Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ০৯ মে ২০২১, ২৬ বৈশাখ ১৪২৮

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ২৭ এপ্রিল ২০২১, ২১:২৫
আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২১, ২১:২৮

বনের মধ্যে বন ধ্বংসের সমিল

বনের মধ্যে বন ধ্বংসের সমিল
বনের মধ্যে বন ধ্বংসের সমিল

সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বনের মধ্যে সমিল স্থাপনের কাজ চললেও দেখছেন না কেউ। পরিবেশ ও বনবিভাগের ছাড়পত্র ও লাইসেন্স ছাড়াই অবৈধভাবে গড়ে উঠছে সমিলটি। তবে সমিল মালিক বিধান চন্দ্র হাওলাদার রেকর্ডীয় জমি দাবি করলেও স্বপক্ষ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকায় সমিলটি স্থাপন করা হচ্ছে। সমিলের দক্ষিণ পার্শ্বে ৪৮নং পোল্ডারের পাউবো বেড়িবাঁধের সরকারি জমি আর উত্তর পার্শ্বে খাপড়াভাঙ্গা নদী, মাঝখানে বনবিভাগের বাগান। মিলের পাশে রয়েছে কেওড়া, গোলগাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। মাটির নিচে গোলগাছ চাপা দিয়ে সমিলের ট্রলি বসানো হয়েছে। মিল স্থাপনের পূর্ব পরিকল্পনা হিসেবে আগেভাগেই দুটি কুটাকুড় বসানো হয়েছে। আর চলমান লকডাউনের সুযোগে স্থাপন করা হচ্ছে করাতকলটি।

সূত্র মতে, সমিল স্থাপনের জন্য বন বিভাগের লাইসেন্স প্রাপ্তির পর পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিতে হয়। সমিল লাইসেন্স বিধিমালা ২০১২-এর আইনে সুস্পষ্টভাবে বলা রয়েছে, করাতকল স্থাপন বা পরিচালনার জন্য লাইসেন্স ফি বাবদ ২ হাজার টাকা ‘১/৪৫৩১/০০০০/২৬৮১ (বিবিধ রাজস্ব ও প্রাপ্তি)’ খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বা যেকোনো সরকারি ট্রেজারিতে জমাপূর্বক তার ট্রেজারি চালান আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত না করলে আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না।

সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিনোদন পার্ক, উদ্যান ও জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্থানের ২০০ মিটারের মধ্যে সমিল স্থাপন করা যাবে না। বিধিমালায় আরো বলা আছে, এ আইন কার্যকর হওয়ার আগে কোনো নিষিদ্ধ স্থানে সমিল স্থাপন করা হয়ে থাকলে আইন কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে সেগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। যদি তা না করা হয় তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা বন্ধের জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। কিন্তু আইন থাকলেও প্রয়োগ নেই।

সমিল মালিক বিধান চন্দ্র হাওলাদার বলেন, আশপাশে সরকারি জমি থাকলেও মিলটি রেকর্ডীয় জমিতে বসানো হয়েছে। আমি বন বিভাগের একটি গাছও নষ্ট করিনি।

এ ব্যাপারে মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, নতুন সমিল স্থাপনের বিষয়টি আমার জানা নেই। চলমান লকডাউনের সুযোগ নিয়ে মিলটি স্থাপন করা হচ্ছে। আমি খোঁজ খবর নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

পটুয়াখালী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলামের নম্বরে ফোন ও এসএমএস দিয়ে পাওয়া যায়নি বলে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS