ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান মোরশেদ আলমকে নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনে নিবন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২০, ১২:০১ এএম

বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি অংশ যদি এই দেশের বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে চিহ্নিত করে তবে সেটা নিশ্চিতভাবেই প্লাস্টিক শিল্প। বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ) জানিয়েছে, এই খাতটি বছরে প্রায় ২০ শতাংশ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ২০১৭ সাল নাগাদ এই খাতের পরিধি দাঁড়ায় প্রায় ৩০০ কোটি ডলার। স্থানীয় পর্যায়ে বর্তমানে প্রতি ব্যক্তি গড়ে ২ কেজি প্লাস্টিক কনজিউম করে। যেটা ভারতে ৬ কেজি এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে প্রায় ৪০ কেজি।

আন্তর্জাতিকভাবে ফিল্ম প্লাস্টিক, গৃহস্থালীর আইটেম এবং গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিসের রপ্তানি উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, চীন, ভারত ও নেপালে প্রতি বছর ৩১ শতাংশ করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে বৈশ্বিক প্লাস্টিকের ৫৪৬ বিলিয়ন মার্কেটের মাত্র ০.৬ শতাংশ বাংলাদেশের দখলে। তবে বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা মোরশেদ আলম এমপি এবং এই খাতে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব তার দক্ষতা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই শিল্পের পাশাপাশি পুরো অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়ার মিশনে নেমেছেন।

ভাড়া করা একটি দোকানে সিঙ্গল হ্যান্ড-ড্রিভেন মোল্ডিং মেশিন দিয়ে ১৯৬৯ সালে এই মিশন শুরু করেন তিনি। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে উন্নতি করতে থাকে তার প্রতিষ্ঠান। তার প্রতিষ্ঠান ক্লোথ হ্যাঙ্গার, প্যাকেজিং, হাউজওয়্যার এবং হোম ফার্নিশিংসহ বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক পণ্য তৈরি করে। এছাড়া নির্মাণ, ইলেকট্রনিকস, ফুড প্রোসেসিং, জ্বালানি, হসপিটালিটি এবং গণমাধ্যম শিল্পেও (বেঙ্গল মিডিয়া করপোরেশন লিমিটেড, আরটিভি) সক্রিয় রয়েছে বেঙ্গল গ্রুপ।

সবশেষ ২০১৮ সালে বেঙ্গল সিমেন্ট বাজারে আনে প্রতিষ্ঠানটি। এটি বাজারে ভালো সাড়া ফেলেছে এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য উন্নতমানের সিমেন্ট তৈরি করছে তারা। এশিয়ার বিভিন্ন স্থান থেকে বিশ্বমানের কাঁচামাল সংগ্রহের কৌশলের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। প্রতি বছর ১.৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন উন্নতমানের সিমেন্ট উৎপাদন করতে পারে বেঙ্গল সিমেন্ট।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কাজের ক্ষেত্রও বদলে ফেলেছেন মোরশেদ আলম। ১৯৯৯ সালে তিনি ২০ একর জমির ওপর ১২০,০০০ স্কয়ারফিট প্রোডাকশন ফ্যাসিলিটিতে ৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেন। ওই প্রোডাকশন ফ্যাসিলিটিতে বেশ কয়েকটি স্টেট-অব-দ্য আর্ট ইনজেকশন মডিউল মেশিন, ফিল্ম এক্সট্রুডার মেশিন এবং প্রিন্টিং ও ক্লথ হ্যাঙ্গার, পলিব্যাগ, প্যাকেজিং টেপ ও স্ট্র্যাপিং তৈরির জন্য কনভার্টিং মেশিন রয়েছে। পরের বছর তিনি একটি চীনা প্লাস্টিকের কারখানাও অ্যাকুইয়ার করেন এবং এর সঙ্গে আরও ১২টি ইঞ্জেকশন মোল্ডিং মেশিনও কেনেন।

