রংপুর মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার

প্রকাশ | ২৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:১৮ | আপডেট: ২৬ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:১০

রংপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের কর্মবিরতি প্রত্যাহার

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। গত বৃহস্পতিবার রাতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনায় কর্মবিরতিতে যান ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

আজ শুক্রবার (২৫ ডিসেম্বর) বাকবিতণ্ডার ঘটনার সমাধান আসায় সন্ধ্যা ৭টা থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার নিয়েছেন বলে আরটিভি নিউজকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. রুস্তম আলী। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় এমপি রাহগির আল মাহি এরশাদ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের দাবি জানালে আজ সন্ধ্যা ৭টার দিকে চিকিৎসকরা তা প্রত্যাহার করে নেন।  

হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন জানান, রোগীর ছাড়পত্রে স্বাক্ষর করা নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে কর্মচারীর বাকবিতণ্ডার জের ধরে কর্মবিরতিতে যান ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। এতে হাসপাতালে আসা রোগীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ ও কর্মচারী ইউনিয়ন সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের কাছে গিয়ে ছাড়পত্র দিয়ে স্বাক্ষর চাইলে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ব্যস্ততার কথা জানান। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে গতকাল রাত থেকে হৃদরোগ বিভাগের ক্ষুব্ধ ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কর্মবিরতির ডাক দেন। পরে আজ সকাল থেকে অন্য ওয়ার্ডের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরাও এ কর্মসূচিতে যোগ দেন। তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে ডাকা এই ধর্মঘট দুর্ভোগ বাড়িয়েছে রোগীদের। 

ধর্মঘটের বিষয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. সানাউল হুদা বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা প্রায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। কিন্তু গতকাল রাতে একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেছে। এজন্য বাধ্য হয়ে এই কর্মবিরতির ডাক দিয়েছি। 

অন্যদিকে কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মশিউর রহমান বলেন, রোগীর ছাড়পত্রে স্বাক্ষর নিয়ে কর্মচারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে তেমন কিছু বলেননি।

এফএ/পি