logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

করোনা আপডেট

  •     দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু ২১, আক্রান্ত ১৯৭৫ জন, আর সুস্থ হয়েছেন ৪৩৩ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

নওগাঁয় আম্পানের কারণে আমের ব্যাপক ক্ষতি

নওগাঁ প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন
|  ২১ মে ২০২০, ১৪:২৭ | আপডেট : ২১ মে ২০২০, ১৬:৪২
আম আম্পান ঝড়
ছবি সংগৃহীত

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে নওগাঁয় আমসহ বোরো ধানের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ও গাছপালা, বাড়িঘরসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি বিভাগ।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলার সাপাহার ও পোরশা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আমের বাগানে বাগানে পরে আছে ঝরে পড়া আম। ফেটে নষ্ট হয়েছে এর অনেকগুলো। কোনও কোনও বাগানে আমের গাছ ঝরে উপড়ে পড়ে গেছে। ডাল ভেঙে পড়েছে অনেক গাছের। 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নওগাঁ সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ বছর ২১ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে।  চার হাজার ৮০০ আম চাষির প্রায় সাত হাজার বাগান রয়েছে।  প্রতি হেক্টর জমিতে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১৫ মেট্রিক টন। এবার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল তিন লাখ ২৫ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ, অর্থাৎ ১ লাখ ৮৫ হাজার আম ঝরে পড়েছে। ভরা মৌসুমে আমের দাম ৪০ টাকা কেজি ধরলে এর দাম প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে ৬০ ভাগেরও বেশি আম উৎপাদন হয় পোরশা ও সাপাহার উপজেলায়। সাপাহার উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের আমচাষি সাইফুর রহমান বলেন, ৪০ বিঘা জমির ওপর তার চারটি বাগান রয়েছে। ঝড়ে বাগানের তিন হাজার গাছের অর্ধেক আম পড়ে গেছে। বেশ গাছ ঝড়ে পড়ে গেছে। ঝরে পড়া আম ৩-৪ টাকা কেজির বেশি বিক্রি হবে না। যে ফেটে গেছে সেগুলো কেউ কিনবে না।

সাপাহার উপজেলার উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা  আতাউর রহমান বলেন, সাপাহারে এবার  আট হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। এবার এমনিতেই বাগানগুলোতে আম কম ধরেছিল। তারওপর এই ঝড়ে অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। ঝরে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনও নিরূপণ করা যায়নি। তবে কিছু বাগান পরিদর্শন করে ধারণা হচ্ছে, আম গাছের প্রায় ৪০-৫০ শতাংশ আম পড়ে গেছে।      

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে আম চাষিদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

অপরদিকে জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক আরও  জানান- নওগাঁ জেলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৮২℅ ধানের কাটায় মাড়াই শেষ হলেও বাকি ১৮℅ ধান মাঠে থাকায় ফসলগুলো বৃষ্টি পানিতে নিমজ্জিত এবং ঝড়ে মাটিতে শুয়ে পড়েছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে জেলায় ধান এবং আমের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মাঠপর্যায়ে তার তালিকা প্রস্তুত করে কৃষি বিভাগ থেকে তাদের যথাযথ সহায়তা করা হবে বলে তিনি জানান।

নওগাঁর বদলগাছী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার রাত  একটা থেকে দুইটার দিকে নওগাঁতে আঘাত হানে। এ সময়  বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০-৮০ কিলোমিটার।

জেবি

corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৩৩৬১০ ৬৯০১ ৪৮০
বিশ্ব ৫৪৯৮৫৮০ ২৩০২০০৪ ৩৪৬৬৮৮
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়