এখন গ্রুপটির অধীনস্থ কোম্পানিগুলো বিস্কুট থেকে শুরু করে কাপড় এবং ওভেনের বস্তার পাশাপাশি প্লাস্টিকের পণ্য তৈরি করে থাকে। মোরশেদ আলম বলেন, আমরা কঠোর পরিশ্রম, আত্মত্যাগ এবং ধৈর্যের মাধ্যমে এই অবস্থানে পৌঁছেছি। আমি কখনও মান নিয়ে কম্প্রোমাইজ করি না।

অন্যান্য অনেকের মতো, বেঙ্গল গ্রুপও তাদের পণ্য পরিবেশের ওপর কী প্রভাব ফেলে তা নিয়ে চাপে রয়েছে। তবে দাতব্য খাতের কিছু সংস্থা বলছে, প্লাস্টিকের বালতিতে পানি বহন করতে পারাটা অনেক দারিদ্র্যপীড়িত সম্প্রদায়ের জন্য পুরস্কার স্বরূপ।

সেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া মোরশেদ আলম বলেন, প্লাস্টিক বায়োগ্রেড না হওয়া নিয়ে প্রচুর সমস্যা আছে এবং ইউরোপ বা আমেরিকায় রপ্তানি করতে চাইলে অনেক বিধিনিষেধও মেনে চলতে হয়। আমরা আমাদের সব পণ্য কঠোরভাবে পরীক্ষা করি এবং আমরা টেকসই জিনিস বিক্রি করার চেষ্টা করি। এ কারণেই আমরা সফল রপ্তানিকারক।

যদিও অদূর ভবিষ্যতে গ্রুপটির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে প্লাস্টিকই থাকবে বলে মনে হচ্ছে, মোরশেদ আলম টাকা ব্যয় করতে এবং যেখানে চাহিদা আছে সেখানে ব্যবসার সুযোগ সন্ধানে প্রস্তুত রয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, দুই বছর আগে তিনি বাংলাদেশের রাজধানীতে একটি ৩৫০ কক্ষ বিশিষ্ট হোটেল নির্মাণের জন্য সুইসটেল গ্রুপের সঙ্গে একটি চুক্তি করেন। আন্তর্জাতিক ফিনান্স করপোরেশন ও নেদারল্যান্ডস ডেভলপমেন্ট ফিনান্স সংস্থার ঋণের অর্থায়নে নির্মিতব্য সুইসটেল ঢাকার রুমের আকার হবে সর্বনিম্ন ৩৮ স্কয়ার মিটার এবং অতিথিদের জন্য ছয় রেস্তোঁরা ও বার, সেই সঙ্গে ৯৫০ স্কয়ার মিটার ইভেন্ট স্পেস ও একটি স্পা থাকবে। এটি ২০২১ সালে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যদি মোরশেদ আলম এ জাতীয় প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে যান, তবে এটি একটি নিশ্চিত লক্ষণ যে ঢাকা একটি আঞ্চলিক ব্যবসায়িক কেন্দ্র হয়ে উঠছে। যদি কেউ এই হোটেলে থাকতে চান তাহলে তিনি এই ভেবে আত্মবিশ্বাসী হতে পারবেন যে, নকশা ও সুযোগ-সুবিধায় কোনও কমতি রাখেননি মোরশেদ আলম।

তিনি বলেন, আমরা ক্রেতামুখী কোম্পানি। আমরা পণ্য বিক্রি করি না, আমরা সমাধান বিক্রি করি। আমরা আপনাকে আপনার অর্থের মূল্য দিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
এ/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
নতুন বছরের নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোনো কোম্পানির শেয়ার পেতে আর লটারির দরকার হবে না। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার। তবে সেক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের আগে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর বাজারমূল্যে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে তথা সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানিয়েছে, আইপিওতে বিদ্যমান লটারির পরিবর্তে আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হবে। ধরা যাক, একজন বিনিয়োগকারী কোনো একটি কোম্পানির আইপিও শেয়ারের জন্য আবেদন করবেন। প্রথমত, ওই বিনিয়োগকারীর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে অর্থাৎ সেকেন্ডারি বাজারে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, আইপিও আবেদনের জন্য একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক ২০, ৩০, ৪০ হাজার টাকা করে চাঁদা জমা দিতে হবে। যেহেতু লটারি পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে সেহেতু সব আবেদনকারী তার আবেদনের ভিত্তিতে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এমকে
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
বছরের শেষ দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দুই দিন দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেন বন্ধ থাকবে। এ তিনদিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও কোন লেনদেন হবে না। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ছিল চলতি বছরে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেনের শেষ কার্যদিবস। তবে এ সময় গ্রাহক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) থেকে কার্ড দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন। ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডে এবং ২০২১ সালের ১ ও ২ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। ছুটির কারণে এ তিন দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে ৩১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত হিসাবের জন্য ব্যাংকগুলো খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরের শেষদিন ব্যাংক হলিডে থাকে। ওইদিন ব্যাংকগুলোর বার্ষিক হিসাব সম্পাদনের জন্য খোলা রাখা হলেও লেনদেন বন্ধ থাকে।  জিএম
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার।  তবে আজ ব্যাংক বন্ধ। ফলে পে অর্ডার বা কর পরিশোধের কোনো কাজ করা যাবে না। অবশ্য গত মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় করদাতারা যেন বুধবারই আয়করসংক্রান্ত কার্যক্রম সেরে ফেলেন।  করোনার জন্য এবার বিশেষ বিবেচনায় এক মাস সময় বাড়ানো হয়েছে। সেই সময়ও শেষ হচ্ছে আজ। বর্তমান আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতিবছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক।   এবার অনলাইনে রিটার্ন জমার সুযোগ না থাকায় সবাইকে কর কার্যালয়ে নিজে গিয়ে বা কর আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে হয়ে। অনলাইনে কর দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন শুধু কর অঞ্চল-৬–এর করদাতারা। এসএস
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেটের যাত্রা শুরু হলো ঢাকার লালবাগে। এটি ৫০ লালবাগ রোডে (লালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের বিপরীতে) অবস্থিত। ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় নতুন এ আউটলেটের উদ্বোধন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘স্বপ্ন’র রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের ডিরেক্টর সামসুদ্দোহা শিমুল, ‘স্বপ্ন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান, ব্যবসায়ী শামিমা হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নানসহ অনেকে। ‘স্বপ্ন’ এর রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের পরিচালক সামসুদ্দোহা শিমুল বলেন, আমরা আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ পরিবেশে বাজার করার জন্য লালবাগের মানুষ স্বপ্ন’তে নিয়মিত বাজার করবেন। স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পণ্য রাখা হয়েছে, আমাদের আউটেলেটে। আমরা তাদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং মূল্যায়নও আশা করব। গ্রাহকের চাহিদা ও সন্তুষ্টিকে সবসময় অগ্রাধিকার দেয় স্বপ্ন। এ ছাড়া গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ হোম ডেলিভারি সেবা। হোম ডেলিভারি নম্বর ০১৬৩০-৫১৩৮১৭। এম
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
করোনাভাইরাস মহামারীতেও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৪৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিসেম্বর মাসের ২৯ দিনে ১শ’ ৯১ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর এর ওপর ভর করেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার বা ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বেড়েছে। আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম ক‌রে‌ছে, যা আমা‌দের অর্থনৈতিক সক্ষমতার অন্যতম মাইলফলক। নতুন এক‌টি বছরের শুরু‌তে অবশ্যই জাতির জন্য এটি সুখকর ঘটনা। অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ এর মধ্যেও রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।’ বিষয়টিকে সরকারের ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে এ অর্জনের জন্য প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ লগ্নে দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত ১৫ ডিসেম্বর এ রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ডে উন্নীত হয়েছিল। এফএ
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
আরও পড়ুন
ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্সের চেয়ারম্যান হলেন মোরশেদ আলম
৯০ লাখ ডলারের সৌর বিদ্যুৎ পাম্পের প্রজেক্ট পেল পাওয়ার ইউটিলিটি বাংলাদেশ
বেঙ্গল সিমেন্ট একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে: আলহাজ্ব মোরশেদ আলম
বেঙ্গল গ্রুপের ডিরেক্টর ও চেয়ারম্যানের নামে প্রতারণা, থানায় জিডি