Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১ আষাঢ় ১৪২৮

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ১০ জুন ২০২১, ১৮:২৮
আপডেট : ১০ জুন ২০২১, ১৮:৩৪

বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী

প্রতীকী ছবি

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রচণ্ড খরতাপ, অন্যদিকে বিদ্যুতের নিয়মিত ঘনঘন আসা-যাওয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে গ্রামবাসী। সরকারের হিসাব মতে দেশে কোনো বিদ্যুতের ঘাটতি না থাকলেও সকাল হতে না হতেই সূর্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সময়-অসময়ে দেখা দিচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাজানো ও কথিত বিদ্যুৎ সঞ্চালনের লাইনে ত্রুটি। বিতরণ ও সঞ্চালন ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে সাধারণ মানুষকে দুঃসহ গরমে দিন-রাত পোহাতে হচ্ছে লোডশেডিংয়ের তীব্র যন্ত্রণা।

ঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা অনেকটায় স্বাভাবিক। সামান্য বৃষ্টিতেও বিদ্যুৎ থাকেনা। সেটিও অনেকের কাছে স্বাভাবিক হয়ে গেছে। কিন্তু বর্তমানে বিনা অজুহাতে বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। না ঝড় না বৃষ্টি, তবু ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না।

এ অবস্থা শুরু হয়েছে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কালিয়াকৈর জোনাল অফিসসহ বিভিন্ন অফিসের আওতাধীন এলাকায়। অভিযোগ উঠেছে কালিয়াকৈর জোনাল অফিসসহ বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তাদের উদাসীনতার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কালিয়াকৈর উপজেলায় বিদ্যুৎ নিয়ে চলছে নানান নাটকীয়তা। সামান্য বৃষ্টি নামলেই বিদ্যুৎ থাকে না। কালিয়াকৈর জোনাল অফিসের পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলে লাইন নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বৃষ্টিপাতের শুরুতেই শুরু হয়েছে বিদ্যুতের ভেল্কিবাজি।

তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে অফিস-আদালতেও স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। কল-কারখানায় ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। দিনে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে। আবার কোনো কোনো এলাকায় মাইকিং করে সকাল থেকে সারাদিন বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হচ্ছে। উপজেলার কালিয়াকৈর বাজার, সফিপুর, মৌচাক, ভান্নারা, চান্দরা, সূত্রাপুর, ফুলবাড়িয়া, চাপাইর, আটাবহ, বোয়ালী, ঢালজোড়া, জালশুকা,বড় কাঞ্চনপুর, বড়ই বাড়ী, বেনুপুর এলাকায় বিদ্যুৎ গেলে আসার আর নাম থাকে না। দিনে ২ থেকে ৩ বার বিদ্যুৎ যায় এসব এলাকায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ১৫০ মেগাওয়াট। কালিয়াকৈরে বরাদ্দ অনুযায়ী প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমের সময় কালিয়াকৈরে বিদ্যুতের চাহিদা দাঁড়ায় ১৫০ মেগাওয়াটের ওপরে। আর এই চাহিদা পূরণ করতে পারছে না পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসগুলো। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা দাবি করছেন কালিয়াকৈরে সেভাবে লোডশেডিং নেই।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কালিয়াকৈর জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী সোলায়মান হোসেন জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে সমস্যা হলে এবং গ্রিডে সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। এছাড়া বর্তমানে কালিয়াকৈরে কোনো লোডশেডিং নেই।

কালিয়াকৈর জোনাল অফিসের এজিএম প্রকৌশলী কামাল হোসেন জানান, বিভিন্ন এলাকায় লাইন মেরামতের কাজ করা হলে তখন ওই এলাকার বিদ্যুৎ লাইন সাময়িকের জন্য বন্ধ রাখা হয়। এটাকে লোডশেডিং বলা যায় না।

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS