logo
  • ঢাকা বুধবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৭

নগরবাসীর সহযোগিতা পেলে ঢাকা হবে ‘নন্দিত শহর’: আতিক

cooperation, city dwellers, Dhaka,become, 'happy city
নগরবাসীর সহযোগিতা পেলে ঢাকা হবে ‘নন্দিত শহর’: আতিক
নগরবাসীর সহযোগিতা পেলে ঢাকা হবে একটি ‘নন্দিত শহর’ এমন মন্তব্য করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, সিটি করপোরেশন রাস্তা, ফুটপাত এবং ড্রেনের ময়লা সাফ করে। সেখানে ফের মানুষ ময়লা ফেলবে, এটি হবে না। জনগণকে বলে যাচ্ছি, যে রাস্তা ও খাল আমরা পরিস্কার করে দিবো, সেই খাল এবং সেই রাস্তা যেন আপনারা তদারকি করেন। আপনাদেরকে আমি সে দায়িত্ব দিয়ে গেলাম। আপনাদের সাহায্য পেলে ঢাকা হবে একটি ‘নন্দিত শহর’।

আজ বুধবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁও উত্তরা মটরস থেকে কুনিপাড়া রানার্স পর্যন্ত সড়ক উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, আজকে যে জায়গায় দাঁড়িয়ে কথা বলছি, আজ থেকে এক বছর আগেও কিন্তু এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলা যেত না। আমি নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি, এখানেও এসেছিলাম। তখন আমি বলেছিলাম এই এলাকার এই অবস্থা কেন। আজ এই জায়গায় সেই দুরবস্থার অবসান হলো।

আতিক বলেন, আমরা চাই এই ঢাকাকে একটি সুন্দর ঢাকায় রূপান্তরিত করার জন্য। আমরা জানি আমাদের অনেক সমস্যা আছে। কিছু সমস্যা মানুষের তৈরি। আমরা দেখেছি কিভাবে তারা রাস্তাগুলোকে দখল করে রাখে।

খাল পরিষ্কার ও অবৈধ দখল উচ্ছেদ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা এক তারিখে খালের দায়িত্ব পেয়েছি। দায়িত্ব পেয়ে ইব্রাহিমপুর খাল পাড়ে গিয়ে দেখি ৬০ ফিট খাল এখন মাত্র ১০ ফিটে চলে আসছে। কালশি খাল ও গোদাখালী খাল থেকে ২০০ ট্রাক ডাবের খোসা উদ্ধার করেছি। এইখান থেকে জাজিম ৩৬টি, টেলিভিশন, ফ্রিজ সবকিছু খালে পেয়েছি।

ভাষানটেকে গত দুইদিন ধরে চলমান অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ভাষানটেক থেকে মানিকদি রাস্তা পার হতে বের থেকে দুই ঘণ্টা সময় লাগতো। পকেট গেইটে একটি দোতলা বাড়ির জন্য সেখানে দীর্ঘ যানজট তৈরি হতো। আমরা সেই বাড়িটি কিনে ভেঙে দিয়েছি। এছাড়া রাস্তার দুই পাশে অবৈধ ভাবে তৈরি করা বাড়িগুলোর বর্ধিতাংশ ভেঙে দিয়েছি। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বাড়িও রেহাই পায়নি।
তিনি বলেনর, দখলদার যেই হোক না কেন, যত শক্তিশালীই হোক না কেন, যত বড় রাজনৈতিক ব্যক্তি হোক না কেন, অবৈধভাবে দখল করে রাখবে, এটি আমি মানতে পারব না। যারা অবৈধভাবে খাল এবং রাস্তা দখল করেছেন তাদের জন্য আমাদের জিরো টলারেন্স অব্যাহত থাকবে।

ইউটার্ন প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, আমরা টোটাল ১০টি ইউটার্ন নির্মাণ করব। ইতিপূর্বে তিনটি ইউটার্ন নির্মাণ করা হয়েছে, সম্প্রতি আরও তিনটি ইউটার্ন খুলে দেওয়া হয়েছে। আরো চারটি নির্মাণাধীন। সবগুলো ইউটার্ন চালু হলে এর সুফল পাওয়া যাবে।

এসময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম, ওয়ার্ড কাউন্সিলর সফিউল্লাহ সফি প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

এফএ

RTV Drama
RTVPLUS