করোনা ঝুঁকিতে পাথরঘাটা মৎস্যবন্দরের জেলেরা

প্রকাশ | ২৬ মার্চ ২০২০, ১৫:৪৬ | আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২০, ১৭:০৯

বরগুনা প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন
ছবি সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মহামারিতে রূপ নিয়েছে। বাংলাদেশেও এর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে এবং সংক্রমিত লোকের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরইমধ্যে স্কুল-কলেজ, সব ধরনের প্রাইভেট, কোচিং, সমাবেশ, বিয়ে অনুষ্ঠানসহ লোকসমাগম হয় এমন সবকিছু বন্ধ করেছে প্রশাসন।

উপকূলীয় জেলা বরগুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাছের পাইকারি বাজার। যেখানে প্রতিদিন দেশি-বিদেশি মানুষের সমাগম ঘটে। এখানে এখনও অবাধে জনসমাগম ঘটছে করোনা ঝুঁকি উপেক্ষা করে।  সচেতন মহলের দাবি,  প্রশাসনের দ্রুততম সময়ে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তবে প্রশাসন বলছে সরকারি নির্দেশনা পেলে এমন অবাধ জনসমাগম বন্ধ করা হবে।

পাথরঘাটা উপজেলার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাইকারি মাছের বাজার। যেখান থেকে প্রতিদিন শত শত মণ বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেন কয়েকশ’ পাইকার। এই ঘাটে প্রতিদিন হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ক্রেতা আসেন মাছ ক্রয় করতে। এই বাজারে এসব লোকদের করোনা মোকাবেলায় নেই কোনও সুরক্ষার ব্যবস্থা। কোনও প্রকারের মাস্ক ব্যবহার না করেই তারা নিত্যনৈমিত্তিক কার্যাবলী চালিয়ে যাচ্ছে। নেই মাস্কের সহজলভ্যতা কিংবা হাত ধোয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। এতে দ্রুত ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। তাই সচেতন মহলের দাবি সরকারের এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পরতে পারে গোটা উপকূলীয় জেলায় যা মোকাবেলা করা দূরহ হবে।

তবে হাত ধোয়া ও মাস্ক ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য মতে,  বরগুনা জেলায় বিভিন্ন দেশ থেকে ৭৬৪ জন ব্যক্তি দেশে ফিরেছেন। কিন্তু হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন  মাত্র ২৩২ জন ব্যক্তি। এর মধ্যে বরগুনা সদর হাসপাতালের  কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন মাত্র  একজন ।

জেবি