logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ৩ বৈশাখ ১৪২৮

রাজধানীতে রিকশা ভাড়া দ্বিগুণ, সিএনজির তিনগুণ

রাজধানীতে রিকশার ভাড়া দ্বিগুণ, সিএনজির তিনগুণ
ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের দ্বিতীয় দিন চলছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকাল থেকে অফিস ও জরুরি কাজে বাইরে বের হওয়া মানুষদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। রিকশা ও সিএনজি ছাড়া কোনও পরিবহনই পাচ্ছেন না রাজধানীবাসী।

আরও পড়ুনঃ মামলায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মিরপুর, আসাদগেট, ধানমন্ডি, কলাবাগান, সায়েন্স ল্যাবরেটরি ও নিউমার্কেট এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

অনেকের অফিস খোলা থাকার কারণে তাদের বাইরে বের হতে হচ্ছে। আবার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বা ওষুধের জন্যও কেউ কেউ বের হচ্ছেন।

ধানমন্ডি থেকে রিকশায় করে মতিঝিল যাচ্ছিলেন বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা আয়েশা খানম। তিনি বলেন, আগে লাগতো ৬০ থেকে ৮০ টাকা, এখন সে ভাড়া দিতে হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। যখন সিএনজি নিতে চাইলাম সে ভাড়া শুনে তো তাজ্জব। ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা ভাড়া চাইলো সিএনজি চালক।

রিকশার চাহিদা বেশি থাকায় রিকশাচালকরাও সুযোগ বুঝে বেশি ভাড়া নিচ্ছেন বলে অভিযোগ যাত্রীদের। নিউমার্কেট থেকে ফর্মগেট আসা বেসরকারি চাকরিজীবী তানিম ফয়সাল বলেন, ‘আগে নিউমার্কেট থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত যেতে ৪০-৫০ টাকা রিকশা ভাড়া লাগত। এখন রিকশাচালকরা ১০০-১৫০ টাকা চাইছেন। এত বেশি ভাড়া দিয়ে কীভাবে যাব?’ আর সিএনজি ভাড়া চায় ২০০ থেকে ২৫০ টাকা।

সিএনজিচালিত অটোরিকশায় শেওড়াপাড়া থেকে কারওয়ান বাজারে আসতে আগে ভাড়া লাগতো ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। সেখানে এখন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার নিচে চালকদের সঙ্গে কথাই বলা যায় না বলে জানান কাজীপাড়া থেকে কারওয়ান বাজারগামী বেসরকারি চাকরিজীবী ফরিদ আলম।

কারওয়ান বাজারে দেখা হয় রিকশাচালক সামচু মিয়ার। ভাড়া বাড়িয়ে নেয়ার কারণ চাইলে তিনি জানান, গণপরিবহন বন্ধ থাকার কারণে তাদের আয় একটু বেশি হচ্ছে। তবে খরচও বাড়ছে। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেশি ভাড়ায় যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছেন।

এমআই/পি

RTV Drama
RTVPLUS