Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১, ১৪ কার্তিক ১৪২৮

নীলফামারী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ১২ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৩৬

যেসব কারণে বিপাকে পড়লেন খামারিরা

গরুল খামার: ফাইল ছবি

করোনা মহামারিতে অনেকে বেসরকারি চাকরি হারিয়ে গরুর খামার দিলেও গোখাদ্য ও ওষুধের দাম বাড়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারিরা। অস্বাভাবিক গোখাদ্যের দাম বাড়ায় গরু মোটাতাজাকরণ কমিয়ে দিয়েছেন।

অনেকে গরু মোটাতাজাকরণ না করে এক হাটে গরু কিনে আরেক হাটে বিক্রি করছেন। এতে মাংসের বাজারে প্রভাব পড়েছে।

সৈয়দপুর বাঁশবাড়ি এলাকার বাসিন্দা লিয়াকত আলী দীর্ঘ ১৫ বছর ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। গত বছর করোনা সংক্রমণের সময়ে চাকরি হারান। পরে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে এসে ৫টি গরু ও ৬ ছাগল কিনে নিজের জীবন-যাত্রা শুরু করেন। কিন্তু এখন সেখানেও লোকসানের আভাস দেখছেন লিয়াকত আলী। তিনি বলেন, দিনে দিনে যেভাবে গরুর খাদ্য ও ওষুধের দাম বেড়েছে এতে গরুর খামার টিকে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

নীলফামারীর সৈয়দপুর প্রাণি সম্পদ কার্যালয় সূত্র জানায়, উপজেলায় গরু মোটাতাজাকরণ খামার ২৭৮টি। এর মধ্যে নিবন্ধিত খামার ৭৪টি। বর্তমানে গোখাদ্য ও ওষুধের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ায় খামারিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ফলে অনেক খামারি গরু লালন-পালন কমিয়ে দিয়েছেন।

সৈয়দপুরের বাঁশবাড়িতে অবস্থিত মেসার্স ইউসুফ ডেইরী ফার্ম ও হৃষ্টপুষ্ট খামারের স্বত্বাধিকারী জামিল আশরাফ মিন্টু বলেন, খামারে প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণে চালের খুদ, খেসারি, মসুর ডাল, খড়, চোকর প্রয়োজন হয়। এখন গরুর খাদ্যের দাম দ্বিগুণ ও দেড়গুণ বেড়েছে। ফলে খামারে ২০০ গরুর স্থলে মাত্র ৫০টি গরু রয়েছে।

শহরের তামান্না মোড়ের পাইকারি ও খুচরা পশু খাদ্য বিক্রেতা মাকসুদ অ্যান্ড সন্সের মালিক মাহমুদ আলী বলেন, প্রতিটি পশু খাদ্যের বস্তায় ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা বেড়েছে। ফলে দোকানে পশু খাদ্য ও ওষুধের বেচাকেনা কমেছে।

সৈয়দপুর উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল হক জানান, গরুর খাদ্য ও ওষুধের দাম বাড়ায় এরই মধ্যে অনেকে খামার বন্ধ করে দিয়েছেন। গাভির খামার থাকলেও দুধের দাম কম হওয়ায় সমন্বয় করতে পারছেন না খামারিরা।

এফএ

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS