Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮

সরকারি খাল এখন ব্যক্তি মালিকানার জমি (ভিডিও)

ছবি- আরটিভি নিউজ।

সরকারি খাল এখন ব্যক্তি মালিকানার জমি। বাড়ি করে সিটি করপোরেশন থেকে হোল্ডিং নম্বরও নেয়া হয়েছে। উচ্ছেদ করতে আসলেই নানা জটিলতায় থেমে যায় অভিযান। বহাল তবিয়তে থাকেন দখলদার। এমনিভাবে পার হচ্ছে বছরের পর বছর। অথচ জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি পোহাচ্ছে ঢাকার ইব্রাহিমপুর-কাফরুলবাসী।

রাজধানীর ইব্রাহিমপুরের খালটি দখলমুক্ত করতে সরকারি লোকজন এলে এমন নানা যুক্তিই দেখান আলম সাহেব। বোঝানোর চেষ্টা করেন তার দালানটি সরকারি খালের ওপর নয় বরং নিজের জায়গাতেই করা হয়েছে। অথচ স্থানীয় কয়েকজন জানালেন খালটি বিলীন হওয়ার পেছনে এদের মতো আরও অনেকেরই ভূমিকা আছে।

স্থানীয় একজন বলেন, প্রথমে এত পানি দেখিনি, এখন পানি বাড়তেছে। প্রতি বাড়ি পানি, আমার বাড়িও পানি। প্রতি বছরই বৃষ্টির সময় এমন হয়।

অন্য একজন বলেন, বৃষ্টির পানিতে এখানে তলিয়ে যায়। ভেতরে কাপড়ের রোলসহ অন্যান্য যা থাকে সবই ভিজে যায়।

কীভাবে সরকারি খাল ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ড হলো? কারা, কীভাবে ধীরে ধীরে তা সিটি জরিপে ব্যক্তি মালিকানায় নাম ওঠাতে সহায়তা করল ভূমি রেকর্ড অফিস তা জানলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না।

স্থানীয় একজন বলেন, ১০/২০ বছর আগের যে প্রকৃত খালের ম্যাপ, সেই ম্যাপ অনুযায়ী খালটি হয়নি। কেননা, যারা খালের জমির মালিক ছিল তারা জমি বিক্রি করছে, বাড়ি হয়েছে, ঋণ নিয়েছে। এর সঙ্গে রাজউক’র কর্মকর্তারাও জড়িত রয়েছেন। ভবনগুলোকে রক্ষা করার জন্যই খালটাকে এদিক দিয়ে নেয়া হয়েছে।

খালগুলো ওয়াসার অধীনে থাকাকালে কিছু অসাধু কর্মকর্তা টাকা খেয়ে অবৈধ দখলদারদের অনাপত্তি সনদ দিয়েছিলেন। এই সনদ নিয়ে আইনি লড়াইয়ে নামেন দখলদাররা। যদিও তাদের শেষ রক্ষা হবে না বলে দাবি স্থানীয় কাউন্সিলরের।

উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মতিউর রহমান মোল্লা বলেন, অনেকেই ওয়াসার কর্মকর্তারা তারা ক্ষমতার বলে বা অন্য কোনো উপায়ে দিয়েছেন। রাজউক থেকে তারা পরিকল্পনা নিয়ে এসে বাড়ি-ঘর করেছে। ইচ্ছা করলে খাল সুন্দরভাবে খালের মতো করা সম্ভব হবে।

ভূমি জরিপ অধিদপ্তর, স্থানীয় ভূমি অফিস, ওয়াসা, সিটি করপোরেশনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী সরকারি জমির রেকর্ড জালিয়াতিতে জড়িত বলে অভিযোগ করলেন এই জনপ্রতিনিধি।

এসআর/এম

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS