Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

টাঙ্গাইল (দক্ষিণ) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ২৮ এপ্রিল ২০২১, ১৮:৫৫
আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২১, ২০:০৫

যে কারণে হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলো কিশোরী

যে কারণে হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলো কিশোরী
যে কারণে হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলো কিশোরী

পরিবার বিয়ে মেনে না নেয়ায় হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে ১৭ বয়র বয়সী এক কিশোরী। বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকালে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায় সে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পৌর এলাকার দক্ষিণ কলেজ পাড়ার বিমল চৌহানের মেয়ে সে। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে কিশোরীটি।

জানা যায়, ওই কিশোরীর সঙ্গে পাশাপাশি কান্দাপাড়া এলাকার প্রদীপ হরিজনের ছেলে প্রভাত হরিজনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক। গত ২ এপ্রিল কোর্টে হলফনামা এফিডেভিট করে এবং শাঁখা সিঁদুর পড়ে বিয়ে করে তারা। ঘটনা জানাজানি হলে কিশোরীর বয়স ১৮ বছর না হওয়ায় তার বাবা-মা পুলিশের সহযোগিতায় সামাজিকভাবে কিশোরীকে ফিরিয়ে আনে। এদিকে কিশোরী আবার পালিয়ে প্রভাত হরিজনের কাছে যায়।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে ফের দুই পক্ষের মাতাব্বর নিয়ে সামাজিকভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয়। সেখানে ছেলের বাবা এবং মেয়ের বাবার মতামতের ভিত্তিতেই কিশোরীকে প্রভাত হরিজনের বাড়িতে রাখার সিদ্ধান্ত হয়। এদিকে ওইদিন বিকেলে কিশোরীর বাবা-মা মানবাধিকার কর্মীর সহযোগিতায় বাল্যবিবাহ উল্লেখ করে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলামকে অবগত করেন। মেয়ের বয়স ১৮ না হওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কিশোরীকে তার বাবা-মায়ের হাতে তুলে দিয়ে আসেন। পরে বুধবার সকালে টয়লেট ক্লিনার হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে কিশোরী।

বর্তমানে ওই কিশোরী টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তার বাবা বলেন, আমার মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার মতানুসারে আমরা বিয়ে দেব তাকে।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কিশোরীর বর্ণনা অনুসারে সে হারপিক পান করেছে। আমরা সে মোতাবেক চিকিৎসা দিচ্ছি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, বাল্য বিয়ের খবর পেয়ে আমরা সেখানে দ্রুত চলে যাই এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মেয়েটিকে তার বাবা মায়ের হাতে তুলে দেয়া হয়।

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS