Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ৪ কার্তিক ১৪২৮

ট্রেনে চড়ে কক্সবাজার যাওয়ার সময় জানালেন রেলমন্ত্রী

ট্রেনে চড়ে কক্সবাজার যাওয়ার সময় জানালেন রেলমন্ত্রী

ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য সুখবর দিলেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।অপেক্ষার প্রহর কাটছে ট্রেনে চড়ে কক্সবাজার যেতে চাওয়া পর্যটকদের।

রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন আগামী বছরের ডিসেম্বরেই রেলপথে কক্সবাজার যুক্ত হবে। তখন ঢাকা থেকে সরাসরি নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দে রেলে কক্সবাজার যাওয়া যাবে।

বুধবার ( ২২ সেপ্টেম্বর)সাংবাদিকদের এ কথা বলেন রেলমন্ত্রী।

এ সময় মন্ত্রী দোহাজারী-রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে গুনদুম সীমান্ত পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্রাক নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।

রেলমন্ত্রীর আশা, ২০২২ সালের ১৬ ডিসেম্বরে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন চালু হবে।

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার রেললাইন চালুর অপেক্ষায় রয়েছে সারা দেশের মানুষ। ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত এটির নির্ধারিত মেয়াদ ধরা আছে।

‘করোনায় কাজ করতে সমস্যা এবং নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি কিছু স্থাপনার জমি পেতে সমস্যার কারণে কাজ কিছুটা দেরি হয়। কাজেই ছয় মাস পিছিয়ে আগামী বছরের ডিসেম্বরে উদ্বোধনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারের সঙ্গে রেললাইন চালু হলে পর্যটকরা আরও বেশি পরিমাণে এখানে আসতে পারবেন। এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে।’

এ সময় কক্সবাজারের আইকনিক রেল স্টেশনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও তুলে ধরেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এখানে যাত্রীরা এসে থাকতে পারবেন, এমন কি তাদের মালামাল রাখার জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ভবিষ্যতে এই রেললাইন ট্রান্স এশিয়ান রেললাইনের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে মিয়ানমার তাদের অংশ করলে গুনদুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ করা হবে।

‘চকরিয়া থেকে মাতারবাড়ি পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার নতুন রেললাইন নির্মিত হবে। কক্সবাজারে বহুমুখী উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান আছে এবং এখানকার অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হচ্ছে।’

রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এরইমধ্যে প্রায় ৬ কিলোমিটার পথে বসানো হয়েছে রেললাইন। এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে প্রথম পর্যায়ে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার নতুন সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মিত হবে। প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি ৬২ শতাংশ।

প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হলে কক্সবাজারকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনাসহ পর্যটকরা সাশ্রয়ী আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি সহজে ও কম খরচে মাছ, লবণ, রাবারের কাঁচামাল এবং বনজ ও কৃষিজ দ্রব্যাদি পরিবহন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

এমএন

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS