Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

মুকুল শূন্য লিচু গাছ, লোকসানের শঙ্কায় চাষিরা

মুকুল শূন্য লিচু গাছ, লোকসানের শঙ্কায় চাষিরা
মুকুল শূন্য লিচু গাছ, লোকসানের শঙ্কায় চাষিরা

লিচুর রাজধানী হিসেবে খ্যাত উত্তরের জেলা পাবনার ঈশ্বরদীতে এবার লিচুর ফলনে বিপর্যয়ের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। মাত্র ২০ ভাগ গাছে মুকুল দেখা গেলেও বেশিরভাগ গাছই মুকুল শূন্য। কৃষকরা বলছেন, প্রতিবছরের মতো এবারও গাছের পরিচর্যা করেছেন কিন্তু কেন পর্যাপ্ত মুকুল আসেনি তা নিয়ে চিন্তার শেষ নেই তাদের। এতে উৎপাদন খরচ না ওঠায় লোকসানে পড়বেন তারা।

কৃষি বিভাগ বলছে, এবছর হঠাৎ করে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে লিচু গাছে কাঙ্ক্ষিত মুকুল আসেনি। ফলনও হবে অনেক কম।

পাবনার ঈশ্বরদীতে উপজেলার ছলিমপুর, মানিকনগর, জয়নগর, মিরকামারি, আওতাপাড়া, বাঁশেরবাধা, সদর উপজেলার চকউগ্রগড়, জোয়ারদহ, হামিদপুর, জয়কৃষ্ণপুর, উগ্রগড়, ম্যেগ্রাম, আটঘরিয়া উপজেলার গোপালপুর, ত্রিমোহন, পরানপুর, হিদাশকোল, চাচকিয়া, ষাটগাছা, ডেঙ্গারগ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামে ঢুকলেই চোখে পড়বে সারিসারি এমন লিচুর বাগান। এবছর শুধুমাত্র ঈশ্বরদীতে ৩ হাজার ১শ’ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২০ হাজার মেট্টিক টন। সারাদেশের লিচুর চাহিদার একটি বড় যোগান আসে এখান থেকে।

প্রতিবছর ৫ থেকে ৬শ’ কোটি টাকার লিচু বিক্রি হয় এখানে। প্রতিবছর লিচুর বাম্পার ফলন হলেও এবার দেখা দিয়েছে বিপরীত চিত্র। গাছগুলোতে দেখা মিলছে না পর্যাপ্ত মুকুল। এতে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা ঘিরে ধরেছে চাষিদের। যে পরিমাণ মুকুল এসেছে তাতে উৎপাদন খরচ না ওঠায় লোকসানে পড়তে হবে বলে মনে করছেন তারা।

লিচু চাষি মিজান হুজুর, আজিজল মল্লিক, আলম শেখ, মুন্না সরদার, আয়েজ উদ্দিন জানান, লিচুর বাগান করে এবার চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। অন্য আবাদ না করে লিচু বাগান বানিয়ে অনেকেই লোকসানে পরছেন। হাজার হাজার টাকার সার বিষ দিয়েও বাগানে মুকুল না আসায় তারা লোকসানে পরেছেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ বছর জানুয়ারিতে হঠাৎ করেই শীত কমে গরম পড়ে যাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত মুকুল বের হয়নি। এটি প্রাকৃতিক কারণ। এখানে কৃষক বা কৃষি বিভাগের কিছু করার নেই।

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS