Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ০৪ আগস্ট ২০২১, ২০ শ্রাবণ ১৪২৮

প্রভাবশালীদের দখলে যাচ্ছে খাপড়াভাঙ্গা নদী

নদী দখলের চিত্র

পটুয়াখালীর মহিপুরে খাপড়াভাঙ্গা নদী দখল করে চলছে বালুর ব্যবসা ও ভাড়া আদায়। নদীর তীর থেকে প্রায় ৫০ ফুট অভ্যন্তরে মাটির বাঁধ দিয়ে বালু ভরাট করে দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত রয়েছে এমন দখল কার্যক্রম। এসব দেখেও সংশ্লিষ্ট অফিসের এক কর্তাব্যক্তি বলছেন, বিশ ফুট বাদে নদীর মধ্যে রয়েছে দখলদারদের বন্দোবস্ত। আর স্থানীয়রা বলছেন, নদীর মধ্যে দখলের এমন দৃশ্য আগে কখনোই দেখেননি তারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউপির পূর্ব আলীপুর ট্রলার মেরামতের পোতাশ্রয় (ডগ) সংলগ্ন ভাপড়াভাঙ্গা নদী দখল করে তোলা হয়েছে বালু ব্যবসার ঘাট। দখলকৃত নদী ইতোমধ্যে এক পরিবহন ব্যবসায়ীর কাছে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে ভাড়া দিয়েছেন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যবসায়ী বেল্লাল কাজী। তার দাবি, ভূমি বন্দোবস্ত পাওয়া মালিক পক্ষের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে নদীর ওই অংশের মালিক এখন তিনি। স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ প্রভাবশালী বেল্লাল কাজীর ডগের পাশেই এই নদী দখল করে ভাড়া দিয়েছেন তিনি।

এবিষয়ে নদীর অংশ ভাড়া নেয়া হিমি পরিবহনের মালিক জাকির হোসেন’র কাছে জানতে চাইলে তিনি মদ্যপ অবস্থায় সংবাদকর্মীদের সামনে হাজির হয়ে জানান, আই ডোন্ট কেয়ার। এ জমি আমি বেল্লাল কোম্পানির কাছ থেকে এক লাখ টাকায় ভাড়া নিছি। আমারে কি ফাঁসি দেবেন।

এদিকে বন্দোবস্ত পাওয়া মালিক থেকে ক্রয় সূত্রে নদী অংশের দাবিদার বেল্লাল কাজীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা এইখানে আইছেন ক্যা। আপনাদের কি কাগজ আছে।

অপরদিকে মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস সহকারী কর্মকর্তা আজিজুর রহমান দখলের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ওরা বন্দোবস্ত পেয়েছে। তবে নদীর মধ্যে অন্তত বিশ ফুট দখল করেছে। কিভাবে নদীর মধ্যে বন্দোবস্ত পেয়েছে তা আমি জানি না।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল বলেন, ওইখানে আমাদের মহিপুর ভূমি অফিসের তহশিলদারসহ লোকজন গিয়েছিল। দখলদারদের এক দিনের মধ্যে নদীর অংশ ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে। তবে স্থানীয়রা জানান, দুই দিনেও দখল অবমুক্ত করা হয়নি।

এসআর/

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS