিবেচনায় এক মাস সময় বাড়ানো হয়েছে। সেই সময়ও শেষ হচ্ছে আজ। বর্তমান আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতিবছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক।   এবার অনলাইনে রিটার্ন জমার সুযোগ না থাকায় সবাইকে কর কার্যালয়ে নিজে গিয়ে বা কর আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে হয়ে। অনলাইনে কর দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন শুধু কর অঞ্চল-৬–এর করদাতারা। এসএস
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেটের যাত্রা শুরু হলো ঢাকার লালবাগে। এটি ৫০ লালবাগ রোডে (লালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের বিপরীতে) অবস্থিত। ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় নতুন এ আউটলেটের উদ্বোধন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘স্বপ্ন’র রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের ডিরেক্টর সামসুদ্দোহা শিমুল, ‘স্বপ্ন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান, ব্যবসায়ী শামিমা হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নানসহ অনেকে। ‘স্বপ্ন’ এর রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের পরিচালক সামসুদ্দোহা শিমুল বলেন, আমরা আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ পরিবেশে বাজার করার জন্য লালবাগের মানুষ স্বপ্ন’তে নিয়মিত বাজার করবেন। স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পণ্য রাখা হয়েছে, আমাদের আউটেলেটে। আমরা তাদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং মূল্যায়নও আশা করব। গ্রাহকের চাহিদা ও সন্তুষ্টিকে সবসময় অগ্রাধিকার দেয় স্বপ্ন। এ ছাড়া গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ হোম ডেলিভারি সেবা। হোম ডেলিভারি নম্বর ০১৬৩০-৫১৩৮১৭। এম
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
করোনাভাইরাস মহামারীতেও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৪৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিসেম্বর মাসের ২৯ দিনে ১শ’ ৯১ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর এর ওপর ভর করেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার বা ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বেড়েছে। আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম ক‌রে‌ছে, যা আমা‌দের অর্থনৈতিক সক্ষমতার অন্যতম মাইলফলক। নতুন এক‌টি বছরের শুরু‌তে অবশ্যই জাতির জন্য এটি সুখকর ঘটনা। অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ এর মধ্যেও রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।’ বিষয়টিকে সরকারের ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে এ অর্জনের জন্য প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ লগ্নে দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত ১৫ ডিসেম্বর এ রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ডে উন্নীত হয়েছিল। এফএ
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে