Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১ আষাঢ় ১৪২৮

গোপনে তালাক দিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে রাত্রিযাপন, ধরা পড়ার চাঞ্চল্যকর কাহিনী

অভিযুক্ত ফরিদ মিয়া

ফরিদ মিয়া প্রায় দুই বছর আগে দুই লাখ টাকা যৌতুক নিয়ে নিজ গ্রামেই বিয়ে করেন। এর মধ্যে বেশ কয়েকবার আরও যৌতুক আদায় করেছেন। সর্বশেষ বিদেশ যাওয়ার কথা বলে শ্বশুর বাড়ি আরও দুই লাখ টাকা দাবি করেন ফরিদ। কিন্তু শ্বশুর বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ১১ দিন আগে গোপনে কাজী অফিসে স্ত্রীকে তালাক দেন। আর এই তালাকের কথা স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানতেন না।

বুধবার (২ জুন) ফরিদ মিয়া শ্বশুর বাড়ি বেড়াতে যান। স্ত্রীর সঙ্গে রাত কাটানোর পর কিছু টাকা নেয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। বৃহস্পতিবার জামাই ফরিদকে আপ্যায়নের সময় বাড়িতে হাজির হয় পিয়ন। পিয়নের কাছ থেকে খাম নিয়ে তা খোলার পর দেখতে পান তালাকের নোটিশ। এতে ফরিদের শ্বশুরবাড়ির লোকজন সবাই অবাক হয়। পরে তাকে বেঁধে পুলিশের কাছে তুলে দেয়া হয়।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের সিংদই গ্রামে ঘটেছে এ ঘটনা। এই ঘটনায় প্রতারণা করে শারীরিক সম্পর্ককে ধর্ষণ উল্লেখ করে নান্দাইল মডেল থানায় ফরিদ মিয়ার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা করেছে তার স্ত্রী।

শুক্রবার (৪ জুন) পুলিশ ফরিদ মিয়াকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে।

ফরিদের স্ত্রী জানিয়েছেন, দুই লাখ টাকা চেয়ে গত ১০ মে জোর করে বাবার বাড়ি পাঠানো হয় তাকে। এরপর গত বুধবার রাতে ফরিদ তাদের বাড়ি আসে এবং রাতে স্বামী-স্ত্রীর মতো একত্রে রাত কাটায়। কিন্তু পরদিন তালাকের নোটিশ পেয়ে জানতে পারেন ফরিদ মিয়া তাকে ২৩ মে তালাক দিয়েছেন।

নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আকন্দ জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় এজাহার দেয়ার পর তা মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS