Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২ আশ্বিন ১৪২৮

করোনা উপসর্গে চার ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী- স্ত্রীর মৃত্যু

করোনা উপসর্গে চার ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী- স্ত্রীর মৃত্যু

মসজিদে স্বামীর জানাযার প্রস্তুতি চলছিল। ঠিক ওই মুহুর্তে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন স্ত্রীও। ঘটনাটি ঘটে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের হাসান ফাতেমাপুর গ্রামে। করোনা উপসর্গ নিয়ে স্বামী মারা যাওয়ার মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয় স্ত্রীরও। স্বামী-স্ত্রীর এমন মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মারা যাওয়া দম্পতি হলেন, উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের হাসান ফাতেমাপুর গ্রামের ছামির আলী (৭৫) ও তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৬৫)। স্ত্রীর মৃত্যুর সময় স্বামীর জানাযার নামাজের প্রস্তুতি চলছিল। এমন সময়ে প্রয়াতের স্ত্রীরও মৃত্যু ঘটে।

স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্র জানায়, জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের হাসান ফাতেমাপুর গ্রামের ছামির আলী (৭৫) ও তার পরিবারে লোকজন গত এক সপ্তাহ ধরে করোনা উপসর্গে ভূগছিলেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা পরীক্ষা না করেই স্থানীয় ঔষধের দোকান থেকে প্যারাসিটামলসহ নানা ঔষধ সেবন করছিলেন তাঁরা। করোনা উপসর্গের বিষয়টি গোপন রেখে জ্বর নিয়েই তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে করোনার টিকাও গ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) দুপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে বাড়িতেই মারা যান ছামির আলী। ওই দিন বিকেল সাড়ে ৫ টায় গ্রামের মসজিদে তাঁর জানাযার নামাজের সময় ঠিক করা হয়। জানাযার প্রস্তুতি চলাকালে বিকেল ৫ টায় মারা যান ছামির আলীর স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৬৫)। বিকেলে গ্রামের মসজিদে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে ছামির আলীকে দাফন করা হয়। তাঁর দাফনের পর পর পারিবারিক কবরস্থানে বাদ এশা জানাজার নামাজ শেষে স্ত্রী আনোয়ার বেগমের লাশ দাফন অনুষ্ঠিত হয়। মারা যাওয়া ছামির আলী ও আনোয়ারা বেগম দম্পতির চার ছেলে দুই মেয়ে। তাদের মধ্যে তিন ছেলে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। তবে বাড়িতে থাকা ছেলে, পুত্রবধূ ও অন্য সদস্যরাও করোনা উপসর্গে ভূগছেন বলে জানা গেছে।

জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মধুসুধন ধর বলেন, ‘করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া হাসান ফাতেমাপুর গ্রামের ছামির আলীর পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।’

এমএন

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS