Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

আরটিভি নিউজ

  ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১৭:৫৪
আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২১, ২১:৩৫

ফের কোম্পানীগঞ্জে সংঘর্ষ, কাদের মির্জার ছেলেসহ আহত ১০

ফের কোম্পানীগঞ্জে সংঘর্ষ, কাদের মির্জার ছেলেসহ আহত ১০
ফের কোম্পানীগঞ্জে সংঘর্ষ, কাদের মির্জার ছেলেসহ আহত ১০

ফের নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী ও উপজেলা আ.লীগের কমিটির অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে। এ ঘটনায় কাদের মির্জার ছেলে তাশিক মির্জাসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছ।

বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানার সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহতদের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ অন্যান্য ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

আহতরা হলেন মেয়র কাদের মির্জার ছেলে তাশিক মির্জা, কাদের মির্জার ভাগনে মিরাজ, ছাত্রলীগ নেতা বোরহান উদ্দিন, ফয়সাল আহমেদ জিসান, হিমেল, সানি, জয়, ইমন, আওয়ামী লীগের আরমান চৌধুরীসহ অন্তত ১০ জন। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে আরমান গুরুতর আহত।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, দুপুর ৩টার দিকে উপজেলা আ.লীগের অনুসারীরা ত্রাণ বিতরণ শেষে বসুরহাট বাজারে আসে। তখন মির্জা অনুসারী শাহদাত সিফাত আজকে দুপুরে বসুরহাট পৌরসভা ভবন থেকে ফেসবুক লাইভে এসে উপজেলা আ.লীগ, যুবলীগ নেতাদের অকথ্য ভাষায় চরিত্র হনন করে বক্তব্য দেয়। তার এ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেখে উপজেলা আ.লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা দুপুর ৩টার দিকে বসুরহাট বাজারে থানার সামনে জড়ো হয়ে কাদের মির্জার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেয়।

এ ঘটনায় খবর পেয়ে কাদের মির্জা কাদেরের ছোট ভাই শাহদাত হোসেন ও ছেলে তাশিক মির্জা পৌরসভা থেকে তাদের অনুসারীদের নিয়ে জিরো পয়েন্ট হয়ে থানার সামনে মুখোমুখি অবস্থান নিলে দুই গ্রুপের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় মির্জা অনুসারী রাসেল ওরফে কেচ্ছা রাসেল গুলি ছুঁড়লে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে কাদের মির্জার ছেলে তাশিক মির্জা উপজেলা যুবলীগ সভাপতি আজম পাশা চৌধুরী রুমেলকে আটক করে নিয়ে যেতে চাইলে দ্রুত পরিস্থিতি পাল্টে যায় এবং দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাঁধে। পরে মির্জা অনুসারীরা উপজেলা আ.লীগ অনুসারী তার ভাগনে ফখরুল ইসলাম রাহাতের থানা সংলগ্ন বাসায় ককটেল নিক্ষেপ করে। শেষে পুলিশ রাহাতের বাসা থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জানান, তিনি এ বিষয়ে পরে কথা বলবেন।

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS